বৈদ্যুতিক শক দিয়ে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

বৈদ্যুতিক শক দিয়ে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
কুমিল্লা সংবাদদাতা

কুমিল্লায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডিত মোহাম্মদ আজাদ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের মো. কবির হোসেনের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. এনামুল হক সরকার জানান, পারিবারিক কলহের জেরে ২০২৩ সালের ২৭ জুলাই রাতে মোহাম্মদ আজাদের স্ত্রী তিন সন্তানের জননী তানিয়া বেগমকে হাতে-পায়ে বৈদ্যুতিক তার জড়িয়ে শক দিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় নিহত তানিয়া বেগমের মা মায়া বেগম বাদী হয়ে ওই দিনই আজাদকে আসামি করে চৌদ্দগ্রাম থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পাশাপাশি তানিয়া বেগমের ময়নাতদন্ত করা হয়।
তদন্ত ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে তার মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ২০২৫ সালের ১৫ নভেম্বর আসামি আজাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
বিভিন্ন নথি ও তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা শেষে আসামি আজাদকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত।
রায় ঘোষণার পর বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. এনামুল হক সরকার ও নিহতের স্বজনরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর এ রায়ের মাধ্যমে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন। একই সঙ্গে দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানান তারা।

কুমিল্লায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডিত মোহাম্মদ আজাদ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের মো. কবির হোসেনের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. এনামুল হক সরকার জানান, পারিবারিক কলহের জেরে ২০২৩ সালের ২৭ জুলাই রাতে মোহাম্মদ আজাদের স্ত্রী তিন সন্তানের জননী তানিয়া বেগমকে হাতে-পায়ে বৈদ্যুতিক তার জড়িয়ে শক দিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় নিহত তানিয়া বেগমের মা মায়া বেগম বাদী হয়ে ওই দিনই আজাদকে আসামি করে চৌদ্দগ্রাম থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পাশাপাশি তানিয়া বেগমের ময়নাতদন্ত করা হয়।
তদন্ত ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে তার মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ২০২৫ সালের ১৫ নভেম্বর আসামি আজাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
বিভিন্ন নথি ও তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা শেষে আসামি আজাদকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত।
রায় ঘোষণার পর বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. এনামুল হক সরকার ও নিহতের স্বজনরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর এ রায়ের মাধ্যমে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন। একই সঙ্গে দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানান তারা।

বৈদ্যুতিক শক দিয়ে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
কুমিল্লা সংবাদদাতা

কুমিল্লায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডিত মোহাম্মদ আজাদ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের মো. কবির হোসেনের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. এনামুল হক সরকার জানান, পারিবারিক কলহের জেরে ২০২৩ সালের ২৭ জুলাই রাতে মোহাম্মদ আজাদের স্ত্রী তিন সন্তানের জননী তানিয়া বেগমকে হাতে-পায়ে বৈদ্যুতিক তার জড়িয়ে শক দিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় নিহত তানিয়া বেগমের মা মায়া বেগম বাদী হয়ে ওই দিনই আজাদকে আসামি করে চৌদ্দগ্রাম থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পাশাপাশি তানিয়া বেগমের ময়নাতদন্ত করা হয়।
তদন্ত ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে তার মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ২০২৫ সালের ১৫ নভেম্বর আসামি আজাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
বিভিন্ন নথি ও তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা শেষে আসামি আজাদকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত।
রায় ঘোষণার পর বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. এনামুল হক সরকার ও নিহতের স্বজনরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর এ রায়ের মাধ্যমে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন। একই সঙ্গে দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানান তারা।









