চাঁদাবাজির প্রমাণ দিতে পারলে আত্মহত্যা করবো: বিএনপি নেতা

চাঁদাবাজির প্রমাণ দিতে পারলে আত্মহত্যা করবো: বিএনপি নেতা
পাবনা সংবাদদাতা

‘চাঁদাবাজির বিষয়ে যদি আমার কোনো সম্পৃক্ততা থাকে, যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে রাজনীতি তো দূরে থাক, আমি আত্মহত্যা করবো’ বলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন বিএনপি নেতা রেজাউল করিম খোকন। শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় পাবনার চাটমোহর রেলবাজারে নিজের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
রেজাউল করিম খোকন ওরফে কাজী খোকন চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক। তিনি উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের জগতলা গ্রামের খবির উদ্দিন মাস্টারের ছেলে।
একই উপজেলার মহরমখালি গ্রামের হারুন অর রশীদ নামের এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ তোলেন বিএনপি নেতা কাজী খোকনের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যায় রেলবাজার এলাকায় হারুনকে মারধর করেন খোকন। আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে তিনি অভিযোগ করেন, কাজী খোকন তার কাছে চাঁদা দাবি করেছেন। না দেওয়ায় তাকে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন হারুন।
এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি নেতা কাজী খোকন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। তার প্রেক্ষিতে আমি আমার এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি। হারুন একজন মাদকের ডিলার ও আদম ব্যবসায়ী। এটা সবাই জানে। আমি এর প্রতিবাদ করেছিলাম।
কাজী খোকন বলেন, মূলত মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ তুলে চরিত্র হনন করা হয়েছে। আপনারা তদন্ত করে দেখেন, আমাকে সহযোগিতা করেন, প্রশাসনকেও সহযোগিতা করেন। আমি যদি তাই হই, আপনাদের সামনে ওয়াদা করছি, চাঁদাবাজির বিষয়ে যদি আমার কোনো সম্পৃক্ততা থাকে তাহলে আমি রাজনীতি তো দূরে থাক আমি আত্মহত্যা করবো। হারুন কেন আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুললো তার প্রমাণ নেন, তদন্ত করে দেখেন। সে একজন মাদকের ডিলার, ইয়াবা ব্যবসায়ী সেটাও তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস আলো, মূলগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি নেতা তোফাজ্জল হোসেন মন্ডল, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান ঠান্টু, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম মোল্লা প্রমুখ।

‘চাঁদাবাজির বিষয়ে যদি আমার কোনো সম্পৃক্ততা থাকে, যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে রাজনীতি তো দূরে থাক, আমি আত্মহত্যা করবো’ বলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন বিএনপি নেতা রেজাউল করিম খোকন। শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় পাবনার চাটমোহর রেলবাজারে নিজের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
রেজাউল করিম খোকন ওরফে কাজী খোকন চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক। তিনি উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের জগতলা গ্রামের খবির উদ্দিন মাস্টারের ছেলে।
একই উপজেলার মহরমখালি গ্রামের হারুন অর রশীদ নামের এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ তোলেন বিএনপি নেতা কাজী খোকনের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যায় রেলবাজার এলাকায় হারুনকে মারধর করেন খোকন। আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে তিনি অভিযোগ করেন, কাজী খোকন তার কাছে চাঁদা দাবি করেছেন। না দেওয়ায় তাকে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন হারুন।
এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি নেতা কাজী খোকন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। তার প্রেক্ষিতে আমি আমার এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি। হারুন একজন মাদকের ডিলার ও আদম ব্যবসায়ী। এটা সবাই জানে। আমি এর প্রতিবাদ করেছিলাম।
কাজী খোকন বলেন, মূলত মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ তুলে চরিত্র হনন করা হয়েছে। আপনারা তদন্ত করে দেখেন, আমাকে সহযোগিতা করেন, প্রশাসনকেও সহযোগিতা করেন। আমি যদি তাই হই, আপনাদের সামনে ওয়াদা করছি, চাঁদাবাজির বিষয়ে যদি আমার কোনো সম্পৃক্ততা থাকে তাহলে আমি রাজনীতি তো দূরে থাক আমি আত্মহত্যা করবো। হারুন কেন আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুললো তার প্রমাণ নেন, তদন্ত করে দেখেন। সে একজন মাদকের ডিলার, ইয়াবা ব্যবসায়ী সেটাও তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস আলো, মূলগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি নেতা তোফাজ্জল হোসেন মন্ডল, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান ঠান্টু, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম মোল্লা প্রমুখ।

চাঁদাবাজির প্রমাণ দিতে পারলে আত্মহত্যা করবো: বিএনপি নেতা
পাবনা সংবাদদাতা

‘চাঁদাবাজির বিষয়ে যদি আমার কোনো সম্পৃক্ততা থাকে, যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে রাজনীতি তো দূরে থাক, আমি আত্মহত্যা করবো’ বলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন বিএনপি নেতা রেজাউল করিম খোকন। শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় পাবনার চাটমোহর রেলবাজারে নিজের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
রেজাউল করিম খোকন ওরফে কাজী খোকন চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক। তিনি উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের জগতলা গ্রামের খবির উদ্দিন মাস্টারের ছেলে।
একই উপজেলার মহরমখালি গ্রামের হারুন অর রশীদ নামের এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ তোলেন বিএনপি নেতা কাজী খোকনের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যায় রেলবাজার এলাকায় হারুনকে মারধর করেন খোকন। আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে তিনি অভিযোগ করেন, কাজী খোকন তার কাছে চাঁদা দাবি করেছেন। না দেওয়ায় তাকে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন হারুন।
এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি নেতা কাজী খোকন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। তার প্রেক্ষিতে আমি আমার এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি। হারুন একজন মাদকের ডিলার ও আদম ব্যবসায়ী। এটা সবাই জানে। আমি এর প্রতিবাদ করেছিলাম।
কাজী খোকন বলেন, মূলত মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ তুলে চরিত্র হনন করা হয়েছে। আপনারা তদন্ত করে দেখেন, আমাকে সহযোগিতা করেন, প্রশাসনকেও সহযোগিতা করেন। আমি যদি তাই হই, আপনাদের সামনে ওয়াদা করছি, চাঁদাবাজির বিষয়ে যদি আমার কোনো সম্পৃক্ততা থাকে তাহলে আমি রাজনীতি তো দূরে থাক আমি আত্মহত্যা করবো। হারুন কেন আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুললো তার প্রমাণ নেন, তদন্ত করে দেখেন। সে একজন মাদকের ডিলার, ইয়াবা ব্যবসায়ী সেটাও তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস আলো, মূলগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি নেতা তোফাজ্জল হোসেন মন্ডল, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান ঠান্টু, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম মোল্লা প্রমুখ।




