ভাঙ্গায় দুই মহল্লাবাসীর সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ যুবকের মৃত্যু, আটক ১৭

ভাঙ্গায় দুই মহল্লাবাসীর সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ যুবকের মৃত্যু, আটক ১৭
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই মহল্লাবাসীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ চলাকালে গুলির ঘটনাও ঘটে। এ সময় ভাঙ্গা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সজীব মাতুব্বরের করা গুলিতে কাপুড়িয়া সদরদী মহল্লার বাসিন্দা সুমন শেখ নামক এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার পরিবার।
সে ওই গ্রামের মিলন শেখ ওরফে মিলন বাবুর্চির ছেলে। সুমন ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি ফুডকার্ট পরিচালনা করতেন।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা ৭টা থেকে সংঘর্ষ শুরু হয় রাত ১০টা পর্যন্ত চলে। এ সময় দফায় দফায় ধাওয়া ও পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বেশ কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল নিক্ষেপ করে। এ সংঘর্ষের ফলে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যানবাহন চলাচল দেড় ঘন্টার জন্য বন্ধ ছিল। এই ঘটনায় ১৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ফায়জুর বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনক শুরু হলে হঠাৎ করে সজীব মাতব্বর গুলি করতে শুরু করে। প্রথমে দুটি গুলি উপরের দিকে করলেও পরে আরো দুটি গুলি সুমনের দিকে করে। এ সময় সুমনের মুখে একটি গুলি লাগে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভাঙ্গা বাজার থেকে শরীয়তুল্লাহ নামে এক কিশোরকে ধরে নিয়ে মারপিট করে হাসামদিয়ার ফয়সাল মাতুব্বর ও তার লোকজন। এরপর শরীয়তুল্লাহকে ছাড়িয়ে আনতে গেলে ভাঙ্গা পৌরসভার পূর্ব হাসামদিয়া মহল্লার কিশোরদেরদের সঙ্গে কাপুড়িয়া সদরদী মহল্লার কিশোরদেরদের উত্তেজনা শুরু হয়।
রাত পোনে ৮টার দিকে দুই পক্ষের শত শত লোক ঢাল-সড়কি, রামদা, ইটপাটকেল নিয়ে কুমার নদের দুই পাড়ে অবস্থান নেয়। দুই পক্ষের দফায় দফায় ধাওয় -পাল্টাধাওয়া চলে। সংঘর্ষ চলাকালে ৪টি গুলির আওয়াজ শোনা যায় বলে একাধিক ব্যক্তি জানায়। এ সময় কাপুড়িয়া সদরদী মহল্লার মিলন শেখের ছেলে সুমন শেখ গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়।
সুমনের বন্ধু ও প্রতিবেশী হাবিবুর রহমান জানান, সুমনকে নিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছান। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করে হাসপাতালের আনার আগেই সুমনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন। বুধবার ( ১ জুলাই) ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা তানসিভ জুবায়ের বলেন, সংঘর্ষে আহত সুমন শেখ নামক এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তার চোয়ালে গুলির ক্ষত রয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, সংঘর্ষের কারণে রাত আটটা থেকে সাড়ে নয়টা পর্যন্ত মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই মহল্লা বাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। পরে সংঘর্ষ থামানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, দুই মহল্লাবাসীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত সুমন শেখ মারা গেছেন। এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই মহল্লাবাসীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ চলাকালে গুলির ঘটনাও ঘটে। এ সময় ভাঙ্গা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সজীব মাতুব্বরের করা গুলিতে কাপুড়িয়া সদরদী মহল্লার বাসিন্দা সুমন শেখ নামক এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার পরিবার।
সে ওই গ্রামের মিলন শেখ ওরফে মিলন বাবুর্চির ছেলে। সুমন ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি ফুডকার্ট পরিচালনা করতেন।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা ৭টা থেকে সংঘর্ষ শুরু হয় রাত ১০টা পর্যন্ত চলে। এ সময় দফায় দফায় ধাওয়া ও পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বেশ কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল নিক্ষেপ করে। এ সংঘর্ষের ফলে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যানবাহন চলাচল দেড় ঘন্টার জন্য বন্ধ ছিল। এই ঘটনায় ১৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ফায়জুর বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনক শুরু হলে হঠাৎ করে সজীব মাতব্বর গুলি করতে শুরু করে। প্রথমে দুটি গুলি উপরের দিকে করলেও পরে আরো দুটি গুলি সুমনের দিকে করে। এ সময় সুমনের মুখে একটি গুলি লাগে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভাঙ্গা বাজার থেকে শরীয়তুল্লাহ নামে এক কিশোরকে ধরে নিয়ে মারপিট করে হাসামদিয়ার ফয়সাল মাতুব্বর ও তার লোকজন। এরপর শরীয়তুল্লাহকে ছাড়িয়ে আনতে গেলে ভাঙ্গা পৌরসভার পূর্ব হাসামদিয়া মহল্লার কিশোরদেরদের সঙ্গে কাপুড়িয়া সদরদী মহল্লার কিশোরদেরদের উত্তেজনা শুরু হয়।
রাত পোনে ৮টার দিকে দুই পক্ষের শত শত লোক ঢাল-সড়কি, রামদা, ইটপাটকেল নিয়ে কুমার নদের দুই পাড়ে অবস্থান নেয়। দুই পক্ষের দফায় দফায় ধাওয় -পাল্টাধাওয়া চলে। সংঘর্ষ চলাকালে ৪টি গুলির আওয়াজ শোনা যায় বলে একাধিক ব্যক্তি জানায়। এ সময় কাপুড়িয়া সদরদী মহল্লার মিলন শেখের ছেলে সুমন শেখ গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়।
সুমনের বন্ধু ও প্রতিবেশী হাবিবুর রহমান জানান, সুমনকে নিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছান। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করে হাসপাতালের আনার আগেই সুমনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন। বুধবার ( ১ জুলাই) ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা তানসিভ জুবায়ের বলেন, সংঘর্ষে আহত সুমন শেখ নামক এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তার চোয়ালে গুলির ক্ষত রয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, সংঘর্ষের কারণে রাত আটটা থেকে সাড়ে নয়টা পর্যন্ত মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই মহল্লা বাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। পরে সংঘর্ষ থামানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, দুই মহল্লাবাসীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত সুমন শেখ মারা গেছেন। এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ভাঙ্গায় দুই মহল্লাবাসীর সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ যুবকের মৃত্যু, আটক ১৭
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই মহল্লাবাসীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ চলাকালে গুলির ঘটনাও ঘটে। এ সময় ভাঙ্গা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সজীব মাতুব্বরের করা গুলিতে কাপুড়িয়া সদরদী মহল্লার বাসিন্দা সুমন শেখ নামক এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার পরিবার।
সে ওই গ্রামের মিলন শেখ ওরফে মিলন বাবুর্চির ছেলে। সুমন ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি ফুডকার্ট পরিচালনা করতেন।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা ৭টা থেকে সংঘর্ষ শুরু হয় রাত ১০টা পর্যন্ত চলে। এ সময় দফায় দফায় ধাওয়া ও পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বেশ কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল নিক্ষেপ করে। এ সংঘর্ষের ফলে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যানবাহন চলাচল দেড় ঘন্টার জন্য বন্ধ ছিল। এই ঘটনায় ১৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ফায়জুর বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনক শুরু হলে হঠাৎ করে সজীব মাতব্বর গুলি করতে শুরু করে। প্রথমে দুটি গুলি উপরের দিকে করলেও পরে আরো দুটি গুলি সুমনের দিকে করে। এ সময় সুমনের মুখে একটি গুলি লাগে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভাঙ্গা বাজার থেকে শরীয়তুল্লাহ নামে এক কিশোরকে ধরে নিয়ে মারপিট করে হাসামদিয়ার ফয়সাল মাতুব্বর ও তার লোকজন। এরপর শরীয়তুল্লাহকে ছাড়িয়ে আনতে গেলে ভাঙ্গা পৌরসভার পূর্ব হাসামদিয়া মহল্লার কিশোরদেরদের সঙ্গে কাপুড়িয়া সদরদী মহল্লার কিশোরদেরদের উত্তেজনা শুরু হয়।
রাত পোনে ৮টার দিকে দুই পক্ষের শত শত লোক ঢাল-সড়কি, রামদা, ইটপাটকেল নিয়ে কুমার নদের দুই পাড়ে অবস্থান নেয়। দুই পক্ষের দফায় দফায় ধাওয় -পাল্টাধাওয়া চলে। সংঘর্ষ চলাকালে ৪টি গুলির আওয়াজ শোনা যায় বলে একাধিক ব্যক্তি জানায়। এ সময় কাপুড়িয়া সদরদী মহল্লার মিলন শেখের ছেলে সুমন শেখ গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়।
সুমনের বন্ধু ও প্রতিবেশী হাবিবুর রহমান জানান, সুমনকে নিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছান। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করে হাসপাতালের আনার আগেই সুমনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন। বুধবার ( ১ জুলাই) ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা তানসিভ জুবায়ের বলেন, সংঘর্ষে আহত সুমন শেখ নামক এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তার চোয়ালে গুলির ক্ষত রয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, সংঘর্ষের কারণে রাত আটটা থেকে সাড়ে নয়টা পর্যন্ত মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই মহল্লা বাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। পরে সংঘর্ষ থামানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, দুই মহল্লাবাসীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত সুমন শেখ মারা গেছেন। এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।




