সাবেক কাউন্সিলরের বাড়ি থেকে ভিজিএফের ৬৩০ কেজি চাল উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

সাবেক কাউন্সিলরের বাড়ি থেকে ভিজিএফের ৬৩০ কেজি চাল উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ১৫: ১৯

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফের ৬৩০ কেজি চাল সাবেক এক কাউন্সিলরের বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছেন ভ্রামমাণ আদালত।
বুধবার (২০ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বোয়ালমারী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুস সামাদ খানের বাড়ির নিচতলা থেকে এসব চাল উদ্ধার করা হয়। আবদুস সামাদ খান জামায়াতে ইসলামীর কর্মী।
আদালত পরিচালনা করেছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিব্বির আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারিভাবে পৌর এলাকার ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ভিজিএফের চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে সেই চাল সরকারি গুদাম বা পৌরসভার নির্ধারিত স্থানে না রেখে সাবেক কাউন্সিলরের নিজ বাড়িতে সংরক্ষণ করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহা বলেন, সরকারি সহায়তার চাল দরিদ্র ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের খাদেমদের মাঝে বিতরণের কথা। অথচ সেই চাল একজন সাবেক কাউন্সিলরের বাড়িতে পাওয়া গেছে। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
অভিযোগ অস্বীকার করে সাবেক কাউন্সিলর ও জামাতের কর্মী আব্দুস সামাদ খান বলেন, প্রতি বছরই ইমাম-মুয়াজ্জিনদের চাল আমার বাড়িতে এনে রাখা হয়। এর সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত সংশ্লিষ্টতা নেই। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি ও ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
বোয়ালমারী ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাহেব আলী বলেন, বিকাল ৩টার দিকে পৌরসভা থেকে চাল এনে সামাদ খানের বাড়িতে রাখা হয়। আগামী সোমবার ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মাঝে তা বিতরণের কথা ছিল। কিন্তু পরে প্রশাসনের লোকজন এসে চাল নিয়ে যায়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট শিব্বির আহমেদ বলেন, অভিযান চালিয়ে ৬৩০ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। চালগুলো পৌরসভায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফের ৬৩০ কেজি চাল সাবেক এক কাউন্সিলরের বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছেন ভ্রামমাণ আদালত।
বুধবার (২০ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বোয়ালমারী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুস সামাদ খানের বাড়ির নিচতলা থেকে এসব চাল উদ্ধার করা হয়। আবদুস সামাদ খান জামায়াতে ইসলামীর কর্মী।
আদালত পরিচালনা করেছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিব্বির আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারিভাবে পৌর এলাকার ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ভিজিএফের চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে সেই চাল সরকারি গুদাম বা পৌরসভার নির্ধারিত স্থানে না রেখে সাবেক কাউন্সিলরের নিজ বাড়িতে সংরক্ষণ করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহা বলেন, সরকারি সহায়তার চাল দরিদ্র ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের খাদেমদের মাঝে বিতরণের কথা। অথচ সেই চাল একজন সাবেক কাউন্সিলরের বাড়িতে পাওয়া গেছে। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
অভিযোগ অস্বীকার করে সাবেক কাউন্সিলর ও জামাতের কর্মী আব্দুস সামাদ খান বলেন, প্রতি বছরই ইমাম-মুয়াজ্জিনদের চাল আমার বাড়িতে এনে রাখা হয়। এর সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত সংশ্লিষ্টতা নেই। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি ও ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
বোয়ালমারী ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাহেব আলী বলেন, বিকাল ৩টার দিকে পৌরসভা থেকে চাল এনে সামাদ খানের বাড়িতে রাখা হয়। আগামী সোমবার ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মাঝে তা বিতরণের কথা ছিল। কিন্তু পরে প্রশাসনের লোকজন এসে চাল নিয়ে যায়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট শিব্বির আহমেদ বলেন, অভিযান চালিয়ে ৬৩০ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। চালগুলো পৌরসভায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সাবেক কাউন্সিলরের বাড়ি থেকে ভিজিএফের ৬৩০ কেজি চাল উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ১৫: ১৯

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফের ৬৩০ কেজি চাল সাবেক এক কাউন্সিলরের বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছেন ভ্রামমাণ আদালত।
বুধবার (২০ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বোয়ালমারী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুস সামাদ খানের বাড়ির নিচতলা থেকে এসব চাল উদ্ধার করা হয়। আবদুস সামাদ খান জামায়াতে ইসলামীর কর্মী।
আদালত পরিচালনা করেছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিব্বির আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারিভাবে পৌর এলাকার ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ভিজিএফের চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে সেই চাল সরকারি গুদাম বা পৌরসভার নির্ধারিত স্থানে না রেখে সাবেক কাউন্সিলরের নিজ বাড়িতে সংরক্ষণ করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহা বলেন, সরকারি সহায়তার চাল দরিদ্র ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের খাদেমদের মাঝে বিতরণের কথা। অথচ সেই চাল একজন সাবেক কাউন্সিলরের বাড়িতে পাওয়া গেছে। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
অভিযোগ অস্বীকার করে সাবেক কাউন্সিলর ও জামাতের কর্মী আব্দুস সামাদ খান বলেন, প্রতি বছরই ইমাম-মুয়াজ্জিনদের চাল আমার বাড়িতে এনে রাখা হয়। এর সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত সংশ্লিষ্টতা নেই। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি ও ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
বোয়ালমারী ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাহেব আলী বলেন, বিকাল ৩টার দিকে পৌরসভা থেকে চাল এনে সামাদ খানের বাড়িতে রাখা হয়। আগামী সোমবার ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মাঝে তা বিতরণের কথা ছিল। কিন্তু পরে প্রশাসনের লোকজন এসে চাল নিয়ে যায়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট শিব্বির আহমেদ বলেন, অভিযান চালিয়ে ৬৩০ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। চালগুলো পৌরসভায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
/এসআর/




