ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর

ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর
মনোহরদী ও বেলাবো (নরসিংদী) প্রতিনিধি

নরসিংদীর মনোহরদীতে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে একটি বেসরকারি হাসপাতাল ভাঙচুর করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে পৌর শহরের বাইপাস সড়কে মনোহরদী ল্যাবএইড আই এন্ড জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে হাসপাতালটি সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করেন।
মারা যাওয়া ওই রোগীর নাম আকলিমা বেগম। তিনি মনোহরদী উপজেলার বড়চাপা ইউনিয়ন বীর মাইজদিয়া এলাকার কবির হোসেনের স্ত্রী।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে নরসিংদী জেলা সিভিল সার্জন ডা. বুলবুল কবির, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাশেদুল হাসান মাহমুদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজিব মিয়াসহ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন।
রোগীর স্বজন ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকালে পিত্তথলির অস্ত্রোপচার করার জন্য মনোহরদী ল্যাবএইড আই এন্ড জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন আকলিমা বেগম। পরদিন শুক্রবার সকাল ১১টায় হাসপাতালের চিকিৎসক রাহাত বিন কাশেম তার অস্ত্রোপচার করেন। পরবর্তীতে রোগীর অবস্থা অবনতি ঘটতে থাকলে বিকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। প্রথমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ওই দিনই পপুলার প্রাইভেট হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করানো হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাত ২টায় মারা যান।
রোগীর মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে রোগীর স্বজনরা মনোহরদীর ল্যাবএইড আই এন্ড জেনারেল হাসপাতালে যান। ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ এনে তারা এবং বিক্ষুব্ধ লোকজন হাসপাতালের ভাঙচুর চালান। তারা চিকিৎসকের বিচার দাবি করে হাসপাতাল বন্ধের দাবি জানান।
পরে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা পুলিশ সদস্য নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং হাসপাতালটি সাময়িক বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেন।
মৃত আকলিমা বেগমের ভাই নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমরা ঢাকায় রোগীর চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। হাসপাতালে কে বা কারা ভাঙচুর করেছে, এ বিষয়ে আমাদের জানা নেই।'
এ সম্পর্কে হাসপাতালের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে যিনি অপারেশন করেছেন তিনি অভিজ্ঞ সার্জারী চিকিৎসক। অপারেশন ঠিক মতোই হয়েছে। পরে তার আইসিইউ দরকার হওয়ায় ঢাকায় পাঠানো হয়। আমাদের হাসপাতালের চিকিৎসকের চেম্বার, রিসেপশন, ল্যাবসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশে ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে।’
এ ঘটনায় মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, 'হাসপাতাল ভাঙচুরের ঘটনার সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
মনোহরদী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সজিব মিয়া বলেন, ' ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে রাতেই হাসপাতালটি সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের অন্য হাসপাতালে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।'
নরসিংদী জেলা সিভিল সার্জন ডা. বুলবুল কবির বলেন, 'রোগীর মৃত্যু ও হাসপাতাল ভাঙচুরের ঘটনায় শনিবার দুপুরে ওই হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় জেলা হাসপাতালের সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হাসিবকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদেরকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।'

নরসিংদীর মনোহরদীতে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে একটি বেসরকারি হাসপাতাল ভাঙচুর করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে পৌর শহরের বাইপাস সড়কে মনোহরদী ল্যাবএইড আই এন্ড জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে হাসপাতালটি সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করেন।
মারা যাওয়া ওই রোগীর নাম আকলিমা বেগম। তিনি মনোহরদী উপজেলার বড়চাপা ইউনিয়ন বীর মাইজদিয়া এলাকার কবির হোসেনের স্ত্রী।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে নরসিংদী জেলা সিভিল সার্জন ডা. বুলবুল কবির, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাশেদুল হাসান মাহমুদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজিব মিয়াসহ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন।
রোগীর স্বজন ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকালে পিত্তথলির অস্ত্রোপচার করার জন্য মনোহরদী ল্যাবএইড আই এন্ড জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন আকলিমা বেগম। পরদিন শুক্রবার সকাল ১১টায় হাসপাতালের চিকিৎসক রাহাত বিন কাশেম তার অস্ত্রোপচার করেন। পরবর্তীতে রোগীর অবস্থা অবনতি ঘটতে থাকলে বিকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। প্রথমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ওই দিনই পপুলার প্রাইভেট হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করানো হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাত ২টায় মারা যান।
রোগীর মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে রোগীর স্বজনরা মনোহরদীর ল্যাবএইড আই এন্ড জেনারেল হাসপাতালে যান। ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ এনে তারা এবং বিক্ষুব্ধ লোকজন হাসপাতালের ভাঙচুর চালান। তারা চিকিৎসকের বিচার দাবি করে হাসপাতাল বন্ধের দাবি জানান।
পরে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা পুলিশ সদস্য নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং হাসপাতালটি সাময়িক বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেন।
মৃত আকলিমা বেগমের ভাই নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমরা ঢাকায় রোগীর চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। হাসপাতালে কে বা কারা ভাঙচুর করেছে, এ বিষয়ে আমাদের জানা নেই।'
এ সম্পর্কে হাসপাতালের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে যিনি অপারেশন করেছেন তিনি অভিজ্ঞ সার্জারী চিকিৎসক। অপারেশন ঠিক মতোই হয়েছে। পরে তার আইসিইউ দরকার হওয়ায় ঢাকায় পাঠানো হয়। আমাদের হাসপাতালের চিকিৎসকের চেম্বার, রিসেপশন, ল্যাবসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশে ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে।’
এ ঘটনায় মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, 'হাসপাতাল ভাঙচুরের ঘটনার সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
মনোহরদী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সজিব মিয়া বলেন, ' ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে রাতেই হাসপাতালটি সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের অন্য হাসপাতালে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।'
নরসিংদী জেলা সিভিল সার্জন ডা. বুলবুল কবির বলেন, 'রোগীর মৃত্যু ও হাসপাতাল ভাঙচুরের ঘটনায় শনিবার দুপুরে ওই হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় জেলা হাসপাতালের সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হাসিবকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদেরকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।'

ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর
মনোহরদী ও বেলাবো (নরসিংদী) প্রতিনিধি

নরসিংদীর মনোহরদীতে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে একটি বেসরকারি হাসপাতাল ভাঙচুর করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে পৌর শহরের বাইপাস সড়কে মনোহরদী ল্যাবএইড আই এন্ড জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে হাসপাতালটি সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করেন।
মারা যাওয়া ওই রোগীর নাম আকলিমা বেগম। তিনি মনোহরদী উপজেলার বড়চাপা ইউনিয়ন বীর মাইজদিয়া এলাকার কবির হোসেনের স্ত্রী।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে নরসিংদী জেলা সিভিল সার্জন ডা. বুলবুল কবির, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাশেদুল হাসান মাহমুদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজিব মিয়াসহ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন।
রোগীর স্বজন ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকালে পিত্তথলির অস্ত্রোপচার করার জন্য মনোহরদী ল্যাবএইড আই এন্ড জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন আকলিমা বেগম। পরদিন শুক্রবার সকাল ১১টায় হাসপাতালের চিকিৎসক রাহাত বিন কাশেম তার অস্ত্রোপচার করেন। পরবর্তীতে রোগীর অবস্থা অবনতি ঘটতে থাকলে বিকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। প্রথমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ওই দিনই পপুলার প্রাইভেট হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করানো হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাত ২টায় মারা যান।
রোগীর মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে রোগীর স্বজনরা মনোহরদীর ল্যাবএইড আই এন্ড জেনারেল হাসপাতালে যান। ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ এনে তারা এবং বিক্ষুব্ধ লোকজন হাসপাতালের ভাঙচুর চালান। তারা চিকিৎসকের বিচার দাবি করে হাসপাতাল বন্ধের দাবি জানান।
পরে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা পুলিশ সদস্য নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং হাসপাতালটি সাময়িক বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেন।
মৃত আকলিমা বেগমের ভাই নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমরা ঢাকায় রোগীর চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। হাসপাতালে কে বা কারা ভাঙচুর করেছে, এ বিষয়ে আমাদের জানা নেই।'
এ সম্পর্কে হাসপাতালের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে যিনি অপারেশন করেছেন তিনি অভিজ্ঞ সার্জারী চিকিৎসক। অপারেশন ঠিক মতোই হয়েছে। পরে তার আইসিইউ দরকার হওয়ায় ঢাকায় পাঠানো হয়। আমাদের হাসপাতালের চিকিৎসকের চেম্বার, রিসেপশন, ল্যাবসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশে ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে।’
এ ঘটনায় মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, 'হাসপাতাল ভাঙচুরের ঘটনার সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
মনোহরদী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সজিব মিয়া বলেন, ' ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে রাতেই হাসপাতালটি সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের অন্য হাসপাতালে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।'
নরসিংদী জেলা সিভিল সার্জন ডা. বুলবুল কবির বলেন, 'রোগীর মৃত্যু ও হাসপাতাল ভাঙচুরের ঘটনায় শনিবার দুপুরে ওই হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় জেলা হাসপাতালের সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হাসিবকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদেরকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।'









