ভাঙ্গায় গ্রামবাসীর সংঘর্ষ উঠে এলো মহাসড়কে, আহত অর্ধশত

ভাঙ্গায় গ্রামবাসীর সংঘর্ষ উঠে এলো মহাসড়কে, আহত অর্ধশত
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
রবিবার (২৮ জুন) সকাল ৭টার দিকে ফরিদপুর-ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পুকুড়িয়া বাসস্ট্যান্ডে এ সংঘর্ষ শুরু হয় বলে জানিয়েছেন ভাঙ্গা থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান। তবে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি পুলিশ।
এ ঘটনায় দূরপাল্লার শতশত যানবাহন মহাসড়কে আটকা পড়েছে। ফলে যাত্রদের তীব্র ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, পুকুড়িয়া বাসস্ট্যান্ডে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ভাঙ্গার হামিরদী ইউনিয়নের মহেশ্বরদী মৌজার কয়েক গ্রামের সঙ্গে একই উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের পুকুড়িয়া মৌজার পাঁচ গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে রবিবার সকাল ৭টার দিকে পুকুড়িয়া বাসস্ট্যান্ডে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সংঘর্ষে অন্তত অর্ধ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এর মধ্যে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়া ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও পুলিশ সদস্যও রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ফরিদপুর-ভাঙ্গা-বরিশাল মহাসড়কের পুকুরিয়া বাসস্ট্যান্ডের দখলকে কেন্দ্র করে মানিকদহ ইউনিয়নের সুলতান মাতুব্বর ও হামেরদী ইউনিয়নের সিরু মোল্লার সমর্থকদের মধ্যে রবিবার সকালে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। খরব পেয়ে পুলিশ পুকুরিয়া বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে মহাসড়কের দুই পাশে শতশত যানবাহন আটকে পড়ায় যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, আমরা সংঘর্ষ ঠেকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দীন বলেন, সকাল ৭টায় দুই পক্ষ সংঘর্ষ লিপ্ত হলে সংখ্যায় কম থাকায় তাদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। কিন্ত পরে সংঘর্ষকারীর সংখ্যা বেড়ে গেলে পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনী পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
রবিবার (২৮ জুন) সকাল ৭টার দিকে ফরিদপুর-ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পুকুড়িয়া বাসস্ট্যান্ডে এ সংঘর্ষ শুরু হয় বলে জানিয়েছেন ভাঙ্গা থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান। তবে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি পুলিশ।
এ ঘটনায় দূরপাল্লার শতশত যানবাহন মহাসড়কে আটকা পড়েছে। ফলে যাত্রদের তীব্র ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, পুকুড়িয়া বাসস্ট্যান্ডে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ভাঙ্গার হামিরদী ইউনিয়নের মহেশ্বরদী মৌজার কয়েক গ্রামের সঙ্গে একই উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের পুকুড়িয়া মৌজার পাঁচ গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে রবিবার সকাল ৭টার দিকে পুকুড়িয়া বাসস্ট্যান্ডে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সংঘর্ষে অন্তত অর্ধ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এর মধ্যে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়া ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও পুলিশ সদস্যও রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ফরিদপুর-ভাঙ্গা-বরিশাল মহাসড়কের পুকুরিয়া বাসস্ট্যান্ডের দখলকে কেন্দ্র করে মানিকদহ ইউনিয়নের সুলতান মাতুব্বর ও হামেরদী ইউনিয়নের সিরু মোল্লার সমর্থকদের মধ্যে রবিবার সকালে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। খরব পেয়ে পুলিশ পুকুরিয়া বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে মহাসড়কের দুই পাশে শতশত যানবাহন আটকে পড়ায় যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, আমরা সংঘর্ষ ঠেকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দীন বলেন, সকাল ৭টায় দুই পক্ষ সংঘর্ষ লিপ্ত হলে সংখ্যায় কম থাকায় তাদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। কিন্ত পরে সংঘর্ষকারীর সংখ্যা বেড়ে গেলে পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনী পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

ভাঙ্গায় গ্রামবাসীর সংঘর্ষ উঠে এলো মহাসড়কে, আহত অর্ধশত
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
রবিবার (২৮ জুন) সকাল ৭টার দিকে ফরিদপুর-ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পুকুড়িয়া বাসস্ট্যান্ডে এ সংঘর্ষ শুরু হয় বলে জানিয়েছেন ভাঙ্গা থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান। তবে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি পুলিশ।
এ ঘটনায় দূরপাল্লার শতশত যানবাহন মহাসড়কে আটকা পড়েছে। ফলে যাত্রদের তীব্র ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, পুকুড়িয়া বাসস্ট্যান্ডে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ভাঙ্গার হামিরদী ইউনিয়নের মহেশ্বরদী মৌজার কয়েক গ্রামের সঙ্গে একই উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের পুকুড়িয়া মৌজার পাঁচ গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে রবিবার সকাল ৭টার দিকে পুকুড়িয়া বাসস্ট্যান্ডে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সংঘর্ষে অন্তত অর্ধ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এর মধ্যে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়া ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও পুলিশ সদস্যও রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ফরিদপুর-ভাঙ্গা-বরিশাল মহাসড়কের পুকুরিয়া বাসস্ট্যান্ডের দখলকে কেন্দ্র করে মানিকদহ ইউনিয়নের সুলতান মাতুব্বর ও হামেরদী ইউনিয়নের সিরু মোল্লার সমর্থকদের মধ্যে রবিবার সকালে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। খরব পেয়ে পুলিশ পুকুরিয়া বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে মহাসড়কের দুই পাশে শতশত যানবাহন আটকে পড়ায় যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, আমরা সংঘর্ষ ঠেকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দীন বলেন, সকাল ৭টায় দুই পক্ষ সংঘর্ষ লিপ্ত হলে সংখ্যায় কম থাকায় তাদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। কিন্ত পরে সংঘর্ষকারীর সংখ্যা বেড়ে গেলে পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনী পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।




