মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি নিহত

মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি নিহত
লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতা

মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) ভোরে মালদ্বীপের দিগুড়া আইল্যান্ডে শ্রমিকদের জন্য নির্মাণাধীন গেস্ট হাউসে এ বিস্ফোরণ হয়।
নিহতদের মধ্যে তাজ উদ্দিন ইসলাম নামে লক্ষ্মীপুরের এক যুবক রয়েছেন। বিকালে নিহতের খালাতো ভাই আব্দুল খালেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত তাজ উদ্দিনের বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হাজিরপাড়া ইউনিয়নের আলাদাদপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আবুল কাশেম।
আব্দুল খালেক গণমাধ্যমকে বলেন, তাজ উদ্দিনের ৪ মাস বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে। জীবিকার তাগিদে প্রায় ৪ লাখ টাকা খরচ করে তিনি প্রায় ৮ মাস আগে মালদ্বীপ যান। সেখানে একটি আবাসিক হোটেলে (রিসোর্ট) কাজ করতেন। গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আমার ভাই মারা গেছে।
গণমাধ্যম সূত্র জানায়, শুক্রবার ভোরে মালদ্বীপের দিগুড়া আইল্যান্ডে শ্রমিকদের জন্য নির্মাণাধীন একটি গেস্ট হাউসে ভয়াবহ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। পরে গেস্ট হাউসের ভেতর থেকে ৭ বাংলাদেশিকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরমধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫ জনের মৃত্যু হয়।
নিহত অন্যরা হলেন– তাজ উদ্দিন ইসলাম, মো. সদর আলী, মো. রবিন মোল্লা, সফিকুল ইসলাম ও মো. নূর নবী সরকার। এ ছাড়া, গুরুতর আহত অপর দুই বাংলাদেশি কর্মী হলেন– জামাল উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন।
এ বিষয়ে মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর মো. সোহেল পারভেজ গণমাধ্যমকে বলেন, আহত দুই জনের মধ্যে একজনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) এবং অপরজনকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনাস্থলে খোঁজখবর নিতে হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ দ্রুত পরিবারের কাছে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) ভোরে মালদ্বীপের দিগুড়া আইল্যান্ডে শ্রমিকদের জন্য নির্মাণাধীন গেস্ট হাউসে এ বিস্ফোরণ হয়।
নিহতদের মধ্যে তাজ উদ্দিন ইসলাম নামে লক্ষ্মীপুরের এক যুবক রয়েছেন। বিকালে নিহতের খালাতো ভাই আব্দুল খালেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত তাজ উদ্দিনের বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হাজিরপাড়া ইউনিয়নের আলাদাদপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আবুল কাশেম।
আব্দুল খালেক গণমাধ্যমকে বলেন, তাজ উদ্দিনের ৪ মাস বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে। জীবিকার তাগিদে প্রায় ৪ লাখ টাকা খরচ করে তিনি প্রায় ৮ মাস আগে মালদ্বীপ যান। সেখানে একটি আবাসিক হোটেলে (রিসোর্ট) কাজ করতেন। গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আমার ভাই মারা গেছে।
গণমাধ্যম সূত্র জানায়, শুক্রবার ভোরে মালদ্বীপের দিগুড়া আইল্যান্ডে শ্রমিকদের জন্য নির্মাণাধীন একটি গেস্ট হাউসে ভয়াবহ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। পরে গেস্ট হাউসের ভেতর থেকে ৭ বাংলাদেশিকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরমধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫ জনের মৃত্যু হয়।
নিহত অন্যরা হলেন– তাজ উদ্দিন ইসলাম, মো. সদর আলী, মো. রবিন মোল্লা, সফিকুল ইসলাম ও মো. নূর নবী সরকার। এ ছাড়া, গুরুতর আহত অপর দুই বাংলাদেশি কর্মী হলেন– জামাল উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন।
এ বিষয়ে মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর মো. সোহেল পারভেজ গণমাধ্যমকে বলেন, আহত দুই জনের মধ্যে একজনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) এবং অপরজনকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনাস্থলে খোঁজখবর নিতে হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ দ্রুত পরিবারের কাছে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি নিহত
লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতা

মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) ভোরে মালদ্বীপের দিগুড়া আইল্যান্ডে শ্রমিকদের জন্য নির্মাণাধীন গেস্ট হাউসে এ বিস্ফোরণ হয়।
নিহতদের মধ্যে তাজ উদ্দিন ইসলাম নামে লক্ষ্মীপুরের এক যুবক রয়েছেন। বিকালে নিহতের খালাতো ভাই আব্দুল খালেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত তাজ উদ্দিনের বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হাজিরপাড়া ইউনিয়নের আলাদাদপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আবুল কাশেম।
আব্দুল খালেক গণমাধ্যমকে বলেন, তাজ উদ্দিনের ৪ মাস বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে। জীবিকার তাগিদে প্রায় ৪ লাখ টাকা খরচ করে তিনি প্রায় ৮ মাস আগে মালদ্বীপ যান। সেখানে একটি আবাসিক হোটেলে (রিসোর্ট) কাজ করতেন। গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আমার ভাই মারা গেছে।
গণমাধ্যম সূত্র জানায়, শুক্রবার ভোরে মালদ্বীপের দিগুড়া আইল্যান্ডে শ্রমিকদের জন্য নির্মাণাধীন একটি গেস্ট হাউসে ভয়াবহ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। পরে গেস্ট হাউসের ভেতর থেকে ৭ বাংলাদেশিকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরমধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫ জনের মৃত্যু হয়।
নিহত অন্যরা হলেন– তাজ উদ্দিন ইসলাম, মো. সদর আলী, মো. রবিন মোল্লা, সফিকুল ইসলাম ও মো. নূর নবী সরকার। এ ছাড়া, গুরুতর আহত অপর দুই বাংলাদেশি কর্মী হলেন– জামাল উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন।
এ বিষয়ে মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর মো. সোহেল পারভেজ গণমাধ্যমকে বলেন, আহত দুই জনের মধ্যে একজনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) এবং অপরজনকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনাস্থলে খোঁজখবর নিতে হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ দ্রুত পরিবারের কাছে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।




