মাধবদীর সেই কিশোরী হত্যার ঘটনায় বিএনপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫

মাধবদীর সেই কিশোরী হত্যার ঘটনায় বিএনপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫
নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীর মাধবদী উপজেলায় ‘ধর্ষণের ঘটনা চাপা দিতে’ সেই কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে ‘ছিনিয়ে নিয়ে হত্যার’ ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ মামলায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে মামলাটি করেন বলে জানিয়েছেন মাধবদী থানার ওসি মো. কামাল হোসেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন– মহিষাসুর ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান (৬৫), তার ছেলে ইমরান দেওয়ান (৩২) এবং মো. এবাদুল্লাহ (৩৫), ধর্ষক নূরার চাচাতো ভাই মোহাম্মদ আইয়ুব আলী (৩০) ও মো. গাফফার (৩৭)।
এদিন সকালে উপজেলার কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে ১৫ বছর বয়সি মেয়েটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মেয়েটিকে ১৫ দিন আগে ‘ধর্ষণ’ করা হয়েছিল বলে দাবি স্বজনদের। মেয়েটি তার মায়ের প্রথম পক্ষের সন্তান।
ওই কিশোরী মাধবদীর বিলপাড় এলাকায় পরিবারের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকত। তার সৎ বাবার বাড়ি বরিশালে।
মেয়েটির স্বজনদের অভিযোগ, ১৫ দিন আগে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় বখাটে নূরার নেতৃত্বে পাঁচ থেকে ছয়জনের একটি দল মেয়েটিকে তুলে নিয়ে ‘ধর্ষণ’ করে। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়।
ধর্ষণের ঘটনায় স্থানীয় মেম্বার ও ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান বিচার করার দায়িত্ব নেন। তবে অভিযোগ উঠেছে, তিনি অপরাধীদের সঙ্গে রফাদফা করে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং কোনো বিচার না করেই ঘটনাটি ধামাচাপা দেন। পাশাপাশি ধর্ষিতার পরিবারকে গ্রাম ছাড়তে চাপ দেওয়া হয়।
মেয়েটির সৎ বাবার ভাষ্য, বুধবার বিকালে মেয়েকে খালার বাড়িতে রাখতে যাচ্ছিলেন তিনি। পথে বড়ইতলা এলাকায় নূরার নেতৃত্বে পাঁচজন তার কাছ থেকে মেয়েকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। পরে স্বজনরা অনেকক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে বাড়ি ফিরে যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, এদিন সকালে একটি সরিষা ক্ষেতে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় মেয়েটির লাশ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন।

নরসিংদীর মাধবদী উপজেলায় ‘ধর্ষণের ঘটনা চাপা দিতে’ সেই কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে ‘ছিনিয়ে নিয়ে হত্যার’ ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ মামলায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে মামলাটি করেন বলে জানিয়েছেন মাধবদী থানার ওসি মো. কামাল হোসেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন– মহিষাসুর ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান (৬৫), তার ছেলে ইমরান দেওয়ান (৩২) এবং মো. এবাদুল্লাহ (৩৫), ধর্ষক নূরার চাচাতো ভাই মোহাম্মদ আইয়ুব আলী (৩০) ও মো. গাফফার (৩৭)।
এদিন সকালে উপজেলার কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে ১৫ বছর বয়সি মেয়েটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মেয়েটিকে ১৫ দিন আগে ‘ধর্ষণ’ করা হয়েছিল বলে দাবি স্বজনদের। মেয়েটি তার মায়ের প্রথম পক্ষের সন্তান।
ওই কিশোরী মাধবদীর বিলপাড় এলাকায় পরিবারের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকত। তার সৎ বাবার বাড়ি বরিশালে।
মেয়েটির স্বজনদের অভিযোগ, ১৫ দিন আগে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় বখাটে নূরার নেতৃত্বে পাঁচ থেকে ছয়জনের একটি দল মেয়েটিকে তুলে নিয়ে ‘ধর্ষণ’ করে। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়।
ধর্ষণের ঘটনায় স্থানীয় মেম্বার ও ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান বিচার করার দায়িত্ব নেন। তবে অভিযোগ উঠেছে, তিনি অপরাধীদের সঙ্গে রফাদফা করে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং কোনো বিচার না করেই ঘটনাটি ধামাচাপা দেন। পাশাপাশি ধর্ষিতার পরিবারকে গ্রাম ছাড়তে চাপ দেওয়া হয়।
মেয়েটির সৎ বাবার ভাষ্য, বুধবার বিকালে মেয়েকে খালার বাড়িতে রাখতে যাচ্ছিলেন তিনি। পথে বড়ইতলা এলাকায় নূরার নেতৃত্বে পাঁচজন তার কাছ থেকে মেয়েকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। পরে স্বজনরা অনেকক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে বাড়ি ফিরে যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, এদিন সকালে একটি সরিষা ক্ষেতে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় মেয়েটির লাশ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন।

মাধবদীর সেই কিশোরী হত্যার ঘটনায় বিএনপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫
নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীর মাধবদী উপজেলায় ‘ধর্ষণের ঘটনা চাপা দিতে’ সেই কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে ‘ছিনিয়ে নিয়ে হত্যার’ ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ মামলায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে মামলাটি করেন বলে জানিয়েছেন মাধবদী থানার ওসি মো. কামাল হোসেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন– মহিষাসুর ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান (৬৫), তার ছেলে ইমরান দেওয়ান (৩২) এবং মো. এবাদুল্লাহ (৩৫), ধর্ষক নূরার চাচাতো ভাই মোহাম্মদ আইয়ুব আলী (৩০) ও মো. গাফফার (৩৭)।
এদিন সকালে উপজেলার কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে ১৫ বছর বয়সি মেয়েটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মেয়েটিকে ১৫ দিন আগে ‘ধর্ষণ’ করা হয়েছিল বলে দাবি স্বজনদের। মেয়েটি তার মায়ের প্রথম পক্ষের সন্তান।
ওই কিশোরী মাধবদীর বিলপাড় এলাকায় পরিবারের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকত। তার সৎ বাবার বাড়ি বরিশালে।
মেয়েটির স্বজনদের অভিযোগ, ১৫ দিন আগে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় বখাটে নূরার নেতৃত্বে পাঁচ থেকে ছয়জনের একটি দল মেয়েটিকে তুলে নিয়ে ‘ধর্ষণ’ করে। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়।
ধর্ষণের ঘটনায় স্থানীয় মেম্বার ও ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান বিচার করার দায়িত্ব নেন। তবে অভিযোগ উঠেছে, তিনি অপরাধীদের সঙ্গে রফাদফা করে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং কোনো বিচার না করেই ঘটনাটি ধামাচাপা দেন। পাশাপাশি ধর্ষিতার পরিবারকে গ্রাম ছাড়তে চাপ দেওয়া হয়।
মেয়েটির সৎ বাবার ভাষ্য, বুধবার বিকালে মেয়েকে খালার বাড়িতে রাখতে যাচ্ছিলেন তিনি। পথে বড়ইতলা এলাকায় নূরার নেতৃত্বে পাঁচজন তার কাছ থেকে মেয়েকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। পরে স্বজনরা অনেকক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে বাড়ি ফিরে যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, এদিন সকালে একটি সরিষা ক্ষেতে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় মেয়েটির লাশ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন।




