বিএনপি আমলে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছি: আদালতে এনসিপি নেতা

বিএনপি আমলে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছি: আদালতে এনসিপি নেতা
সিটিজেন ডেস্ক

‘আওয়ামী লীগের আমলেও মারধরের শিকার হয়েছি, তবে বিএনপির আমলে তার মাত্রা আরও বেশি ছিল’—এমন দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কোতোয়ালি থানার প্রধান সমন্বয়ক আনোয়ার হোসেন।
ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় রিমান্ড শুনানি শেষে রবিবার (২৮ জুন) আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম ইউনিটের উপপরিদর্শক জহিরুল ইসলাম আনোয়ার হোসেনের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। পরে শুনানি শেষে আদালত তাকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মনির হোসেন সুমন রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে বলেন, তার মক্কেল ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন—এমন প্রমাণ নেই। তিনি অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা’ হিসেবে দাবি করেন এবং রিমান্ড বাতিলের আবেদন জানান।
আদালত থেকে নেওয়ার সময় আনোয়ার হোসেন নিজেকে এনসিপির সক্রিয় সংগঠক হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন, তিনি দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশ নিয়েছেন।
পরে কারাগারে নেওয়ার পথে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার অপরাধ আমি জুলাই যোদ্ধা। আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির স্থানীয় নেতাদের নেতৃত্বে তার বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে এবং তার পরিবারের সদস্যরাও আক্রান্ত হয়েছেন।
তিনি আরও দাবি করেন, তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তির অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রকাশ করায় তার বিরুদ্ধে এসব মামলা ও হামলা চালানো হচ্ছে। তবে তার এসব অভিযোগের স্বপক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে মামলার নথিতে বলা হয়েছে, গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর রাতে একদল হামলাকারী লাঠিসোঁটা ও দাহ্য পদার্থ নিয়ে দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে প্রবেশ করে। তারা ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাট চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। এতে প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয় বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে।
একই ঘটনায় দৈনিক প্রথম আলো কার্যালয়েও হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে, যেখানে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পৃথক মামলায় আনোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তদন্ত চলছে। পুলিশ বলছে, অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

‘আওয়ামী লীগের আমলেও মারধরের শিকার হয়েছি, তবে বিএনপির আমলে তার মাত্রা আরও বেশি ছিল’—এমন দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কোতোয়ালি থানার প্রধান সমন্বয়ক আনোয়ার হোসেন।
ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় রিমান্ড শুনানি শেষে রবিবার (২৮ জুন) আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম ইউনিটের উপপরিদর্শক জহিরুল ইসলাম আনোয়ার হোসেনের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। পরে শুনানি শেষে আদালত তাকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মনির হোসেন সুমন রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে বলেন, তার মক্কেল ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন—এমন প্রমাণ নেই। তিনি অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা’ হিসেবে দাবি করেন এবং রিমান্ড বাতিলের আবেদন জানান।
আদালত থেকে নেওয়ার সময় আনোয়ার হোসেন নিজেকে এনসিপির সক্রিয় সংগঠক হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন, তিনি দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশ নিয়েছেন।
পরে কারাগারে নেওয়ার পথে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার অপরাধ আমি জুলাই যোদ্ধা। আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির স্থানীয় নেতাদের নেতৃত্বে তার বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে এবং তার পরিবারের সদস্যরাও আক্রান্ত হয়েছেন।
তিনি আরও দাবি করেন, তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তির অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রকাশ করায় তার বিরুদ্ধে এসব মামলা ও হামলা চালানো হচ্ছে। তবে তার এসব অভিযোগের স্বপক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে মামলার নথিতে বলা হয়েছে, গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর রাতে একদল হামলাকারী লাঠিসোঁটা ও দাহ্য পদার্থ নিয়ে দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে প্রবেশ করে। তারা ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাট চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। এতে প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয় বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে।
একই ঘটনায় দৈনিক প্রথম আলো কার্যালয়েও হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে, যেখানে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পৃথক মামলায় আনোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তদন্ত চলছে। পুলিশ বলছে, অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিএনপি আমলে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছি: আদালতে এনসিপি নেতা
সিটিজেন ডেস্ক

‘আওয়ামী লীগের আমলেও মারধরের শিকার হয়েছি, তবে বিএনপির আমলে তার মাত্রা আরও বেশি ছিল’—এমন দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কোতোয়ালি থানার প্রধান সমন্বয়ক আনোয়ার হোসেন।
ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় রিমান্ড শুনানি শেষে রবিবার (২৮ জুন) আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম ইউনিটের উপপরিদর্শক জহিরুল ইসলাম আনোয়ার হোসেনের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। পরে শুনানি শেষে আদালত তাকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মনির হোসেন সুমন রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে বলেন, তার মক্কেল ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন—এমন প্রমাণ নেই। তিনি অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা’ হিসেবে দাবি করেন এবং রিমান্ড বাতিলের আবেদন জানান।
আদালত থেকে নেওয়ার সময় আনোয়ার হোসেন নিজেকে এনসিপির সক্রিয় সংগঠক হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন, তিনি দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশ নিয়েছেন।
পরে কারাগারে নেওয়ার পথে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার অপরাধ আমি জুলাই যোদ্ধা। আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির স্থানীয় নেতাদের নেতৃত্বে তার বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে এবং তার পরিবারের সদস্যরাও আক্রান্ত হয়েছেন।
তিনি আরও দাবি করেন, তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তির অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রকাশ করায় তার বিরুদ্ধে এসব মামলা ও হামলা চালানো হচ্ছে। তবে তার এসব অভিযোগের স্বপক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে মামলার নথিতে বলা হয়েছে, গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর রাতে একদল হামলাকারী লাঠিসোঁটা ও দাহ্য পদার্থ নিয়ে দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে প্রবেশ করে। তারা ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাট চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। এতে প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয় বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে।
একই ঘটনায় দৈনিক প্রথম আলো কার্যালয়েও হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে, যেখানে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পৃথক মামলায় আনোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তদন্ত চলছে। পুলিশ বলছে, অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।




