সন্তানের সামনে বাবাকে গুলি করে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

সন্তানের সামনে বাবাকে গুলি করে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩
পাবনা প্রতিনিধি

পাবনায় ছেলের সামনে বাবা হোসেন আলী ওরফে হোসেন ঠাকুরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যায় জড়িত সন্দেহে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
বুধবার (১০ জুন) ভোরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার ধর্মগ্রামের আকমল খাঁর ছেলে মতিয়ার রহমান, পুষ্পপাড়া গ্রামের মৃত আমিন প্রামানিকের ছেলে শরীফ প্রামানিক ও জাফরাবাদ গ্রামের সোহরাব মোল্লার ছেলে মনিরুল ইসলাম।
এর আগে মঙ্গলবার নিহত হোসেন আলীর স্ত্রী আফসানা খাতুন বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে পাবনা সদর থানায় মামলা করা হয়।
বুধবার দুপুরে পাবনার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ জানান, ভোরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল, অবিস্ফোরিত গুলি ও গুলির খোসা।
পুলিশ সুপার আরো জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে চরমপন্থী সংগঠন পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি এবং পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি লাল পতাকা এই দুইটি বাহিনীর আঞ্চলিক নেতা ও সদস্যদের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জেরে প্রায় এক মাস আগে হোসেন আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। তবে হত্যাকাণ্ডের বাইরে অন্য কোনো কারণ বা যোগসূত্র আছে কি-না সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি গুলি করা জাফরাবাদ পুরাতনপাড়া গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে মনিরুল ইসলাম ওরফে তোতা ও গোপলার ছেলে শাহীনকে বুধবার পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ৩ জন এজাহার নামীয় আসামি নন।
উল্লেখ্য, গত সোমবার সন্ধ্যায় পাবনা শহরের মাসুম বাজার এলাকায় জামেয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসায় ছেলে রোহানকে রাখতে গিয়েছিলেন পিতা হোসেন আলী। মাদ্রাসার গেটে পৌঁছামাত্র ছেলের সামনেই হোসেন আলীকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বুত্তরা

পাবনায় ছেলের সামনে বাবা হোসেন আলী ওরফে হোসেন ঠাকুরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যায় জড়িত সন্দেহে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
বুধবার (১০ জুন) ভোরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার ধর্মগ্রামের আকমল খাঁর ছেলে মতিয়ার রহমান, পুষ্পপাড়া গ্রামের মৃত আমিন প্রামানিকের ছেলে শরীফ প্রামানিক ও জাফরাবাদ গ্রামের সোহরাব মোল্লার ছেলে মনিরুল ইসলাম।
এর আগে মঙ্গলবার নিহত হোসেন আলীর স্ত্রী আফসানা খাতুন বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে পাবনা সদর থানায় মামলা করা হয়।
বুধবার দুপুরে পাবনার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ জানান, ভোরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল, অবিস্ফোরিত গুলি ও গুলির খোসা।
পুলিশ সুপার আরো জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে চরমপন্থী সংগঠন পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি এবং পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি লাল পতাকা এই দুইটি বাহিনীর আঞ্চলিক নেতা ও সদস্যদের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জেরে প্রায় এক মাস আগে হোসেন আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। তবে হত্যাকাণ্ডের বাইরে অন্য কোনো কারণ বা যোগসূত্র আছে কি-না সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি গুলি করা জাফরাবাদ পুরাতনপাড়া গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে মনিরুল ইসলাম ওরফে তোতা ও গোপলার ছেলে শাহীনকে বুধবার পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ৩ জন এজাহার নামীয় আসামি নন।
উল্লেখ্য, গত সোমবার সন্ধ্যায় পাবনা শহরের মাসুম বাজার এলাকায় জামেয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসায় ছেলে রোহানকে রাখতে গিয়েছিলেন পিতা হোসেন আলী। মাদ্রাসার গেটে পৌঁছামাত্র ছেলের সামনেই হোসেন আলীকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বুত্তরা

সন্তানের সামনে বাবাকে গুলি করে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩
পাবনা প্রতিনিধি

পাবনায় ছেলের সামনে বাবা হোসেন আলী ওরফে হোসেন ঠাকুরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যায় জড়িত সন্দেহে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
বুধবার (১০ জুন) ভোরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার ধর্মগ্রামের আকমল খাঁর ছেলে মতিয়ার রহমান, পুষ্পপাড়া গ্রামের মৃত আমিন প্রামানিকের ছেলে শরীফ প্রামানিক ও জাফরাবাদ গ্রামের সোহরাব মোল্লার ছেলে মনিরুল ইসলাম।
এর আগে মঙ্গলবার নিহত হোসেন আলীর স্ত্রী আফসানা খাতুন বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে পাবনা সদর থানায় মামলা করা হয়।
বুধবার দুপুরে পাবনার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ জানান, ভোরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল, অবিস্ফোরিত গুলি ও গুলির খোসা।
পুলিশ সুপার আরো জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে চরমপন্থী সংগঠন পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি এবং পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি লাল পতাকা এই দুইটি বাহিনীর আঞ্চলিক নেতা ও সদস্যদের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জেরে প্রায় এক মাস আগে হোসেন আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। তবে হত্যাকাণ্ডের বাইরে অন্য কোনো কারণ বা যোগসূত্র আছে কি-না সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি গুলি করা জাফরাবাদ পুরাতনপাড়া গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে মনিরুল ইসলাম ওরফে তোতা ও গোপলার ছেলে শাহীনকে বুধবার পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ৩ জন এজাহার নামীয় আসামি নন।
উল্লেখ্য, গত সোমবার সন্ধ্যায় পাবনা শহরের মাসুম বাজার এলাকায় জামেয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসায় ছেলে রোহানকে রাখতে গিয়েছিলেন পিতা হোসেন আলী। মাদ্রাসার গেটে পৌঁছামাত্র ছেলের সামনেই হোসেন আলীকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বুত্তরা




