লক্ষ্মীপুরে বাসায় ঢুকে মা-দুই মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা

লক্ষ্মীপুরে বাসায় ঢুকে মা-দুই মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা
লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতা

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ভাড়া বাসায় ঢুকে দুই মেয়েসহ মাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোডাউন রোডে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়েছে। রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাহারুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন– শাহিনুর বেগম ও তার বড় মেয়ে সায়মা আক্তার, ছোট মেয়ে শিফা আক্তার। আহত হয়েছে মেজো মেয়ে ইকরা আক্তার। তাদের বাড়ি কুমিল্লায়। বসবাস করতেন রায়পুর শহরে ভাড়া বাসায়। এর মধ্যে সায়মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন। শিফা পড়ত স্থানীয় স্কুলে। আহত ইকরা রায়পুর কাজী ফারুকী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক বছর ধরে শাহিনুর তার সন্তানদের নিয়ে গোডাউন রোড এলাকায় ভাড়া আছেন। কয়েক বছর আগে তার স্বামী মো. কামাল বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যান। এরপর থেকে ৩ মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে শাহিনুর ওই বাসায় বসবাস করে আসছেন। সকালে তিন মেয়েসহ শাহিনুরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়রা ঘাতক সন্দেহে এক যুবককে গণপিটুনি দেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
রায়পুর থানার ওসি শাহিন মিয়া বলেন, হামলার শিকার ও সন্দেহভাজন হামলাকারীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয় ইকরাকে। ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।
রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাহারুল আলম বলেন, হাসপাতালে ৫ জনকে আহত অবস্থায় আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে মা ও দুই মেয়ে মারা গেছেন। তার এক মেয়েকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ভাড়া বাসায় ঢুকে দুই মেয়েসহ মাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোডাউন রোডে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়েছে। রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাহারুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন– শাহিনুর বেগম ও তার বড় মেয়ে সায়মা আক্তার, ছোট মেয়ে শিফা আক্তার। আহত হয়েছে মেজো মেয়ে ইকরা আক্তার। তাদের বাড়ি কুমিল্লায়। বসবাস করতেন রায়পুর শহরে ভাড়া বাসায়। এর মধ্যে সায়মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন। শিফা পড়ত স্থানীয় স্কুলে। আহত ইকরা রায়পুর কাজী ফারুকী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক বছর ধরে শাহিনুর তার সন্তানদের নিয়ে গোডাউন রোড এলাকায় ভাড়া আছেন। কয়েক বছর আগে তার স্বামী মো. কামাল বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যান। এরপর থেকে ৩ মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে শাহিনুর ওই বাসায় বসবাস করে আসছেন। সকালে তিন মেয়েসহ শাহিনুরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়রা ঘাতক সন্দেহে এক যুবককে গণপিটুনি দেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
রায়পুর থানার ওসি শাহিন মিয়া বলেন, হামলার শিকার ও সন্দেহভাজন হামলাকারীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয় ইকরাকে। ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।
রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাহারুল আলম বলেন, হাসপাতালে ৫ জনকে আহত অবস্থায় আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে মা ও দুই মেয়ে মারা গেছেন। তার এক মেয়েকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

লক্ষ্মীপুরে বাসায় ঢুকে মা-দুই মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা
লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতা

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ভাড়া বাসায় ঢুকে দুই মেয়েসহ মাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোডাউন রোডে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়েছে। রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাহারুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন– শাহিনুর বেগম ও তার বড় মেয়ে সায়মা আক্তার, ছোট মেয়ে শিফা আক্তার। আহত হয়েছে মেজো মেয়ে ইকরা আক্তার। তাদের বাড়ি কুমিল্লায়। বসবাস করতেন রায়পুর শহরে ভাড়া বাসায়। এর মধ্যে সায়মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন। শিফা পড়ত স্থানীয় স্কুলে। আহত ইকরা রায়পুর কাজী ফারুকী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক বছর ধরে শাহিনুর তার সন্তানদের নিয়ে গোডাউন রোড এলাকায় ভাড়া আছেন। কয়েক বছর আগে তার স্বামী মো. কামাল বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যান। এরপর থেকে ৩ মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে শাহিনুর ওই বাসায় বসবাস করে আসছেন। সকালে তিন মেয়েসহ শাহিনুরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়রা ঘাতক সন্দেহে এক যুবককে গণপিটুনি দেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
রায়পুর থানার ওসি শাহিন মিয়া বলেন, হামলার শিকার ও সন্দেহভাজন হামলাকারীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয় ইকরাকে। ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।
রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাহারুল আলম বলেন, হাসপাতালে ৫ জনকে আহত অবস্থায় আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে মা ও দুই মেয়ে মারা গেছেন। তার এক মেয়েকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।




