আসামির দায়ের কোপে ২ পুলিশ কর্মকর্তা আহত

আসামির দায়ের কোপে ২ পুলিশ কর্মকর্তা আহত
লালমনিরহাট সংবাদদাতা

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামির দায়ের কোপে ২ পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৭ জুন) রাতে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের গেন্দুকুড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন– হাতীবান্ধা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন এবং সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল লতিফ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার গেন্দুকুড়ি গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম ওরফে রাশেদের বিরুদ্ধে চুরিসহ নানা অপরাধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। তাকে গ্রেপ্তার করতে তার বাড়িতে অভিযান চালান এসআই রুহুল আমিন ও এএসআই আব্দুল লতিফ। এ সময় আসামি রাশেদুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে ধারালো দা দিয়ে কোপ দিয়ে পালিয়ে যান। এতে এসআই রুহুল আমিনের হাতের কবজিসহ শরীরের একাধিক স্থানে জখম হয়। একইভাবে আঘাত পান এএসআই আব্দুল লতিফ।
খবর পেয়ে থানার অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এসআই রুহুল আমিনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। শঙ্কামুক্ত না হওয়ায় অস্ত্রোপচার করতে সেখান থেকে শনিবার সকালে তাকে বেসরকারি হাসপাতাল রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ডক্টরস ক্লিনিক) ভর্তি করা হয়।
লালমনিরহাট পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে আসামির হামলায় দুইজন কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রুহুলকে রংপুর ডক্টরস ক্লিনিকে নেওয়া হয়েছে। তাদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামির দায়ের কোপে ২ পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৭ জুন) রাতে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের গেন্দুকুড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন– হাতীবান্ধা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন এবং সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল লতিফ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার গেন্দুকুড়ি গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম ওরফে রাশেদের বিরুদ্ধে চুরিসহ নানা অপরাধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। তাকে গ্রেপ্তার করতে তার বাড়িতে অভিযান চালান এসআই রুহুল আমিন ও এএসআই আব্দুল লতিফ। এ সময় আসামি রাশেদুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে ধারালো দা দিয়ে কোপ দিয়ে পালিয়ে যান। এতে এসআই রুহুল আমিনের হাতের কবজিসহ শরীরের একাধিক স্থানে জখম হয়। একইভাবে আঘাত পান এএসআই আব্দুল লতিফ।
খবর পেয়ে থানার অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এসআই রুহুল আমিনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। শঙ্কামুক্ত না হওয়ায় অস্ত্রোপচার করতে সেখান থেকে শনিবার সকালে তাকে বেসরকারি হাসপাতাল রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ডক্টরস ক্লিনিক) ভর্তি করা হয়।
লালমনিরহাট পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে আসামির হামলায় দুইজন কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রুহুলকে রংপুর ডক্টরস ক্লিনিকে নেওয়া হয়েছে। তাদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আসামির দায়ের কোপে ২ পুলিশ কর্মকর্তা আহত
লালমনিরহাট সংবাদদাতা

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামির দায়ের কোপে ২ পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৭ জুন) রাতে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের গেন্দুকুড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন– হাতীবান্ধা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন এবং সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল লতিফ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার গেন্দুকুড়ি গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম ওরফে রাশেদের বিরুদ্ধে চুরিসহ নানা অপরাধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। তাকে গ্রেপ্তার করতে তার বাড়িতে অভিযান চালান এসআই রুহুল আমিন ও এএসআই আব্দুল লতিফ। এ সময় আসামি রাশেদুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে ধারালো দা দিয়ে কোপ দিয়ে পালিয়ে যান। এতে এসআই রুহুল আমিনের হাতের কবজিসহ শরীরের একাধিক স্থানে জখম হয়। একইভাবে আঘাত পান এএসআই আব্দুল লতিফ।
খবর পেয়ে থানার অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এসআই রুহুল আমিনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। শঙ্কামুক্ত না হওয়ায় অস্ত্রোপচার করতে সেখান থেকে শনিবার সকালে তাকে বেসরকারি হাসপাতাল রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ডক্টরস ক্লিনিক) ভর্তি করা হয়।
লালমনিরহাট পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে আসামির হামলায় দুইজন কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রুহুলকে রংপুর ডক্টরস ক্লিনিকে নেওয়া হয়েছে। তাদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’




