প্রবাসীর আজব বাড়ি, চওড়া ৫ ফুট

প্রবাসীর আজব বাড়ি, চওড়া ৫ ফুট
কুমিল্লা সংবাদদাতা

এক শতাংশ জমিতে ঘর নির্মাণ করেছেন এক প্রবাসী। ঘরটির প্রস্থ ৫ ফুট, দৈর্ঘ্য ৮৫ ফুট। এই বাড়িতে রান্নাঘর, শোবার ঘর, জিনিসপত্র রাখার জায়গাসহ জীবন যাপনের সব ব্যবস্থাই রয়েছে।
বাড়িটি নির্মাণ করা হয়েছে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের স্বল্পপেন্নাই গ্রামে। এটি দেখতে প্রতিদিনই মানুষ আসছেন। বাড়িটি নির্মাণ করেছেন সৌদি আরব প্রবাসী মো. শাহজালাল। তার স্ত্রী খাদিজা আক্তার দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে এই বাড়িতেই থাকেন।
খাদিজা আক্তার বলেন, ‘বাড়ি ছোট হলেও প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা আছে। ছয় ফুট বাই তিন ফুটের চৌকিতে সন্তানদের নিয়ে ঘুমাই। জায়গা কম হওয়ায় রাতে চৌকির পাশে মোড়া রেখে তার ওপর কাঠ বিছিয়ে শোয়ার ব্যবস্থা করেছি।’
ঘর ছাড়াও বাড়ির সামনে ১০ ফুট লম্বা ও পাঁচ ফুট চওড়া চলাচলের পথ রাখা হয়েছে। পেছনে রয়েছে ১৪ ফুট লম্বা ও পাঁচ ফুট চওড়া খোলা বসার জায়গা।
২০১৩ সালে শাহজালালের সঙ্গে তার বিয়ে হয় জানিয়ে এই নারী বলেন, তখন তার স্বামী দেশে মাইক্রোবাস চালাতেন। পরে ২০১৫ সালে কাজের জন্য ইরাকে যান। তিন বছর পর দেশে ফিরে ২০১৬ সালে বাবা শহীদ উল্লাহর কাছ থেকে এক শতাংশ নিচু জমি কেনেন। ওই সময় পৈত্রিক ভিটায় বাড়ি নির্মাণ করতে গেলে জমি নিয়ে প্রতিবেশী স্বজনদের সঙ্গে বিরোধ শুরু হয়। পরে একাধিক মামলা হয়। সেগুলো চালাতে গিয়ে শাহজালালের অনেক টাকা খরচ হয়।
খাদিজা বলেন, ‘২০২০ সালের জানুয়ারিতে শাহজালাল সৌদি আরবে যান। চলতি বছরের জুন মাসে নিষ্কন্টক এক শতাংশ জমি কেনা হয়। পরে সেখানেই বাড়ি করতে স্বামীকে পরামর্শ দেই।’
গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. রুবেল আহমেদ বলেন, ‘বাড়িটির জায়গাটি আগে ডোবা ছিল। সেটি ভরাট করে চলতি বছরের জুন মাসে প্রায় আড়াই লাখ টাকা ব্যয়ে বাড়ি করা হয়েছে। বর্তমানে এটিই শাহজালালের পরিবারের একমাত্র স্থায়ী ঠিকানা।’
প্রতিবেশী মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘পরিবারটির থাকার মতো জায়গা ছিল না। দীর্ঘদিন অন্যের বাড়িতে কষ্ট করে থাকতে হয়েছে। এখন ছোট হলেও নিজেদের একটি স্থায়ী ঠিকানা হয়েছে।’
দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মানবাধিকার কর্মী আলমগীর হোসেন বলেন, ‘শাহজালালের জমিটি আয়তাকার না হয়ে লম্বা হওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জমিটি আয়তাকারভাবে বুঝে নেওয়া গেলে বা পাশের জমির মালিকের সঙ্গে সমন্বয় করা হলে এমন বাড়ি নির্মাণের প্রয়োজন হতো না।’

এক শতাংশ জমিতে ঘর নির্মাণ করেছেন এক প্রবাসী। ঘরটির প্রস্থ ৫ ফুট, দৈর্ঘ্য ৮৫ ফুট। এই বাড়িতে রান্নাঘর, শোবার ঘর, জিনিসপত্র রাখার জায়গাসহ জীবন যাপনের সব ব্যবস্থাই রয়েছে।
বাড়িটি নির্মাণ করা হয়েছে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের স্বল্পপেন্নাই গ্রামে। এটি দেখতে প্রতিদিনই মানুষ আসছেন। বাড়িটি নির্মাণ করেছেন সৌদি আরব প্রবাসী মো. শাহজালাল। তার স্ত্রী খাদিজা আক্তার দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে এই বাড়িতেই থাকেন।
খাদিজা আক্তার বলেন, ‘বাড়ি ছোট হলেও প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা আছে। ছয় ফুট বাই তিন ফুটের চৌকিতে সন্তানদের নিয়ে ঘুমাই। জায়গা কম হওয়ায় রাতে চৌকির পাশে মোড়া রেখে তার ওপর কাঠ বিছিয়ে শোয়ার ব্যবস্থা করেছি।’
ঘর ছাড়াও বাড়ির সামনে ১০ ফুট লম্বা ও পাঁচ ফুট চওড়া চলাচলের পথ রাখা হয়েছে। পেছনে রয়েছে ১৪ ফুট লম্বা ও পাঁচ ফুট চওড়া খোলা বসার জায়গা।
২০১৩ সালে শাহজালালের সঙ্গে তার বিয়ে হয় জানিয়ে এই নারী বলেন, তখন তার স্বামী দেশে মাইক্রোবাস চালাতেন। পরে ২০১৫ সালে কাজের জন্য ইরাকে যান। তিন বছর পর দেশে ফিরে ২০১৬ সালে বাবা শহীদ উল্লাহর কাছ থেকে এক শতাংশ নিচু জমি কেনেন। ওই সময় পৈত্রিক ভিটায় বাড়ি নির্মাণ করতে গেলে জমি নিয়ে প্রতিবেশী স্বজনদের সঙ্গে বিরোধ শুরু হয়। পরে একাধিক মামলা হয়। সেগুলো চালাতে গিয়ে শাহজালালের অনেক টাকা খরচ হয়।
খাদিজা বলেন, ‘২০২০ সালের জানুয়ারিতে শাহজালাল সৌদি আরবে যান। চলতি বছরের জুন মাসে নিষ্কন্টক এক শতাংশ জমি কেনা হয়। পরে সেখানেই বাড়ি করতে স্বামীকে পরামর্শ দেই।’
গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. রুবেল আহমেদ বলেন, ‘বাড়িটির জায়গাটি আগে ডোবা ছিল। সেটি ভরাট করে চলতি বছরের জুন মাসে প্রায় আড়াই লাখ টাকা ব্যয়ে বাড়ি করা হয়েছে। বর্তমানে এটিই শাহজালালের পরিবারের একমাত্র স্থায়ী ঠিকানা।’
প্রতিবেশী মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘পরিবারটির থাকার মতো জায়গা ছিল না। দীর্ঘদিন অন্যের বাড়িতে কষ্ট করে থাকতে হয়েছে। এখন ছোট হলেও নিজেদের একটি স্থায়ী ঠিকানা হয়েছে।’
দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মানবাধিকার কর্মী আলমগীর হোসেন বলেন, ‘শাহজালালের জমিটি আয়তাকার না হয়ে লম্বা হওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জমিটি আয়তাকারভাবে বুঝে নেওয়া গেলে বা পাশের জমির মালিকের সঙ্গে সমন্বয় করা হলে এমন বাড়ি নির্মাণের প্রয়োজন হতো না।’

প্রবাসীর আজব বাড়ি, চওড়া ৫ ফুট
কুমিল্লা সংবাদদাতা

এক শতাংশ জমিতে ঘর নির্মাণ করেছেন এক প্রবাসী। ঘরটির প্রস্থ ৫ ফুট, দৈর্ঘ্য ৮৫ ফুট। এই বাড়িতে রান্নাঘর, শোবার ঘর, জিনিসপত্র রাখার জায়গাসহ জীবন যাপনের সব ব্যবস্থাই রয়েছে।
বাড়িটি নির্মাণ করা হয়েছে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের স্বল্পপেন্নাই গ্রামে। এটি দেখতে প্রতিদিনই মানুষ আসছেন। বাড়িটি নির্মাণ করেছেন সৌদি আরব প্রবাসী মো. শাহজালাল। তার স্ত্রী খাদিজা আক্তার দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে এই বাড়িতেই থাকেন।
খাদিজা আক্তার বলেন, ‘বাড়ি ছোট হলেও প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা আছে। ছয় ফুট বাই তিন ফুটের চৌকিতে সন্তানদের নিয়ে ঘুমাই। জায়গা কম হওয়ায় রাতে চৌকির পাশে মোড়া রেখে তার ওপর কাঠ বিছিয়ে শোয়ার ব্যবস্থা করেছি।’
ঘর ছাড়াও বাড়ির সামনে ১০ ফুট লম্বা ও পাঁচ ফুট চওড়া চলাচলের পথ রাখা হয়েছে। পেছনে রয়েছে ১৪ ফুট লম্বা ও পাঁচ ফুট চওড়া খোলা বসার জায়গা।
২০১৩ সালে শাহজালালের সঙ্গে তার বিয়ে হয় জানিয়ে এই নারী বলেন, তখন তার স্বামী দেশে মাইক্রোবাস চালাতেন। পরে ২০১৫ সালে কাজের জন্য ইরাকে যান। তিন বছর পর দেশে ফিরে ২০১৬ সালে বাবা শহীদ উল্লাহর কাছ থেকে এক শতাংশ নিচু জমি কেনেন। ওই সময় পৈত্রিক ভিটায় বাড়ি নির্মাণ করতে গেলে জমি নিয়ে প্রতিবেশী স্বজনদের সঙ্গে বিরোধ শুরু হয়। পরে একাধিক মামলা হয়। সেগুলো চালাতে গিয়ে শাহজালালের অনেক টাকা খরচ হয়।
খাদিজা বলেন, ‘২০২০ সালের জানুয়ারিতে শাহজালাল সৌদি আরবে যান। চলতি বছরের জুন মাসে নিষ্কন্টক এক শতাংশ জমি কেনা হয়। পরে সেখানেই বাড়ি করতে স্বামীকে পরামর্শ দেই।’
গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. রুবেল আহমেদ বলেন, ‘বাড়িটির জায়গাটি আগে ডোবা ছিল। সেটি ভরাট করে চলতি বছরের জুন মাসে প্রায় আড়াই লাখ টাকা ব্যয়ে বাড়ি করা হয়েছে। বর্তমানে এটিই শাহজালালের পরিবারের একমাত্র স্থায়ী ঠিকানা।’
প্রতিবেশী মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘পরিবারটির থাকার মতো জায়গা ছিল না। দীর্ঘদিন অন্যের বাড়িতে কষ্ট করে থাকতে হয়েছে। এখন ছোট হলেও নিজেদের একটি স্থায়ী ঠিকানা হয়েছে।’
দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মানবাধিকার কর্মী আলমগীর হোসেন বলেন, ‘শাহজালালের জমিটি আয়তাকার না হয়ে লম্বা হওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জমিটি আয়তাকারভাবে বুঝে নেওয়া গেলে বা পাশের জমির মালিকের সঙ্গে সমন্বয় করা হলে এমন বাড়ি নির্মাণের প্রয়োজন হতো না।’









