শামীমের লিচু বাগান সবার জন্য উন্মুক্ত
পাবনা প্রতিনিধি

শামীমের লিচু বাগান সবার জন্য উন্মুক্ত
পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ১৮: ১৭

গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে লাল টসটসে লিচু। অবিশ্বাস্য হলেও, সত্যি। পাবনায় একটি লিচু বাগান রয়েছে, যেখানে যে যার ইচ্ছা মতো লিচু পেড়ে খেতে পারেন। আবার বাড়িতেও নিয়ে যেতে পারেন। তার জন্য কোনো টাকা পরিশোধ করতে হয় না।
লিচু বাগানটি গড়ে তুলেছেন পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার আলোকদিয়ার গ্রামের কৃষিবিদ মোস্তফা জামাল শামীম।বাগানটিতে কোনো ধরনের জাল বা বেড়া নেই এবং পাখিরাও নির্বিঘ্নে ফল খেতে পারে। এই উদার মানসিকতার জন্য বাগান মালিকের প্রশংসা করছেন অনেকে। তার ৮ বিঘার জমির উপর ২০০ এর অধিক লিচু গাছে রয়েছে। শুধু মানুষই নয়, এই বাগানের লিচু পশু-পাখির জন্যও উন্মুক্ত।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কৃষিবিদ মোস্তফা জামাল শামীম প্রায় দেড় যুগ আগে পৈত্রিক জমিতে এই লিচুর বাগান করেন। বাগানের গাছে থোকায় থোকায় নানা জাতের লিচু ঝুলছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের একপাশে বয়ে যাওয়া ইছামতি নদী। নদীর পাড়ের বিপরীতে খোলা মাঠ। নানা ফসলের সমারোহের মাঝেই এই লিচুর বাগান। সারিবদ্ধ গাছগুলো লিচুতে ছেঁয়ে গেছে। নানা শ্রেণি পেশার নারী-পুরুষ ও শিশুরা আসছেন বিনা পয়সার বাগানে লিচু খেতে। ইচ্ছে মতো লিচু খেয়ে পরিবারের জন্য নিয়েও যাচ্ছেন অনেকে। এ যেন বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এই কৃষি উদ্যোক্তা।
বাগান দেখতে আসা কলেজ শিক্ষক আরিফ আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, আমি বাগান দেখে মুগ্ধ। আসলে মানুষের জন্য কিছু করার সদিচ্ছা থাকলে অনেকভাবেই করা যায়। যার জলন্ত উদাহরণ কিমিয়া সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা জামাল শামীম।
আরেক দর্শণার্থী পাভেল মৃধা বলেন, মানুষ ইচ্ছে করলেই মানবিক-উদার আর জনবান্ধব হতে পারেন। বর্তমানে কেউ কাউকে ছাড় দেন না। সেখানে বাণিজ্যিক যুগে এসে নিজ খরচে ২০০ গাছের লিচু বিনা পয়সায় খাওয়ার জন্য উন্মুক্ত করা কম কথা নয়। নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

লিচু বাগানের মালিক কৃষিবিদ মোস্তফা জামাল শামীম বলেন, এই লিচু আবাদে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার করা হয়নি। বাগানে দেওয়া হয়নি কোনো জাল। মানুষের পাশাপাশি পশুপাখির জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে এই লিচু বাগান।
পাবনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ির উপপরিচালক কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এমন উদ্যোগ সচরাচর কোথাও দেখা যায় না। স্বাগত জানাই বাগান মালিককে এমন একটি ভাল কাজ করার জন্য। অনেক দরিদ্র মানুষ আছে, যাদের ইচ্ছে থাকলেও কেনার সামর্থ্য থাকে না। যাদের লিচু বাগান আছে, তারা যদি এমন উদারতা দেখান তাহলে সমাজের দরিদ্র মানুষ উপকৃত হবেন।

গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে লাল টসটসে লিচু। অবিশ্বাস্য হলেও, সত্যি। পাবনায় একটি লিচু বাগান রয়েছে, যেখানে যে যার ইচ্ছা মতো লিচু পেড়ে খেতে পারেন। আবার বাড়িতেও নিয়ে যেতে পারেন। তার জন্য কোনো টাকা পরিশোধ করতে হয় না।
লিচু বাগানটি গড়ে তুলেছেন পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার আলোকদিয়ার গ্রামের কৃষিবিদ মোস্তফা জামাল শামীম।বাগানটিতে কোনো ধরনের জাল বা বেড়া নেই এবং পাখিরাও নির্বিঘ্নে ফল খেতে পারে। এই উদার মানসিকতার জন্য বাগান মালিকের প্রশংসা করছেন অনেকে। তার ৮ বিঘার জমির উপর ২০০ এর অধিক লিচু গাছে রয়েছে। শুধু মানুষই নয়, এই বাগানের লিচু পশু-পাখির জন্যও উন্মুক্ত।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কৃষিবিদ মোস্তফা জামাল শামীম প্রায় দেড় যুগ আগে পৈত্রিক জমিতে এই লিচুর বাগান করেন। বাগানের গাছে থোকায় থোকায় নানা জাতের লিচু ঝুলছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের একপাশে বয়ে যাওয়া ইছামতি নদী। নদীর পাড়ের বিপরীতে খোলা মাঠ। নানা ফসলের সমারোহের মাঝেই এই লিচুর বাগান। সারিবদ্ধ গাছগুলো লিচুতে ছেঁয়ে গেছে। নানা শ্রেণি পেশার নারী-পুরুষ ও শিশুরা আসছেন বিনা পয়সার বাগানে লিচু খেতে। ইচ্ছে মতো লিচু খেয়ে পরিবারের জন্য নিয়েও যাচ্ছেন অনেকে। এ যেন বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এই কৃষি উদ্যোক্তা।
বাগান দেখতে আসা কলেজ শিক্ষক আরিফ আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, আমি বাগান দেখে মুগ্ধ। আসলে মানুষের জন্য কিছু করার সদিচ্ছা থাকলে অনেকভাবেই করা যায়। যার জলন্ত উদাহরণ কিমিয়া সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা জামাল শামীম।
আরেক দর্শণার্থী পাভেল মৃধা বলেন, মানুষ ইচ্ছে করলেই মানবিক-উদার আর জনবান্ধব হতে পারেন। বর্তমানে কেউ কাউকে ছাড় দেন না। সেখানে বাণিজ্যিক যুগে এসে নিজ খরচে ২০০ গাছের লিচু বিনা পয়সায় খাওয়ার জন্য উন্মুক্ত করা কম কথা নয়। নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

লিচু বাগানের মালিক কৃষিবিদ মোস্তফা জামাল শামীম বলেন, এই লিচু আবাদে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার করা হয়নি। বাগানে দেওয়া হয়নি কোনো জাল। মানুষের পাশাপাশি পশুপাখির জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে এই লিচু বাগান।
পাবনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ির উপপরিচালক কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এমন উদ্যোগ সচরাচর কোথাও দেখা যায় না। স্বাগত জানাই বাগান মালিককে এমন একটি ভাল কাজ করার জন্য। অনেক দরিদ্র মানুষ আছে, যাদের ইচ্ছে থাকলেও কেনার সামর্থ্য থাকে না। যাদের লিচু বাগান আছে, তারা যদি এমন উদারতা দেখান তাহলে সমাজের দরিদ্র মানুষ উপকৃত হবেন।

শামীমের লিচু বাগান সবার জন্য উন্মুক্ত
পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ১৮: ১৭

গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে লাল টসটসে লিচু। অবিশ্বাস্য হলেও, সত্যি। পাবনায় একটি লিচু বাগান রয়েছে, যেখানে যে যার ইচ্ছা মতো লিচু পেড়ে খেতে পারেন। আবার বাড়িতেও নিয়ে যেতে পারেন। তার জন্য কোনো টাকা পরিশোধ করতে হয় না।
লিচু বাগানটি গড়ে তুলেছেন পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার আলোকদিয়ার গ্রামের কৃষিবিদ মোস্তফা জামাল শামীম।বাগানটিতে কোনো ধরনের জাল বা বেড়া নেই এবং পাখিরাও নির্বিঘ্নে ফল খেতে পারে। এই উদার মানসিকতার জন্য বাগান মালিকের প্রশংসা করছেন অনেকে। তার ৮ বিঘার জমির উপর ২০০ এর অধিক লিচু গাছে রয়েছে। শুধু মানুষই নয়, এই বাগানের লিচু পশু-পাখির জন্যও উন্মুক্ত।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কৃষিবিদ মোস্তফা জামাল শামীম প্রায় দেড় যুগ আগে পৈত্রিক জমিতে এই লিচুর বাগান করেন। বাগানের গাছে থোকায় থোকায় নানা জাতের লিচু ঝুলছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের একপাশে বয়ে যাওয়া ইছামতি নদী। নদীর পাড়ের বিপরীতে খোলা মাঠ। নানা ফসলের সমারোহের মাঝেই এই লিচুর বাগান। সারিবদ্ধ গাছগুলো লিচুতে ছেঁয়ে গেছে। নানা শ্রেণি পেশার নারী-পুরুষ ও শিশুরা আসছেন বিনা পয়সার বাগানে লিচু খেতে। ইচ্ছে মতো লিচু খেয়ে পরিবারের জন্য নিয়েও যাচ্ছেন অনেকে। এ যেন বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এই কৃষি উদ্যোক্তা।
বাগান দেখতে আসা কলেজ শিক্ষক আরিফ আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, আমি বাগান দেখে মুগ্ধ। আসলে মানুষের জন্য কিছু করার সদিচ্ছা থাকলে অনেকভাবেই করা যায়। যার জলন্ত উদাহরণ কিমিয়া সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা জামাল শামীম।
আরেক দর্শণার্থী পাভেল মৃধা বলেন, মানুষ ইচ্ছে করলেই মানবিক-উদার আর জনবান্ধব হতে পারেন। বর্তমানে কেউ কাউকে ছাড় দেন না। সেখানে বাণিজ্যিক যুগে এসে নিজ খরচে ২০০ গাছের লিচু বিনা পয়সায় খাওয়ার জন্য উন্মুক্ত করা কম কথা নয়। নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

লিচু বাগানের মালিক কৃষিবিদ মোস্তফা জামাল শামীম বলেন, এই লিচু আবাদে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার করা হয়নি। বাগানে দেওয়া হয়নি কোনো জাল। মানুষের পাশাপাশি পশুপাখির জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে এই লিচু বাগান।
পাবনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ির উপপরিচালক কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এমন উদ্যোগ সচরাচর কোথাও দেখা যায় না। স্বাগত জানাই বাগান মালিককে এমন একটি ভাল কাজ করার জন্য। অনেক দরিদ্র মানুষ আছে, যাদের ইচ্ছে থাকলেও কেনার সামর্থ্য থাকে না। যাদের লিচু বাগান আছে, তারা যদি এমন উদারতা দেখান তাহলে সমাজের দরিদ্র মানুষ উপকৃত হবেন।
/এসআর/




