রূপপুর ঘিরে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা: ছুটির দিনে দর্শনার্থীদের ভিড়

রূপপুর ঘিরে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা: ছুটির দিনে দর্শনার্থীদের ভিড়
পাবনা প্রতিনিধি

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ঘিরে পাকশীতে নতুন পর্যটনের সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে। ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, লালন শাহ সেতু, পদ্মা নদীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই মেগা প্রকল্পের সমন্বয়ে অপার সৌন্দর্যের সৃষ্টি হয়েছে। ছুটির দিনগুলোতে পরিবার নিয়ে সময় কাটাতে এখানে ছুটে আসেন দর্শনার্থীরা।
পাবনায় বেড়ানোর মতো উল্লেখযোগ্য তেমন জায়গা নেই। কিন্তু ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশীতে নিয়মিত ছুটির দিনে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। পরিবার নিয়ে বেড়ানোর মতো এই জায়গা দিনদিন নজড় কাড়ছে স্থানীয় দর্শনার্থীর। তবে অন্যান্য জেলা থেকেও এখানে ঘুরতে আসেন।
সরকার পদক্ষেপ নিলে এখানে গড়ে উঠতে পারে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। এর ফলে একদিকে রাজস্ব পাবে সরকার আর অন্যদিকে এখানে বেড়াতে আসেন দর্শনার্থীরা।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকালে পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচে গিয়ে দেখা যায়, ভ্রমণপিপাসুদের উপচেপড়া ভিড়। কেউ এসেছেন পরিবার নিয়ে, কেউবা বন্ধুবান্ধব নিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন।
বন্ধুদের নিয়ে বেড়াতে আসা শাকিল হোসেন বলেন, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকা বেড়ানোর মতো সুন্দর একটি জায়গা। বিশেষ করে ছুটির দিনে আমরা এখানে আসি বেড়াতে, ছবি তুলতে। খুব ভালো লাগে।
আরেক দর্শনার্থী খাইরুল ইসলাম বলেন, রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র এলাকাটি খুব আকর্ষণীয়। তাই স্ত্রী সন্তান নিয়ে মাঝে মধ্যে এখানে বেড়াতে আসি।
এখানে রয়েছে বেশকিছু সমস্যা ও সঙ্কট। বেড়াতে আসা ভ্রমণপিপাসু দর্শনার্থীরা জানান, হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচের সড়কটির অবস্থা ভালো না। এখানে নেই পাবলিক টয়লেট ও বিশ্রামাগার। এসব সমস্যা এখন সমাধানের দাবি।
জিনিয়া খাতুন নামের গৃহবধূ বলেন, জায়গাটা বেশ সুন্দর। তবে কিছু সমস্যা আছে। পদ্মার পাড়ে নামার মতো ভালো রাস্তা নেই। নিরাপত্তারও অভাব রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধান করা গেলে ভালো হতো।
প্রভাষক আরিফ আহমেদ বলেন, এই জায়গাটি ঘিরে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার অপার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। সরকার যদি এটা নিয়ে পরিকল্পনা করেন, পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলেন তাহলে সাধারণ মানুষ একটু বেড়ানোর জায়গা পেতো। সেই সঙ্গে এখান থেকে সরকারও রাজস্ব আয় করতে পারতো।
এ বিষয়ে পাবনার জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, একটি পর্যটন কেন্দ্র করতে যে বাজেট দরকার, তা স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষে সম্ভব নয়। এখানে একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে পর্যটন মন্ত্রণালয়কে জানাবো।

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ঘিরে পাকশীতে নতুন পর্যটনের সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে। ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, লালন শাহ সেতু, পদ্মা নদীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই মেগা প্রকল্পের সমন্বয়ে অপার সৌন্দর্যের সৃষ্টি হয়েছে। ছুটির দিনগুলোতে পরিবার নিয়ে সময় কাটাতে এখানে ছুটে আসেন দর্শনার্থীরা।
পাবনায় বেড়ানোর মতো উল্লেখযোগ্য তেমন জায়গা নেই। কিন্তু ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশীতে নিয়মিত ছুটির দিনে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। পরিবার নিয়ে বেড়ানোর মতো এই জায়গা দিনদিন নজড় কাড়ছে স্থানীয় দর্শনার্থীর। তবে অন্যান্য জেলা থেকেও এখানে ঘুরতে আসেন।
সরকার পদক্ষেপ নিলে এখানে গড়ে উঠতে পারে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। এর ফলে একদিকে রাজস্ব পাবে সরকার আর অন্যদিকে এখানে বেড়াতে আসেন দর্শনার্থীরা।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকালে পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচে গিয়ে দেখা যায়, ভ্রমণপিপাসুদের উপচেপড়া ভিড়। কেউ এসেছেন পরিবার নিয়ে, কেউবা বন্ধুবান্ধব নিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন।
বন্ধুদের নিয়ে বেড়াতে আসা শাকিল হোসেন বলেন, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকা বেড়ানোর মতো সুন্দর একটি জায়গা। বিশেষ করে ছুটির দিনে আমরা এখানে আসি বেড়াতে, ছবি তুলতে। খুব ভালো লাগে।
আরেক দর্শনার্থী খাইরুল ইসলাম বলেন, রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র এলাকাটি খুব আকর্ষণীয়। তাই স্ত্রী সন্তান নিয়ে মাঝে মধ্যে এখানে বেড়াতে আসি।
এখানে রয়েছে বেশকিছু সমস্যা ও সঙ্কট। বেড়াতে আসা ভ্রমণপিপাসু দর্শনার্থীরা জানান, হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচের সড়কটির অবস্থা ভালো না। এখানে নেই পাবলিক টয়লেট ও বিশ্রামাগার। এসব সমস্যা এখন সমাধানের দাবি।
জিনিয়া খাতুন নামের গৃহবধূ বলেন, জায়গাটা বেশ সুন্দর। তবে কিছু সমস্যা আছে। পদ্মার পাড়ে নামার মতো ভালো রাস্তা নেই। নিরাপত্তারও অভাব রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধান করা গেলে ভালো হতো।
প্রভাষক আরিফ আহমেদ বলেন, এই জায়গাটি ঘিরে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার অপার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। সরকার যদি এটা নিয়ে পরিকল্পনা করেন, পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলেন তাহলে সাধারণ মানুষ একটু বেড়ানোর জায়গা পেতো। সেই সঙ্গে এখান থেকে সরকারও রাজস্ব আয় করতে পারতো।
এ বিষয়ে পাবনার জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, একটি পর্যটন কেন্দ্র করতে যে বাজেট দরকার, তা স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষে সম্ভব নয়। এখানে একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে পর্যটন মন্ত্রণালয়কে জানাবো।

রূপপুর ঘিরে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা: ছুটির দিনে দর্শনার্থীদের ভিড়
পাবনা প্রতিনিধি

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ঘিরে পাকশীতে নতুন পর্যটনের সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে। ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, লালন শাহ সেতু, পদ্মা নদীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই মেগা প্রকল্পের সমন্বয়ে অপার সৌন্দর্যের সৃষ্টি হয়েছে। ছুটির দিনগুলোতে পরিবার নিয়ে সময় কাটাতে এখানে ছুটে আসেন দর্শনার্থীরা।
পাবনায় বেড়ানোর মতো উল্লেখযোগ্য তেমন জায়গা নেই। কিন্তু ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশীতে নিয়মিত ছুটির দিনে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। পরিবার নিয়ে বেড়ানোর মতো এই জায়গা দিনদিন নজড় কাড়ছে স্থানীয় দর্শনার্থীর। তবে অন্যান্য জেলা থেকেও এখানে ঘুরতে আসেন।
সরকার পদক্ষেপ নিলে এখানে গড়ে উঠতে পারে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। এর ফলে একদিকে রাজস্ব পাবে সরকার আর অন্যদিকে এখানে বেড়াতে আসেন দর্শনার্থীরা।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকালে পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচে গিয়ে দেখা যায়, ভ্রমণপিপাসুদের উপচেপড়া ভিড়। কেউ এসেছেন পরিবার নিয়ে, কেউবা বন্ধুবান্ধব নিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন।
বন্ধুদের নিয়ে বেড়াতে আসা শাকিল হোসেন বলেন, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকা বেড়ানোর মতো সুন্দর একটি জায়গা। বিশেষ করে ছুটির দিনে আমরা এখানে আসি বেড়াতে, ছবি তুলতে। খুব ভালো লাগে।
আরেক দর্শনার্থী খাইরুল ইসলাম বলেন, রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র এলাকাটি খুব আকর্ষণীয়। তাই স্ত্রী সন্তান নিয়ে মাঝে মধ্যে এখানে বেড়াতে আসি।
এখানে রয়েছে বেশকিছু সমস্যা ও সঙ্কট। বেড়াতে আসা ভ্রমণপিপাসু দর্শনার্থীরা জানান, হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচের সড়কটির অবস্থা ভালো না। এখানে নেই পাবলিক টয়লেট ও বিশ্রামাগার। এসব সমস্যা এখন সমাধানের দাবি।
জিনিয়া খাতুন নামের গৃহবধূ বলেন, জায়গাটা বেশ সুন্দর। তবে কিছু সমস্যা আছে। পদ্মার পাড়ে নামার মতো ভালো রাস্তা নেই। নিরাপত্তারও অভাব রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধান করা গেলে ভালো হতো।
প্রভাষক আরিফ আহমেদ বলেন, এই জায়গাটি ঘিরে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার অপার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। সরকার যদি এটা নিয়ে পরিকল্পনা করেন, পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলেন তাহলে সাধারণ মানুষ একটু বেড়ানোর জায়গা পেতো। সেই সঙ্গে এখান থেকে সরকারও রাজস্ব আয় করতে পারতো।
এ বিষয়ে পাবনার জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, একটি পর্যটন কেন্দ্র করতে যে বাজেট দরকার, তা স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষে সম্ভব নয়। এখানে একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে পর্যটন মন্ত্রণালয়কে জানাবো।




