বাধা উপেক্ষা করে স্কুলের পাশে স-মিল

বাধা উপেক্ষা করে স্কুলের পাশে স-মিল
জামালপুর সংবাদদাতা

জামালপুরের বকশীগঞ্জে নূর মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের জমিতে বসানো হচ্ছে স-মিল। স্কুল কর্তৃপক্ষ ও সাধারণ জনগণের বাধা উপেক্ষা করে মিল মালিক এই স-মিল স্থাপন করছেন।
জানা গেছে, ওই জমির মালিক উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ। তিনি পাকলা মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে জমি ভাড়া দিয়েছেন। ভাড়াটিয়া স-মিল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন।
আইনে বলা আছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২০০ মিটারের মধ্যে স-মিল স্থাপন সম্পূণ নিষিদ্ধ। মিল স্থাপনের আগে বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক। এর আগে স-মিল স্থাপনের কোন সুযোগ নেই। এ আইন অমান্য করলে জরিমানা ও কারাদণ্ড বিধান আছে।
বকশীগঞ্জ মিয়া পাড়ার বাসিন্দা সানোয়ার হোসেন বলেন, এখানে মিলটি স্থাপন করলে আবাসিক এলাকার জনসাধরণ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরাও শব্দ দূষণের শিকার হবে। অনুমোদনবিহীন মিলটির বিষয়ে উপজেলা নিবাহী অফিসারকে বলেছি। কিন্তু দৃশ্যমান কোন কাজ হয়নি।
স্কুল ছাত্র আতিকুর রহমান বলেন, স-মিল হলে শব্দ দূষণ হবে। স্কুল গেইটে যানজট লেগে থাকবে। যে কোন মুহুর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
ওষুধ ব্যবসায়ী বায়েজিদ বিন রফিক বলেন, স্কুলের পাশে স-মিল বসানো মোটেই ঠিক নয়। পরিবেশ রক্ষায় বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। এ ছাড়া জমির মালিক আব্দুল হামিদ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি। তিনি রাজনৈতিক সচেতন ব্যক্তি। ভাড়াটিয়ার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করা উচিত।
জমির মালিক উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ বলেন, আমি জমি ভাড়া দিয়েছি। স-মিল প্রতিষ্ঠার সঙ্গে আমার কোন সর্ম্পক নেই। ভাড়াটিয়াকে স-মিল স্থাপনে নিষেধ করেছি।
স-মিল মালিক পাকলা মিয়া বলেন, আমার লাইসেন্স নেই। আমি জমি ভাড়া নিয়েছি। মিল বসানোর পর লাইসেন্স করবো।
নূর মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মামুনুর রশীদ বলেন, এখানে স-মিলটি স্থাপন হলে শব্দ দূষণে পড়াশোনার বিঘ্ন ঘটবে। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ্য থেকে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু স-মিল মালিক মানছেন না।
বকশীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও পৌর প্রশাসক আসমা উল হুসনা বলেন, স্কুলের পাশে স-মিল না বসানোর জন্য জমির মালিককে বলা হয়েছে। তিনি যদি তার ভাড়াটিয়াকে বিরত করতে না পারেন তা হলে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জামালপুরের বকশীগঞ্জে নূর মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের জমিতে বসানো হচ্ছে স-মিল। স্কুল কর্তৃপক্ষ ও সাধারণ জনগণের বাধা উপেক্ষা করে মিল মালিক এই স-মিল স্থাপন করছেন।
জানা গেছে, ওই জমির মালিক উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ। তিনি পাকলা মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে জমি ভাড়া দিয়েছেন। ভাড়াটিয়া স-মিল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন।
আইনে বলা আছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২০০ মিটারের মধ্যে স-মিল স্থাপন সম্পূণ নিষিদ্ধ। মিল স্থাপনের আগে বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক। এর আগে স-মিল স্থাপনের কোন সুযোগ নেই। এ আইন অমান্য করলে জরিমানা ও কারাদণ্ড বিধান আছে।
বকশীগঞ্জ মিয়া পাড়ার বাসিন্দা সানোয়ার হোসেন বলেন, এখানে মিলটি স্থাপন করলে আবাসিক এলাকার জনসাধরণ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরাও শব্দ দূষণের শিকার হবে। অনুমোদনবিহীন মিলটির বিষয়ে উপজেলা নিবাহী অফিসারকে বলেছি। কিন্তু দৃশ্যমান কোন কাজ হয়নি।
স্কুল ছাত্র আতিকুর রহমান বলেন, স-মিল হলে শব্দ দূষণ হবে। স্কুল গেইটে যানজট লেগে থাকবে। যে কোন মুহুর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
ওষুধ ব্যবসায়ী বায়েজিদ বিন রফিক বলেন, স্কুলের পাশে স-মিল বসানো মোটেই ঠিক নয়। পরিবেশ রক্ষায় বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। এ ছাড়া জমির মালিক আব্দুল হামিদ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি। তিনি রাজনৈতিক সচেতন ব্যক্তি। ভাড়াটিয়ার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করা উচিত।
জমির মালিক উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ বলেন, আমি জমি ভাড়া দিয়েছি। স-মিল প্রতিষ্ঠার সঙ্গে আমার কোন সর্ম্পক নেই। ভাড়াটিয়াকে স-মিল স্থাপনে নিষেধ করেছি।
স-মিল মালিক পাকলা মিয়া বলেন, আমার লাইসেন্স নেই। আমি জমি ভাড়া নিয়েছি। মিল বসানোর পর লাইসেন্স করবো।
নূর মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মামুনুর রশীদ বলেন, এখানে স-মিলটি স্থাপন হলে শব্দ দূষণে পড়াশোনার বিঘ্ন ঘটবে। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ্য থেকে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু স-মিল মালিক মানছেন না।
বকশীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও পৌর প্রশাসক আসমা উল হুসনা বলেন, স্কুলের পাশে স-মিল না বসানোর জন্য জমির মালিককে বলা হয়েছে। তিনি যদি তার ভাড়াটিয়াকে বিরত করতে না পারেন তা হলে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাধা উপেক্ষা করে স্কুলের পাশে স-মিল
জামালপুর সংবাদদাতা

জামালপুরের বকশীগঞ্জে নূর মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের জমিতে বসানো হচ্ছে স-মিল। স্কুল কর্তৃপক্ষ ও সাধারণ জনগণের বাধা উপেক্ষা করে মিল মালিক এই স-মিল স্থাপন করছেন।
জানা গেছে, ওই জমির মালিক উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ। তিনি পাকলা মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে জমি ভাড়া দিয়েছেন। ভাড়াটিয়া স-মিল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন।
আইনে বলা আছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২০০ মিটারের মধ্যে স-মিল স্থাপন সম্পূণ নিষিদ্ধ। মিল স্থাপনের আগে বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক। এর আগে স-মিল স্থাপনের কোন সুযোগ নেই। এ আইন অমান্য করলে জরিমানা ও কারাদণ্ড বিধান আছে।
বকশীগঞ্জ মিয়া পাড়ার বাসিন্দা সানোয়ার হোসেন বলেন, এখানে মিলটি স্থাপন করলে আবাসিক এলাকার জনসাধরণ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরাও শব্দ দূষণের শিকার হবে। অনুমোদনবিহীন মিলটির বিষয়ে উপজেলা নিবাহী অফিসারকে বলেছি। কিন্তু দৃশ্যমান কোন কাজ হয়নি।
স্কুল ছাত্র আতিকুর রহমান বলেন, স-মিল হলে শব্দ দূষণ হবে। স্কুল গেইটে যানজট লেগে থাকবে। যে কোন মুহুর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
ওষুধ ব্যবসায়ী বায়েজিদ বিন রফিক বলেন, স্কুলের পাশে স-মিল বসানো মোটেই ঠিক নয়। পরিবেশ রক্ষায় বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। এ ছাড়া জমির মালিক আব্দুল হামিদ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি। তিনি রাজনৈতিক সচেতন ব্যক্তি। ভাড়াটিয়ার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করা উচিত।
জমির মালিক উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ বলেন, আমি জমি ভাড়া দিয়েছি। স-মিল প্রতিষ্ঠার সঙ্গে আমার কোন সর্ম্পক নেই। ভাড়াটিয়াকে স-মিল স্থাপনে নিষেধ করেছি।
স-মিল মালিক পাকলা মিয়া বলেন, আমার লাইসেন্স নেই। আমি জমি ভাড়া নিয়েছি। মিল বসানোর পর লাইসেন্স করবো।
নূর মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মামুনুর রশীদ বলেন, এখানে স-মিলটি স্থাপন হলে শব্দ দূষণে পড়াশোনার বিঘ্ন ঘটবে। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ্য থেকে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু স-মিল মালিক মানছেন না।
বকশীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও পৌর প্রশাসক আসমা উল হুসনা বলেন, স্কুলের পাশে স-মিল না বসানোর জন্য জমির মালিককে বলা হয়েছে। তিনি যদি তার ভাড়াটিয়াকে বিরত করতে না পারেন তা হলে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




