পুকুরে মিললো যুবলীগ নেতার গলা ও হাত কাটা মরদেহ

পুকুরে মিললো যুবলীগ নেতার গলা ও হাত কাটা মরদেহ
ফেনী সংবাদদাতা

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় একটি পুকুর থেকে যোবায়ের হোসেন পারভেজ (৩৫) নামে এক যুবলীগের নেতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের দুই হাত, দুই পা ও গলা কাটা ছিল বলে জানিয়েছে স্বজনরা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আসামিকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (২৮ জুন) ছাগলনাইয়া থানার ওসি আবু তাহের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত পারভেজ উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নের নিজকুঞ্জরা সমিতি বাজার এলাকার আবু তাহেরের ছেলে। তিনি ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত পারভেজ দীর্ঘদিন ধরে যুবলীগের রাজনীতি যুক্ত থাকায় ফেনী নদীতে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনকারী নৌকার ব্যবসায় জড়িত। এ ছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পণ্যবাহী গাড়িতে ডাকাতিসহ নিজকুঞ্জরা বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ডজনখানেক মামলায় নিহত পারভেজ ও একই এলাকার মামুনুর রশিদ মামুন দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। তখন আদালতের নানা ধরনের ফির খরচ পারভেজ দেন। জামিনে ছাড়া পাওয়ার পর একটি দোকান নিয়ে নিহত পারভেজের সঙ্গে মামুনসহ একই এলাকার শাহাদাত হোসেনের বিরোধ শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত শুক্রবার (২৬ জুন) রাত ৯টার দিকে নিজ বাড়ির সামনে নিহত পারভেজের সঙ্গে মামুনের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে টর্চলাইট দিয়ে মামুনের মাথায় আঘাত করে পারভেজ। এ ঘটনার পর রাতেই পারভেজকে ঘর থেকে ডেকে নেন মামুন ও শাহাদাত। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি পারভেজ।
পরবর্তীতে গতকাল শনিবার ভোরে পুকুরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে সেটি পারভেজের মরদেহ হিসেবে শনাক্ত করে তার স্বজনরা।
নিহত পারভেজের ভাই নয়ন জানান, ‘মরদেহ তোলার পর পারভেজের দুই হাত, দুই পা ও গলা কাটা অবস্থায় দেখা যায়।
ওসি আবু তাহের জানান, হত্যার ঘটনায় নিহত পারভেজের বাবা বাদী হয়ে শাহাদাত ও মামুনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাপরিচয় ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। অভিযুক্ত শাহাদাতকে ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের একটি হাসপাতাল থেকে আহত অবস্থায় আটক করেছে ডিবি পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, নিহত পারভেজ এবং হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত মামুন ও শাহাদাতের নামে থানায় বেশ কিছু মামলা রয়েছে।

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় একটি পুকুর থেকে যোবায়ের হোসেন পারভেজ (৩৫) নামে এক যুবলীগের নেতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের দুই হাত, দুই পা ও গলা কাটা ছিল বলে জানিয়েছে স্বজনরা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আসামিকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (২৮ জুন) ছাগলনাইয়া থানার ওসি আবু তাহের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত পারভেজ উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নের নিজকুঞ্জরা সমিতি বাজার এলাকার আবু তাহেরের ছেলে। তিনি ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত পারভেজ দীর্ঘদিন ধরে যুবলীগের রাজনীতি যুক্ত থাকায় ফেনী নদীতে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনকারী নৌকার ব্যবসায় জড়িত। এ ছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পণ্যবাহী গাড়িতে ডাকাতিসহ নিজকুঞ্জরা বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ডজনখানেক মামলায় নিহত পারভেজ ও একই এলাকার মামুনুর রশিদ মামুন দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। তখন আদালতের নানা ধরনের ফির খরচ পারভেজ দেন। জামিনে ছাড়া পাওয়ার পর একটি দোকান নিয়ে নিহত পারভেজের সঙ্গে মামুনসহ একই এলাকার শাহাদাত হোসেনের বিরোধ শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত শুক্রবার (২৬ জুন) রাত ৯টার দিকে নিজ বাড়ির সামনে নিহত পারভেজের সঙ্গে মামুনের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে টর্চলাইট দিয়ে মামুনের মাথায় আঘাত করে পারভেজ। এ ঘটনার পর রাতেই পারভেজকে ঘর থেকে ডেকে নেন মামুন ও শাহাদাত। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি পারভেজ।
পরবর্তীতে গতকাল শনিবার ভোরে পুকুরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে সেটি পারভেজের মরদেহ হিসেবে শনাক্ত করে তার স্বজনরা।
নিহত পারভেজের ভাই নয়ন জানান, ‘মরদেহ তোলার পর পারভেজের দুই হাত, দুই পা ও গলা কাটা অবস্থায় দেখা যায়।
ওসি আবু তাহের জানান, হত্যার ঘটনায় নিহত পারভেজের বাবা বাদী হয়ে শাহাদাত ও মামুনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাপরিচয় ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। অভিযুক্ত শাহাদাতকে ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের একটি হাসপাতাল থেকে আহত অবস্থায় আটক করেছে ডিবি পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, নিহত পারভেজ এবং হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত মামুন ও শাহাদাতের নামে থানায় বেশ কিছু মামলা রয়েছে।

পুকুরে মিললো যুবলীগ নেতার গলা ও হাত কাটা মরদেহ
ফেনী সংবাদদাতা

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় একটি পুকুর থেকে যোবায়ের হোসেন পারভেজ (৩৫) নামে এক যুবলীগের নেতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের দুই হাত, দুই পা ও গলা কাটা ছিল বলে জানিয়েছে স্বজনরা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আসামিকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (২৮ জুন) ছাগলনাইয়া থানার ওসি আবু তাহের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত পারভেজ উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নের নিজকুঞ্জরা সমিতি বাজার এলাকার আবু তাহেরের ছেলে। তিনি ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত পারভেজ দীর্ঘদিন ধরে যুবলীগের রাজনীতি যুক্ত থাকায় ফেনী নদীতে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনকারী নৌকার ব্যবসায় জড়িত। এ ছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পণ্যবাহী গাড়িতে ডাকাতিসহ নিজকুঞ্জরা বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ডজনখানেক মামলায় নিহত পারভেজ ও একই এলাকার মামুনুর রশিদ মামুন দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। তখন আদালতের নানা ধরনের ফির খরচ পারভেজ দেন। জামিনে ছাড়া পাওয়ার পর একটি দোকান নিয়ে নিহত পারভেজের সঙ্গে মামুনসহ একই এলাকার শাহাদাত হোসেনের বিরোধ শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত শুক্রবার (২৬ জুন) রাত ৯টার দিকে নিজ বাড়ির সামনে নিহত পারভেজের সঙ্গে মামুনের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে টর্চলাইট দিয়ে মামুনের মাথায় আঘাত করে পারভেজ। এ ঘটনার পর রাতেই পারভেজকে ঘর থেকে ডেকে নেন মামুন ও শাহাদাত। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি পারভেজ।
পরবর্তীতে গতকাল শনিবার ভোরে পুকুরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে সেটি পারভেজের মরদেহ হিসেবে শনাক্ত করে তার স্বজনরা।
নিহত পারভেজের ভাই নয়ন জানান, ‘মরদেহ তোলার পর পারভেজের দুই হাত, দুই পা ও গলা কাটা অবস্থায় দেখা যায়।
ওসি আবু তাহের জানান, হত্যার ঘটনায় নিহত পারভেজের বাবা বাদী হয়ে শাহাদাত ও মামুনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাপরিচয় ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। অভিযুক্ত শাহাদাতকে ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের একটি হাসপাতাল থেকে আহত অবস্থায় আটক করেছে ডিবি পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, নিহত পারভেজ এবং হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত মামুন ও শাহাদাতের নামে থানায় বেশ কিছু মামলা রয়েছে।

তুরাগে তিন মরদেহ উদ্ধার, যা বলছে পুলিশ


