পুকুরে কাস্টমস কর্মীর ১৫ টুকরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

পুকুরে কাস্টমস কর্মীর ১৫ টুকরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২
সিজেডএন ডেস্ক

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় কাস্টমস কর্মী আবু রায়হান তালুকদার (৪০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যার এক মাসের বেশি সময় পর বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নিহত রায়হান তালুকদারের বাড়ির কেয়ারটেকার রাজু মির্জা (১৯) এবং তার বন্ধু সোহেল মির্জা ওরফে জিতুল (২০)। তাদের দুজনের বাড়িই ফুলবাড়িয়া উপজেলার অনন্তপুর গ্রামে।
পুলিশের দাবি, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে শ্রীমঙ্গলে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, চাপাতি, লোহার রড, কাঠের গুঁড়ি এবং রক্তমাখা বালিশের কাভার উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত আবু রায়হান তালুকদার ঢাকার কমলাপুরে কাস্টমসের নিরাপত্তা শাখায় সিপাহি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের সোয়াইতপুর গ্রামের মৃত ছিদ্দিক তালুকদারের ছেলে।
গত ২ আগস্ট বিকেলে নিখোঁজের নয় দিন পর রায়হানের বাড়ির পেছনের একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে তিনটি ট্রাভেল ব্যাগ ও চাদরে মোড়ানো অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি ১৫ টুকরা করা হয়েছিল।
এ ঘটনায় ৪ আগস্ট রায়হানের বড় ভাই নুরুল ইসলাম ফুলবাড়িয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, টাকা ও সম্পত্তি ভোগদখলের উদ্দেশ্যে কেয়ারটেকার রাজু মির্জা, তার বন্ধু সোহেল মির্জা ওরফে জিতুল এবং অজ্ঞাতনামা কয়েকজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে রায়হানকে হত্যা করেন। পরে হত্যার আলামত নষ্ট ও মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে সেটি ডোবায় ফেলে রাখা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ফুলবাড়িয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শুভ্র সাহা জানান, হত্যাকাণ্ডের পর রাজু ও সোহেল এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। নিজেদের ব্যবহৃত মুঠোফোন ভেঙে আগুনে পুড়িয়ে ফেলায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ সময় তারা কারও সঙ্গে যোগাযোগও করছিলেন না।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ৩ আগস্ট ওই দুই যুবক সিলেটের একটি হোটেলে এক রাত অবস্থান করেছিলেন বলে পুলিশ সোর্সের মাধ্যমে তথ্য পায়। পরে হোটেলটির সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তাদের গতিবিধি অনুসরণ করা হয়। সেই ফুটেজের সূত্র ধরে পুলিশ তাদের পরবর্তী অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করে।
একপর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে, রাজু ও সোহেল মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশনের আশপাশে অবস্থান করছেন। বুধবার ভোরে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার বাদী ও নিহত রায়হানের বড় ভাই নুরুল ইসলাম বলেন, তার ভাইয়ের টাকা ও সম্পত্তির প্রতি লোভ থেকেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তার দাবি, রায়হান মানুষকে বিভিন্ন সময় অনেক টাকা দান করতেন। তিনি ভালো আয় করতেন। সেই অর্থ নিজেদের ভোগ করার উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হত্যাকাণ্ডের পুরো ঘটনা, এর পেছনের কারণ এবং অন্য কেউ জড়িত কি না, তা জানার চেষ্টা চলছে। উদ্ধার করা আলামতও তদন্তের অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হবে।

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় কাস্টমস কর্মী আবু রায়হান তালুকদার (৪০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যার এক মাসের বেশি সময় পর বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নিহত রায়হান তালুকদারের বাড়ির কেয়ারটেকার রাজু মির্জা (১৯) এবং তার বন্ধু সোহেল মির্জা ওরফে জিতুল (২০)। তাদের দুজনের বাড়িই ফুলবাড়িয়া উপজেলার অনন্তপুর গ্রামে।
পুলিশের দাবি, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে শ্রীমঙ্গলে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, চাপাতি, লোহার রড, কাঠের গুঁড়ি এবং রক্তমাখা বালিশের কাভার উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত আবু রায়হান তালুকদার ঢাকার কমলাপুরে কাস্টমসের নিরাপত্তা শাখায় সিপাহি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের সোয়াইতপুর গ্রামের মৃত ছিদ্দিক তালুকদারের ছেলে।
গত ২ আগস্ট বিকেলে নিখোঁজের নয় দিন পর রায়হানের বাড়ির পেছনের একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে তিনটি ট্রাভেল ব্যাগ ও চাদরে মোড়ানো অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি ১৫ টুকরা করা হয়েছিল।
এ ঘটনায় ৪ আগস্ট রায়হানের বড় ভাই নুরুল ইসলাম ফুলবাড়িয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, টাকা ও সম্পত্তি ভোগদখলের উদ্দেশ্যে কেয়ারটেকার রাজু মির্জা, তার বন্ধু সোহেল মির্জা ওরফে জিতুল এবং অজ্ঞাতনামা কয়েকজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে রায়হানকে হত্যা করেন। পরে হত্যার আলামত নষ্ট ও মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে সেটি ডোবায় ফেলে রাখা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ফুলবাড়িয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শুভ্র সাহা জানান, হত্যাকাণ্ডের পর রাজু ও সোহেল এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। নিজেদের ব্যবহৃত মুঠোফোন ভেঙে আগুনে পুড়িয়ে ফেলায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ সময় তারা কারও সঙ্গে যোগাযোগও করছিলেন না।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ৩ আগস্ট ওই দুই যুবক সিলেটের একটি হোটেলে এক রাত অবস্থান করেছিলেন বলে পুলিশ সোর্সের মাধ্যমে তথ্য পায়। পরে হোটেলটির সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তাদের গতিবিধি অনুসরণ করা হয়। সেই ফুটেজের সূত্র ধরে পুলিশ তাদের পরবর্তী অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করে।
একপর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে, রাজু ও সোহেল মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশনের আশপাশে অবস্থান করছেন। বুধবার ভোরে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার বাদী ও নিহত রায়হানের বড় ভাই নুরুল ইসলাম বলেন, তার ভাইয়ের টাকা ও সম্পত্তির প্রতি লোভ থেকেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তার দাবি, রায়হান মানুষকে বিভিন্ন সময় অনেক টাকা দান করতেন। তিনি ভালো আয় করতেন। সেই অর্থ নিজেদের ভোগ করার উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হত্যাকাণ্ডের পুরো ঘটনা, এর পেছনের কারণ এবং অন্য কেউ জড়িত কি না, তা জানার চেষ্টা চলছে। উদ্ধার করা আলামতও তদন্তের অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হবে।

পুকুরে কাস্টমস কর্মীর ১৫ টুকরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২
সিজেডএন ডেস্ক

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় কাস্টমস কর্মী আবু রায়হান তালুকদার (৪০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যার এক মাসের বেশি সময় পর বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নিহত রায়হান তালুকদারের বাড়ির কেয়ারটেকার রাজু মির্জা (১৯) এবং তার বন্ধু সোহেল মির্জা ওরফে জিতুল (২০)। তাদের দুজনের বাড়িই ফুলবাড়িয়া উপজেলার অনন্তপুর গ্রামে।
পুলিশের দাবি, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে শ্রীমঙ্গলে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, চাপাতি, লোহার রড, কাঠের গুঁড়ি এবং রক্তমাখা বালিশের কাভার উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত আবু রায়হান তালুকদার ঢাকার কমলাপুরে কাস্টমসের নিরাপত্তা শাখায় সিপাহি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের সোয়াইতপুর গ্রামের মৃত ছিদ্দিক তালুকদারের ছেলে।
গত ২ আগস্ট বিকেলে নিখোঁজের নয় দিন পর রায়হানের বাড়ির পেছনের একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে তিনটি ট্রাভেল ব্যাগ ও চাদরে মোড়ানো অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি ১৫ টুকরা করা হয়েছিল।
এ ঘটনায় ৪ আগস্ট রায়হানের বড় ভাই নুরুল ইসলাম ফুলবাড়িয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, টাকা ও সম্পত্তি ভোগদখলের উদ্দেশ্যে কেয়ারটেকার রাজু মির্জা, তার বন্ধু সোহেল মির্জা ওরফে জিতুল এবং অজ্ঞাতনামা কয়েকজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে রায়হানকে হত্যা করেন। পরে হত্যার আলামত নষ্ট ও মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে সেটি ডোবায় ফেলে রাখা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ফুলবাড়িয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শুভ্র সাহা জানান, হত্যাকাণ্ডের পর রাজু ও সোহেল এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। নিজেদের ব্যবহৃত মুঠোফোন ভেঙে আগুনে পুড়িয়ে ফেলায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ সময় তারা কারও সঙ্গে যোগাযোগও করছিলেন না।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ৩ আগস্ট ওই দুই যুবক সিলেটের একটি হোটেলে এক রাত অবস্থান করেছিলেন বলে পুলিশ সোর্সের মাধ্যমে তথ্য পায়। পরে হোটেলটির সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তাদের গতিবিধি অনুসরণ করা হয়। সেই ফুটেজের সূত্র ধরে পুলিশ তাদের পরবর্তী অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করে।
একপর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে, রাজু ও সোহেল মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশনের আশপাশে অবস্থান করছেন। বুধবার ভোরে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার বাদী ও নিহত রায়হানের বড় ভাই নুরুল ইসলাম বলেন, তার ভাইয়ের টাকা ও সম্পত্তির প্রতি লোভ থেকেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তার দাবি, রায়হান মানুষকে বিভিন্ন সময় অনেক টাকা দান করতেন। তিনি ভালো আয় করতেন। সেই অর্থ নিজেদের ভোগ করার উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হত্যাকাণ্ডের পুরো ঘটনা, এর পেছনের কারণ এবং অন্য কেউ জড়িত কি না, তা জানার চেষ্টা চলছে। উদ্ধার করা আলামতও তদন্তের অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হবে।









