ফেলানীর আত্মত্যাগ আমরা যেন ভুলে না যাই: ডাকসু এজিএস

ফেলানীর আত্মত্যাগ আমরা যেন ভুলে না যাই: ডাকসু এজিএস
ঢাবি সংবাদদাতা

সীমান্তে হত্যার শিকার কিশোরী ফেলানী খাতুনকে উদ্দেশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে আয়োজিত খোলা চিঠি লিখন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২২ আগস্ট) বিকাল ৫টায় ডাকসুর কনফারেন্স রুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খান বলেন, ‘২০১১ সালের ফেলানী হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে দেশের সার্বভৌমত্ব ও পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে সচেতন হওয়ার পর এ ঘটনার গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে।
তিনি বলেন, ফেলানীর মৃত্যুর পরও একজন নাগরিক হিসেবে তার বিচার পাওয়ার অধিকার ছিল। কিন্তু তার হত্যার বিচারের জন্য তৎকালীন সরকার কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। সীমান্ত হত্যা কোনটি বা কোনটি নয়-এ নিয়ে বিতর্ক না করে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে ফেলানীর প্রতি যে অন্যায় হয়েছে, তার বিচার নিশ্চিত করাই গুরুত্বপূর্ণ।
আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ফেলানীর ঘটনাকে স্মরণে রাখা প্রয়োজন মন্তব্য করে মহিউদ্দিন খান বলেন, ফেলানীর আত্মত্যাগ আমরা ধীরে ধীরে ভুলে যেতে শুরু করেছিলাম। আমরা চাই, তার এই আত্মত্যাগ কোনোভাবেই যেন ভুলে না যাই। আমি আশা করি, ফেলানীর স্মৃতি ধরে রাখতে ডাকসুর এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ফেলানী হত্যার ঘটনাটি ভারতীয় আধিপত্যবাদের প্রতীক বলে মন্তব্য করে ডাকসুর সাহিত্য সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ১১ বছর বয়সী ফেলানীকে সীমান্তে হত্যার পর তার মরদেহ কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখার ঘটনা দেশের মানুষের মনে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত তৈরি করেছে। পাশাপাশি ফেলানীর পরিবার হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ার জন্য তৎকালীন সরকারের রাজনৈতিক অবস্থানকে দায়ী করেছিল।
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নয়ন, সীমান্ত নদীগুলোর ন্যায্য হিস্যা এবং বিগত সময়ের বিভিন্ন চুক্তি পুনর্বিবেচনার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। তাই সীমান্ত হত্যার মতো ঘটনায় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আরও দৃঢ় অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন।
ফেলানী হত্যার বিচার প্রসঙ্গে মোসাদ্দেক বলেন, প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালতে গিয়েও প্রতিটি সীমান্ত হত্যার বিচার নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
এ সময় ফেলানীকে নিয়ে একটি স্মারকগ্রন্থ ও সাক্ষাৎকারভিত্তিক সংকলন প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান মোসাদ্দেক আলী।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের অভিনন্দন জানানো হয় এবং বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, ডাকসুর সাহিত্য সম্পাদক মোসাদ্দেক ইবনে আলী এবং কবি সুফিয়া কামাল হল সংসদের সাহিত্য সম্পাদক সানজিদা আক্তারের সহযোগিতায় গত জানুয়ারি মাসে ‘খোলা চিঠি লিখন’ প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করা হয়েছিল।

সীমান্তে হত্যার শিকার কিশোরী ফেলানী খাতুনকে উদ্দেশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে আয়োজিত খোলা চিঠি লিখন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২২ আগস্ট) বিকাল ৫টায় ডাকসুর কনফারেন্স রুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খান বলেন, ‘২০১১ সালের ফেলানী হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে দেশের সার্বভৌমত্ব ও পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে সচেতন হওয়ার পর এ ঘটনার গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে।
তিনি বলেন, ফেলানীর মৃত্যুর পরও একজন নাগরিক হিসেবে তার বিচার পাওয়ার অধিকার ছিল। কিন্তু তার হত্যার বিচারের জন্য তৎকালীন সরকার কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। সীমান্ত হত্যা কোনটি বা কোনটি নয়-এ নিয়ে বিতর্ক না করে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে ফেলানীর প্রতি যে অন্যায় হয়েছে, তার বিচার নিশ্চিত করাই গুরুত্বপূর্ণ।
আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ফেলানীর ঘটনাকে স্মরণে রাখা প্রয়োজন মন্তব্য করে মহিউদ্দিন খান বলেন, ফেলানীর আত্মত্যাগ আমরা ধীরে ধীরে ভুলে যেতে শুরু করেছিলাম। আমরা চাই, তার এই আত্মত্যাগ কোনোভাবেই যেন ভুলে না যাই। আমি আশা করি, ফেলানীর স্মৃতি ধরে রাখতে ডাকসুর এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ফেলানী হত্যার ঘটনাটি ভারতীয় আধিপত্যবাদের প্রতীক বলে মন্তব্য করে ডাকসুর সাহিত্য সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ১১ বছর বয়সী ফেলানীকে সীমান্তে হত্যার পর তার মরদেহ কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখার ঘটনা দেশের মানুষের মনে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত তৈরি করেছে। পাশাপাশি ফেলানীর পরিবার হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ার জন্য তৎকালীন সরকারের রাজনৈতিক অবস্থানকে দায়ী করেছিল।
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নয়ন, সীমান্ত নদীগুলোর ন্যায্য হিস্যা এবং বিগত সময়ের বিভিন্ন চুক্তি পুনর্বিবেচনার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। তাই সীমান্ত হত্যার মতো ঘটনায় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আরও দৃঢ় অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন।
ফেলানী হত্যার বিচার প্রসঙ্গে মোসাদ্দেক বলেন, প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালতে গিয়েও প্রতিটি সীমান্ত হত্যার বিচার নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
এ সময় ফেলানীকে নিয়ে একটি স্মারকগ্রন্থ ও সাক্ষাৎকারভিত্তিক সংকলন প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান মোসাদ্দেক আলী।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের অভিনন্দন জানানো হয় এবং বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, ডাকসুর সাহিত্য সম্পাদক মোসাদ্দেক ইবনে আলী এবং কবি সুফিয়া কামাল হল সংসদের সাহিত্য সম্পাদক সানজিদা আক্তারের সহযোগিতায় গত জানুয়ারি মাসে ‘খোলা চিঠি লিখন’ প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করা হয়েছিল।

ফেলানীর আত্মত্যাগ আমরা যেন ভুলে না যাই: ডাকসু এজিএস
ঢাবি সংবাদদাতা

সীমান্তে হত্যার শিকার কিশোরী ফেলানী খাতুনকে উদ্দেশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে আয়োজিত খোলা চিঠি লিখন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২২ আগস্ট) বিকাল ৫টায় ডাকসুর কনফারেন্স রুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খান বলেন, ‘২০১১ সালের ফেলানী হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে দেশের সার্বভৌমত্ব ও পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে সচেতন হওয়ার পর এ ঘটনার গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে।
তিনি বলেন, ফেলানীর মৃত্যুর পরও একজন নাগরিক হিসেবে তার বিচার পাওয়ার অধিকার ছিল। কিন্তু তার হত্যার বিচারের জন্য তৎকালীন সরকার কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। সীমান্ত হত্যা কোনটি বা কোনটি নয়-এ নিয়ে বিতর্ক না করে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে ফেলানীর প্রতি যে অন্যায় হয়েছে, তার বিচার নিশ্চিত করাই গুরুত্বপূর্ণ।
আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ফেলানীর ঘটনাকে স্মরণে রাখা প্রয়োজন মন্তব্য করে মহিউদ্দিন খান বলেন, ফেলানীর আত্মত্যাগ আমরা ধীরে ধীরে ভুলে যেতে শুরু করেছিলাম। আমরা চাই, তার এই আত্মত্যাগ কোনোভাবেই যেন ভুলে না যাই। আমি আশা করি, ফেলানীর স্মৃতি ধরে রাখতে ডাকসুর এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ফেলানী হত্যার ঘটনাটি ভারতীয় আধিপত্যবাদের প্রতীক বলে মন্তব্য করে ডাকসুর সাহিত্য সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ১১ বছর বয়সী ফেলানীকে সীমান্তে হত্যার পর তার মরদেহ কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখার ঘটনা দেশের মানুষের মনে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত তৈরি করেছে। পাশাপাশি ফেলানীর পরিবার হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ার জন্য তৎকালীন সরকারের রাজনৈতিক অবস্থানকে দায়ী করেছিল।
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নয়ন, সীমান্ত নদীগুলোর ন্যায্য হিস্যা এবং বিগত সময়ের বিভিন্ন চুক্তি পুনর্বিবেচনার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। তাই সীমান্ত হত্যার মতো ঘটনায় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আরও দৃঢ় অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন।
ফেলানী হত্যার বিচার প্রসঙ্গে মোসাদ্দেক বলেন, প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালতে গিয়েও প্রতিটি সীমান্ত হত্যার বিচার নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
এ সময় ফেলানীকে নিয়ে একটি স্মারকগ্রন্থ ও সাক্ষাৎকারভিত্তিক সংকলন প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান মোসাদ্দেক আলী।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের অভিনন্দন জানানো হয় এবং বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, ডাকসুর সাহিত্য সম্পাদক মোসাদ্দেক ইবনে আলী এবং কবি সুফিয়া কামাল হল সংসদের সাহিত্য সম্পাদক সানজিদা আক্তারের সহযোগিতায় গত জানুয়ারি মাসে ‘খোলা চিঠি লিখন’ প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করা হয়েছিল।

জাতীয় নির্বাচনের দ্বিতীয় টিজারে ফেলানীর বাবার ক্ষোভ







