তরুণীর হাত বিচ্ছিন্ন করলো যুবক, আহত বাবা-মা

তরুণীর হাত বিচ্ছিন্ন করলো যুবক, আহত বাবা-মা
মেহেরপুর সংবাদদাতা

মেহেরপুর শহরে গভীর রাতে এক তরুণীর ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ডান হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ সময় কুপিয়ে জখম করা হয়েছে তার মা-বাবাকেও।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিনগত রাত ২টার দিকে মেহেরপুর শহরের একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আহত তরুণী ওই এলাকার ব্যবসায়ী সেলিম হোসেনের মেয়ে। অন্যদিকে অভিযুক্ত সায়ন শহরের মল্লিকপাড়ার হোটেল ব্যবসায়ী আবু তালেবের ছেলে।
আহতদের প্রথমে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
তরুণীর বাবা সেলিম হোসেন জানান, তার মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী। পথে বের হলে সায়ন তাকে প্রায়ই বিরক্ত করতেন। বিষয়টি মেয়ে তাকে জানালে তিনি সায়নের বাবার কাছে অভিযোগ করেন। এরপরও সায়ন তার মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি করাতে হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার দিনগত রাত ২টার দিকে বাড়ির প্রাচীর টপকে আমার মেয়ের ঘরে ঢোকে সায়ন। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তার ডান হাত বিচ্ছিন্ন করে। আমাদেরকেও কুপিয়ে পালিয়ে যায়।
মেয়েটির মা রেবেকা খাতুন বলেন, মেয়ের চিৎকারে এগিয়ে গিয়ে দেখি দা'য়ের কোপে তার ডান হাত বিছিন্ন হয়ে মেঝেতে পড়ে আছে। মেয়ে ঘরের মেঝেতে কাতরাচ্ছে।
স্থানীয় প্রতিবেশী বরকত উল্লাহ তরু জানান, গভীর রাতে চিৎকার শুনে এগিয়ে গেলে ওই বাড়ি থেকে এক যুবককে পালিয়ে যেতে দেখেন তারা। পরে ঘরে গিয়ে ওই তরুণীকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। তার বিচ্ছিন্ন হাতটি মেঝেতে পড়ে ছিল। পাশেই পড়ে ছিল রক্তমাখা ধারালো দা।
মেহেরপুর সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। হামলায় ব্যবহৃত দা উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।

মেহেরপুর শহরে গভীর রাতে এক তরুণীর ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ডান হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ সময় কুপিয়ে জখম করা হয়েছে তার মা-বাবাকেও।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিনগত রাত ২টার দিকে মেহেরপুর শহরের একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আহত তরুণী ওই এলাকার ব্যবসায়ী সেলিম হোসেনের মেয়ে। অন্যদিকে অভিযুক্ত সায়ন শহরের মল্লিকপাড়ার হোটেল ব্যবসায়ী আবু তালেবের ছেলে।
আহতদের প্রথমে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
তরুণীর বাবা সেলিম হোসেন জানান, তার মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী। পথে বের হলে সায়ন তাকে প্রায়ই বিরক্ত করতেন। বিষয়টি মেয়ে তাকে জানালে তিনি সায়নের বাবার কাছে অভিযোগ করেন। এরপরও সায়ন তার মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি করাতে হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার দিনগত রাত ২টার দিকে বাড়ির প্রাচীর টপকে আমার মেয়ের ঘরে ঢোকে সায়ন। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তার ডান হাত বিচ্ছিন্ন করে। আমাদেরকেও কুপিয়ে পালিয়ে যায়।
মেয়েটির মা রেবেকা খাতুন বলেন, মেয়ের চিৎকারে এগিয়ে গিয়ে দেখি দা'য়ের কোপে তার ডান হাত বিছিন্ন হয়ে মেঝেতে পড়ে আছে। মেয়ে ঘরের মেঝেতে কাতরাচ্ছে।
স্থানীয় প্রতিবেশী বরকত উল্লাহ তরু জানান, গভীর রাতে চিৎকার শুনে এগিয়ে গেলে ওই বাড়ি থেকে এক যুবককে পালিয়ে যেতে দেখেন তারা। পরে ঘরে গিয়ে ওই তরুণীকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। তার বিচ্ছিন্ন হাতটি মেঝেতে পড়ে ছিল। পাশেই পড়ে ছিল রক্তমাখা ধারালো দা।
মেহেরপুর সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। হামলায় ব্যবহৃত দা উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।

তরুণীর হাত বিচ্ছিন্ন করলো যুবক, আহত বাবা-মা
মেহেরপুর সংবাদদাতা

মেহেরপুর শহরে গভীর রাতে এক তরুণীর ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ডান হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ সময় কুপিয়ে জখম করা হয়েছে তার মা-বাবাকেও।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিনগত রাত ২টার দিকে মেহেরপুর শহরের একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আহত তরুণী ওই এলাকার ব্যবসায়ী সেলিম হোসেনের মেয়ে। অন্যদিকে অভিযুক্ত সায়ন শহরের মল্লিকপাড়ার হোটেল ব্যবসায়ী আবু তালেবের ছেলে।
আহতদের প্রথমে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
তরুণীর বাবা সেলিম হোসেন জানান, তার মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী। পথে বের হলে সায়ন তাকে প্রায়ই বিরক্ত করতেন। বিষয়টি মেয়ে তাকে জানালে তিনি সায়নের বাবার কাছে অভিযোগ করেন। এরপরও সায়ন তার মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি করাতে হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার দিনগত রাত ২টার দিকে বাড়ির প্রাচীর টপকে আমার মেয়ের ঘরে ঢোকে সায়ন। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তার ডান হাত বিচ্ছিন্ন করে। আমাদেরকেও কুপিয়ে পালিয়ে যায়।
মেয়েটির মা রেবেকা খাতুন বলেন, মেয়ের চিৎকারে এগিয়ে গিয়ে দেখি দা'য়ের কোপে তার ডান হাত বিছিন্ন হয়ে মেঝেতে পড়ে আছে। মেয়ে ঘরের মেঝেতে কাতরাচ্ছে।
স্থানীয় প্রতিবেশী বরকত উল্লাহ তরু জানান, গভীর রাতে চিৎকার শুনে এগিয়ে গেলে ওই বাড়ি থেকে এক যুবককে পালিয়ে যেতে দেখেন তারা। পরে ঘরে গিয়ে ওই তরুণীকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। তার বিচ্ছিন্ন হাতটি মেঝেতে পড়ে ছিল। পাশেই পড়ে ছিল রক্তমাখা ধারালো দা।
মেহেরপুর সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। হামলায় ব্যবহৃত দা উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।







