মাদারীপুরে সংঘর্ষ: ২০ বাড়ি-দোকান ভাঙচুর, আহত ৫

মাদারীপুরে সংঘর্ষ: ২০ বাড়ি-দোকান ভাঙচুর, আহত ৫
মাদারীপুর সংবাদদাতা

মাদারীপুর সদর উপজেলায় দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ২০ বসতবাড়ি ও কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচ জন।
সদর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মস্তফাপুর এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে।
স্থানীয়রা বলছে, শামসু সরদার ও হাবিব হাওলাদার গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি এই বিরোধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। শুক্রবার সকালে শামসুর পক্ষের লোকজন প্রথমে মস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ডের একটি মোবাইলের দোকান, একটি হোটেল ও একটি মুদি দোকানে হামলা চালায়। পরে তারা হাবিব হাওলাদার গ্রুপের সমর্থক ঢালী বংশের কয়েকটি বাড়িতেও হামলা চালায়। এরপর উভয় পক্ষের সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের কারণে বহু পরিবার আতঙ্কে ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়।
মস্তফাপুর এলাকার লোকজন জানায়, উভয়পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ককটেলের বিকট শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেক মানুষ দোকানপাট বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়।
মাদারীপুর সদর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সংঘর্ষে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাদারীপুর সদর উপজেলায় দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ২০ বসতবাড়ি ও কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচ জন।
সদর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মস্তফাপুর এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে।
স্থানীয়রা বলছে, শামসু সরদার ও হাবিব হাওলাদার গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি এই বিরোধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। শুক্রবার সকালে শামসুর পক্ষের লোকজন প্রথমে মস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ডের একটি মোবাইলের দোকান, একটি হোটেল ও একটি মুদি দোকানে হামলা চালায়। পরে তারা হাবিব হাওলাদার গ্রুপের সমর্থক ঢালী বংশের কয়েকটি বাড়িতেও হামলা চালায়। এরপর উভয় পক্ষের সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের কারণে বহু পরিবার আতঙ্কে ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়।
মস্তফাপুর এলাকার লোকজন জানায়, উভয়পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ককটেলের বিকট শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেক মানুষ দোকানপাট বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়।
মাদারীপুর সদর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সংঘর্ষে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাদারীপুরে সংঘর্ষ: ২০ বাড়ি-দোকান ভাঙচুর, আহত ৫
মাদারীপুর সংবাদদাতা

মাদারীপুর সদর উপজেলায় দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ২০ বসতবাড়ি ও কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচ জন।
সদর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মস্তফাপুর এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে।
স্থানীয়রা বলছে, শামসু সরদার ও হাবিব হাওলাদার গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি এই বিরোধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। শুক্রবার সকালে শামসুর পক্ষের লোকজন প্রথমে মস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ডের একটি মোবাইলের দোকান, একটি হোটেল ও একটি মুদি দোকানে হামলা চালায়। পরে তারা হাবিব হাওলাদার গ্রুপের সমর্থক ঢালী বংশের কয়েকটি বাড়িতেও হামলা চালায়। এরপর উভয় পক্ষের সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের কারণে বহু পরিবার আতঙ্কে ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়।
মস্তফাপুর এলাকার লোকজন জানায়, উভয়পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ককটেলের বিকট শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেক মানুষ দোকানপাট বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়।
মাদারীপুর সদর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সংঘর্ষে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




