পিকআপ কেটে বানানো হয় অ্যাম্বুলেন্স, বিআরটিসির বাসও ফিটনেসহীন

পিকআপ কেটে বানানো হয় অ্যাম্বুলেন্স, বিআরটিসির বাসও ফিটনেসহীন
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরের নগরকান্দায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে রবিবার (২৪ মে) সকালে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় যাত্রীবাহী বিআরটিসি বাস ও একটি অ্যাম্বুলেন্সের। ঘটনাস্থলেই অ্যাম্বুলেন্সে থাকা মাদারীপুরের দুই ভাই ও তাদের দুজনের স্ত্রী এবং অ্যাম্বুলেন্স চালক মারা যান।
সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামাতে যেখানে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার, সেখানে রবিবারের ওই ঘটনায় দুর্ঘটনাকবলিত দুটি গাড়ির বিষয়ে ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে। এর মধ্যে অ্যাম্বুলেন্সটি ছিল কাগজপত্রহীন আর বিআরটিসি বাসটি ছিল ফিটনেসহীন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অ্যাম্বুলেন্সটি শুধু নামেই অ্যাম্বুলেন্স। এটি আসলে বানানো হয়েছে ছোট ট্র্যাক বা পিকআপ কেটে। যেটি সর্বশেষ কাগজপত্র হালনাগাদ করেছিল ১৭ বছর আগে। অন্যদিকে, বিআরটিসি বাসেরও ফিটনেস সনদ নেই ২ বছর হলো। সরকারি বাস, তবু ৩ বছর হলো ট্যাক্স দিচ্ছে না গাড়িটি।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান ফরিদপুর বিআরটিএ-এর সহকারী পরিচালক পলাশ খীসা। তিনি বলেন, ‘সেখানে গিয়ে গাড়ির নাম্বার প্লেট দেখে অবাক হয়ে যাই। মূলত অ্যাম্বুলেন্সের সিরিয়ালের শুরুতে ‘ছ’ লেখা থাকে। ট্রাক এর শুরুতে লেখা থাকে ‘ঠ’। যে অ্যাম্বুলেন্সটি (ঢাকা মেট্রো ঠ ১১- ১২২৯) দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে, সেটি মূলত একটি পিকআপ বা ছোট ট্রাক ছিল।’
পলাশ খীসার কথা থেকে পরিষ্কার যে, ছোট ট্রাক বা পিকআপ কেটে অ্যাম্বুলেন্সটি বানানো হয়েছে। গত ১৫ মে ২০০৯ সালে মালিক হিসেবে মোবারক হোসেন নামের এক ব্যক্তি সর্বশেষ গাড়িটির ট্যাক্স পরিশোধ করেন। তার পিতার নাম নুরুল ইসলাম। তিনি ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা। ধারণা করা হচ্ছে, এরপর গাড়িটি হাতবদল হয়েছে।
পলাশ খীসা আরও জানান, বিআরটিসির বাসটিরও (ঢাকা মেট্রো ব ১৫-৬৪৩৬) ফিটনেস সনদ ছিল না। গাড়িটির ফিটনেসের মেয়াদ শেষ হয় ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর। ৫ ডিসেম্বর ২০২৩ থেকে এই গাড়ির ট্যাক্সও পরিশোধ করা হয়নি।

ফরিদপুরের নগরকান্দায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে রবিবার (২৪ মে) সকালে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় যাত্রীবাহী বিআরটিসি বাস ও একটি অ্যাম্বুলেন্সের। ঘটনাস্থলেই অ্যাম্বুলেন্সে থাকা মাদারীপুরের দুই ভাই ও তাদের দুজনের স্ত্রী এবং অ্যাম্বুলেন্স চালক মারা যান।
সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামাতে যেখানে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার, সেখানে রবিবারের ওই ঘটনায় দুর্ঘটনাকবলিত দুটি গাড়ির বিষয়ে ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে। এর মধ্যে অ্যাম্বুলেন্সটি ছিল কাগজপত্রহীন আর বিআরটিসি বাসটি ছিল ফিটনেসহীন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অ্যাম্বুলেন্সটি শুধু নামেই অ্যাম্বুলেন্স। এটি আসলে বানানো হয়েছে ছোট ট্র্যাক বা পিকআপ কেটে। যেটি সর্বশেষ কাগজপত্র হালনাগাদ করেছিল ১৭ বছর আগে। অন্যদিকে, বিআরটিসি বাসেরও ফিটনেস সনদ নেই ২ বছর হলো। সরকারি বাস, তবু ৩ বছর হলো ট্যাক্স দিচ্ছে না গাড়িটি।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান ফরিদপুর বিআরটিএ-এর সহকারী পরিচালক পলাশ খীসা। তিনি বলেন, ‘সেখানে গিয়ে গাড়ির নাম্বার প্লেট দেখে অবাক হয়ে যাই। মূলত অ্যাম্বুলেন্সের সিরিয়ালের শুরুতে ‘ছ’ লেখা থাকে। ট্রাক এর শুরুতে লেখা থাকে ‘ঠ’। যে অ্যাম্বুলেন্সটি (ঢাকা মেট্রো ঠ ১১- ১২২৯) দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে, সেটি মূলত একটি পিকআপ বা ছোট ট্রাক ছিল।’
পলাশ খীসার কথা থেকে পরিষ্কার যে, ছোট ট্রাক বা পিকআপ কেটে অ্যাম্বুলেন্সটি বানানো হয়েছে। গত ১৫ মে ২০০৯ সালে মালিক হিসেবে মোবারক হোসেন নামের এক ব্যক্তি সর্বশেষ গাড়িটির ট্যাক্স পরিশোধ করেন। তার পিতার নাম নুরুল ইসলাম। তিনি ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা। ধারণা করা হচ্ছে, এরপর গাড়িটি হাতবদল হয়েছে।
পলাশ খীসা আরও জানান, বিআরটিসির বাসটিরও (ঢাকা মেট্রো ব ১৫-৬৪৩৬) ফিটনেস সনদ ছিল না। গাড়িটির ফিটনেসের মেয়াদ শেষ হয় ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর। ৫ ডিসেম্বর ২০২৩ থেকে এই গাড়ির ট্যাক্সও পরিশোধ করা হয়নি।

পিকআপ কেটে বানানো হয় অ্যাম্বুলেন্স, বিআরটিসির বাসও ফিটনেসহীন
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরের নগরকান্দায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে রবিবার (২৪ মে) সকালে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় যাত্রীবাহী বিআরটিসি বাস ও একটি অ্যাম্বুলেন্সের। ঘটনাস্থলেই অ্যাম্বুলেন্সে থাকা মাদারীপুরের দুই ভাই ও তাদের দুজনের স্ত্রী এবং অ্যাম্বুলেন্স চালক মারা যান।
সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামাতে যেখানে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার, সেখানে রবিবারের ওই ঘটনায় দুর্ঘটনাকবলিত দুটি গাড়ির বিষয়ে ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে। এর মধ্যে অ্যাম্বুলেন্সটি ছিল কাগজপত্রহীন আর বিআরটিসি বাসটি ছিল ফিটনেসহীন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অ্যাম্বুলেন্সটি শুধু নামেই অ্যাম্বুলেন্স। এটি আসলে বানানো হয়েছে ছোট ট্র্যাক বা পিকআপ কেটে। যেটি সর্বশেষ কাগজপত্র হালনাগাদ করেছিল ১৭ বছর আগে। অন্যদিকে, বিআরটিসি বাসেরও ফিটনেস সনদ নেই ২ বছর হলো। সরকারি বাস, তবু ৩ বছর হলো ট্যাক্স দিচ্ছে না গাড়িটি।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান ফরিদপুর বিআরটিএ-এর সহকারী পরিচালক পলাশ খীসা। তিনি বলেন, ‘সেখানে গিয়ে গাড়ির নাম্বার প্লেট দেখে অবাক হয়ে যাই। মূলত অ্যাম্বুলেন্সের সিরিয়ালের শুরুতে ‘ছ’ লেখা থাকে। ট্রাক এর শুরুতে লেখা থাকে ‘ঠ’। যে অ্যাম্বুলেন্সটি (ঢাকা মেট্রো ঠ ১১- ১২২৯) দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে, সেটি মূলত একটি পিকআপ বা ছোট ট্রাক ছিল।’
পলাশ খীসার কথা থেকে পরিষ্কার যে, ছোট ট্রাক বা পিকআপ কেটে অ্যাম্বুলেন্সটি বানানো হয়েছে। গত ১৫ মে ২০০৯ সালে মালিক হিসেবে মোবারক হোসেন নামের এক ব্যক্তি সর্বশেষ গাড়িটির ট্যাক্স পরিশোধ করেন। তার পিতার নাম নুরুল ইসলাম। তিনি ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা। ধারণা করা হচ্ছে, এরপর গাড়িটি হাতবদল হয়েছে।
পলাশ খীসা আরও জানান, বিআরটিসির বাসটিরও (ঢাকা মেট্রো ব ১৫-৬৪৩৬) ফিটনেস সনদ ছিল না। গাড়িটির ফিটনেসের মেয়াদ শেষ হয় ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর। ৫ ডিসেম্বর ২০২৩ থেকে এই গাড়ির ট্যাক্সও পরিশোধ করা হয়নি।

বাস-অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষে একই পরিবারের চারজনসহ নিহত ৫

