উত্তরায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, নারী-শিশুসহ দগ্ধ ১০

উত্তরায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, নারী-শিশুসহ দগ্ধ ১০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর উত্তরার কামারপাড়ায় একটি বাসায় গ্যাসের পাইপ লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী ও শিশুসহ ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন।
শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে দগ্ধদের ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন– রুবেল, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সোনিয়া আক্তার, মেয়ে রোজা, সোনিয়ার বড় বোন রিয়া। রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত আলী, তার স্ত্রী দেলেরা খাতুন, ছেলে জুনায়েদ, এনায়েতের ছোট ভাই হাবিব, এনায়েতের ভাগনি আয়েশা খাতুন। এছাড়া আবু কালাম রুবেল নামে আরও একজন দগ্ধ হয়েছেন।
তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা এনায়েতের ভাগিনা সাজেদ মাতব্বর বলেন, দ্বিতীয় তলার বাসাটিতে থাকেন রুবেল-সোনিয়া দম্পতি। রুবেল মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার করেন। রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত দুবাই প্রবাসী। কিছুদিন আগে দেশে ফিরেছেন। তাদের বাড়ি মাদারীপুর শিবচর উপজেলায়।
তিনি আরও বলেন, এনায়েত পরিবার নিয়ে গ্রাম থেকে তুরাগে চাচাতো ভাই রুবেলের ওই বাসায় এসেছিলেন বেড়াতে। একই বাড়ির ৪ তলায় থাকেন সাজেদ মাতুব্বর। রাত সাড়ে ৩টার দিকে দ্বিতীয় তলার বাসায় বিস্ফোরণ হয়। বিকট শব্দ শুনে সবাই বেরিয়ে দেখেন, ভবনের নিচ তলা ও ২য় তলার দেয়াল ভেঙে গেছে। বাসাটিতে থাকা ১০ জনই আগুনে পুড়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
এদিকে, বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১০ জন রোগী বার্ন ইনস্টিটিউটে এসেছেন। তাদের মধ্যে রুবেলের ৩২ শতাংশ, সোনিয়া আক্তারের ১০০ শতাংশ, রোজার ১৮ শতাংশ, রিয়ার ৩২ শতাংশ, এনায়েত আলীর ৮৫ শতাংশ, দেলেরা খাতুনের ১৪ শতাংশ, জুনায়েদের ২৪ শতাংশ, হাবিবের ১৯ শতাংশ, আয়েশা খাতুনের ১২ শতাংশ, এবং আবু কালাম রুবেলের ৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের শ্বাসনালীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চিকিৎসা চলছে।

রাজধানীর উত্তরার কামারপাড়ায় একটি বাসায় গ্যাসের পাইপ লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী ও শিশুসহ ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন।
শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে দগ্ধদের ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন– রুবেল, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সোনিয়া আক্তার, মেয়ে রোজা, সোনিয়ার বড় বোন রিয়া। রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত আলী, তার স্ত্রী দেলেরা খাতুন, ছেলে জুনায়েদ, এনায়েতের ছোট ভাই হাবিব, এনায়েতের ভাগনি আয়েশা খাতুন। এছাড়া আবু কালাম রুবেল নামে আরও একজন দগ্ধ হয়েছেন।
তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা এনায়েতের ভাগিনা সাজেদ মাতব্বর বলেন, দ্বিতীয় তলার বাসাটিতে থাকেন রুবেল-সোনিয়া দম্পতি। রুবেল মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার করেন। রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত দুবাই প্রবাসী। কিছুদিন আগে দেশে ফিরেছেন। তাদের বাড়ি মাদারীপুর শিবচর উপজেলায়।
তিনি আরও বলেন, এনায়েত পরিবার নিয়ে গ্রাম থেকে তুরাগে চাচাতো ভাই রুবেলের ওই বাসায় এসেছিলেন বেড়াতে। একই বাড়ির ৪ তলায় থাকেন সাজেদ মাতুব্বর। রাত সাড়ে ৩টার দিকে দ্বিতীয় তলার বাসায় বিস্ফোরণ হয়। বিকট শব্দ শুনে সবাই বেরিয়ে দেখেন, ভবনের নিচ তলা ও ২য় তলার দেয়াল ভেঙে গেছে। বাসাটিতে থাকা ১০ জনই আগুনে পুড়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
এদিকে, বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১০ জন রোগী বার্ন ইনস্টিটিউটে এসেছেন। তাদের মধ্যে রুবেলের ৩২ শতাংশ, সোনিয়া আক্তারের ১০০ শতাংশ, রোজার ১৮ শতাংশ, রিয়ার ৩২ শতাংশ, এনায়েত আলীর ৮৫ শতাংশ, দেলেরা খাতুনের ১৪ শতাংশ, জুনায়েদের ২৪ শতাংশ, হাবিবের ১৯ শতাংশ, আয়েশা খাতুনের ১২ শতাংশ, এবং আবু কালাম রুবেলের ৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের শ্বাসনালীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চিকিৎসা চলছে।

উত্তরায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, নারী-শিশুসহ দগ্ধ ১০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর উত্তরার কামারপাড়ায় একটি বাসায় গ্যাসের পাইপ লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী ও শিশুসহ ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন।
শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে দগ্ধদের ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন– রুবেল, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সোনিয়া আক্তার, মেয়ে রোজা, সোনিয়ার বড় বোন রিয়া। রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত আলী, তার স্ত্রী দেলেরা খাতুন, ছেলে জুনায়েদ, এনায়েতের ছোট ভাই হাবিব, এনায়েতের ভাগনি আয়েশা খাতুন। এছাড়া আবু কালাম রুবেল নামে আরও একজন দগ্ধ হয়েছেন।
তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা এনায়েতের ভাগিনা সাজেদ মাতব্বর বলেন, দ্বিতীয় তলার বাসাটিতে থাকেন রুবেল-সোনিয়া দম্পতি। রুবেল মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার করেন। রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত দুবাই প্রবাসী। কিছুদিন আগে দেশে ফিরেছেন। তাদের বাড়ি মাদারীপুর শিবচর উপজেলায়।
তিনি আরও বলেন, এনায়েত পরিবার নিয়ে গ্রাম থেকে তুরাগে চাচাতো ভাই রুবেলের ওই বাসায় এসেছিলেন বেড়াতে। একই বাড়ির ৪ তলায় থাকেন সাজেদ মাতুব্বর। রাত সাড়ে ৩টার দিকে দ্বিতীয় তলার বাসায় বিস্ফোরণ হয়। বিকট শব্দ শুনে সবাই বেরিয়ে দেখেন, ভবনের নিচ তলা ও ২য় তলার দেয়াল ভেঙে গেছে। বাসাটিতে থাকা ১০ জনই আগুনে পুড়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
এদিকে, বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১০ জন রোগী বার্ন ইনস্টিটিউটে এসেছেন। তাদের মধ্যে রুবেলের ৩২ শতাংশ, সোনিয়া আক্তারের ১০০ শতাংশ, রোজার ১৮ শতাংশ, রিয়ার ৩২ শতাংশ, এনায়েত আলীর ৮৫ শতাংশ, দেলেরা খাতুনের ১৪ শতাংশ, জুনায়েদের ২৪ শতাংশ, হাবিবের ১৯ শতাংশ, আয়েশা খাতুনের ১২ শতাংশ, এবং আবু কালাম রুবেলের ৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের শ্বাসনালীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চিকিৎসা চলছে।




