উঠানে দাদির মরদেহ, নাতনিকে ধর্ষণের পর হত্যা

উঠানে দাদির মরদেহ, নাতনিকে ধর্ষণের পর হত্যা
পাবনা সংবাদদাতা

পাবনার ঈশ্বরদী থেকে দাদি-নাতনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, কিশোরী নাতনিকে অপহরণে বাধা দেওয়ায় দাদিকে কুপিয়ে হত্যা এবং পরে নাতনিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান বিষয়টি জানিয়েছেন।
নিহতরা হলেন– ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নজিমুদ্দিনের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন ও তার নাতনি জামিলা আক্তার।
পুলিশ জানিয়েছে, দাদির মরদেহ বাড়ির উঠানে পড়েছিল। নাতনির মরদেহ পাওয়া গেছে বাড়ির পাশে সরিষা ক্ষেতে।
দাদা জয়নাল খাঁ জীবন জীবিকার তাগিদে ঢাকায় অবস্থান করেন। বাড়িতে দাদি ও নাতনি একসঙ্গে বসবাস করতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মধ্যরাতে হঠাৎ কান্নাকাটির আওয়াজ শুনে রাস্তায় বের হয় স্থানীয়রা। পরে কান্নার আওয়াজ থেমে গেলে তারা বাড়িতে চলে যান। সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। নাতনি জামিলাকে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বাড়ির পাশে সরিষার ক্ষেতে মরদেহ পাওয়া যায়৷
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মমিনুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে সকালে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মধ্যরাতে দুর্বৃত্তরা নাতনিকে তুলে নিয়ে যেতে চাইলে দাদি বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা বৃদ্ধাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। পরে কিশোরীকে পাশের সরিষা ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে রেখে যায়।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পাবনার ঈশ্বরদী থেকে দাদি-নাতনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, কিশোরী নাতনিকে অপহরণে বাধা দেওয়ায় দাদিকে কুপিয়ে হত্যা এবং পরে নাতনিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান বিষয়টি জানিয়েছেন।
নিহতরা হলেন– ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নজিমুদ্দিনের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন ও তার নাতনি জামিলা আক্তার।
পুলিশ জানিয়েছে, দাদির মরদেহ বাড়ির উঠানে পড়েছিল। নাতনির মরদেহ পাওয়া গেছে বাড়ির পাশে সরিষা ক্ষেতে।
দাদা জয়নাল খাঁ জীবন জীবিকার তাগিদে ঢাকায় অবস্থান করেন। বাড়িতে দাদি ও নাতনি একসঙ্গে বসবাস করতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মধ্যরাতে হঠাৎ কান্নাকাটির আওয়াজ শুনে রাস্তায় বের হয় স্থানীয়রা। পরে কান্নার আওয়াজ থেমে গেলে তারা বাড়িতে চলে যান। সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। নাতনি জামিলাকে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বাড়ির পাশে সরিষার ক্ষেতে মরদেহ পাওয়া যায়৷
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মমিনুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে সকালে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মধ্যরাতে দুর্বৃত্তরা নাতনিকে তুলে নিয়ে যেতে চাইলে দাদি বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা বৃদ্ধাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। পরে কিশোরীকে পাশের সরিষা ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে রেখে যায়।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

উঠানে দাদির মরদেহ, নাতনিকে ধর্ষণের পর হত্যা
পাবনা সংবাদদাতা

পাবনার ঈশ্বরদী থেকে দাদি-নাতনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, কিশোরী নাতনিকে অপহরণে বাধা দেওয়ায় দাদিকে কুপিয়ে হত্যা এবং পরে নাতনিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান বিষয়টি জানিয়েছেন।
নিহতরা হলেন– ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নজিমুদ্দিনের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন ও তার নাতনি জামিলা আক্তার।
পুলিশ জানিয়েছে, দাদির মরদেহ বাড়ির উঠানে পড়েছিল। নাতনির মরদেহ পাওয়া গেছে বাড়ির পাশে সরিষা ক্ষেতে।
দাদা জয়নাল খাঁ জীবন জীবিকার তাগিদে ঢাকায় অবস্থান করেন। বাড়িতে দাদি ও নাতনি একসঙ্গে বসবাস করতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মধ্যরাতে হঠাৎ কান্নাকাটির আওয়াজ শুনে রাস্তায় বের হয় স্থানীয়রা। পরে কান্নার আওয়াজ থেমে গেলে তারা বাড়িতে চলে যান। সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। নাতনি জামিলাকে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বাড়ির পাশে সরিষার ক্ষেতে মরদেহ পাওয়া যায়৷
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মমিনুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে সকালে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মধ্যরাতে দুর্বৃত্তরা নাতনিকে তুলে নিয়ে যেতে চাইলে দাদি বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা বৃদ্ধাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। পরে কিশোরীকে পাশের সরিষা ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে রেখে যায়।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।




