সালিশ ডাকায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

সালিশ ডাকায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ২৭

প্রতীকী ছবি
প্রতিবন্ধী ভাতিজাকে মারধর করেছিল এলাকার কয়েকজন মাদকসেবী। প্রতিবাদে সালিশ বৈঠক ডাকেন বৃদ্ধ মো. শফিউল আলম। তবে সালিশ বৈঠকেই হত্যার শিকার হন তিনি। প্রতিপক্ষরা সবার সামনেই পিটিয়ে হত্যা করে শফিউল আলমকে। ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায়।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকাল তিনটার দিকে উপজেলার খৈইয়াছড়া ইউনিয়নের উত্তর আমবাড়িয়া এলাকায় এই হত্যার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে নিহত শফিউল আলমের ভাতিজা প্রতিবন্ধী ফকির আহমদকে মেরে রক্তাক্ত করে একই এলাকার রিক্কু, রিফন ও রিজভী। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে সালিশ বৈঠক ডাকেন শফিউল আলম। শুক্রবার এলাকার লোকজন নিয়ে সালিশ বৈঠকে বসলে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে শফিউল আলমের ওপর হামলা করে। হামলাকারীরা চলে গেলে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শফিউল আলমকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে মো. আরাফাত হোসেন বলেন, ‘আমার প্রতিবন্ধী চাচাতো ভাইকে মারধর করে মাদকসেবী রিক্কু, রিফন ও রিজভী। তাদের বিরুদ্ধে সালিশ বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়ায়, সেই বৈঠকেই আমার বাবার ওপর অতর্কিত হামলা করে তারা। পরে এলাকার মানুষকে ভয় দেখিয়ে পালিয়ে যায় প্রতিপক্ষের লোকজন। আমি তাদের বিচার চাই।’
এ বিষয়ে মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন জানান, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রতিবন্ধী ভাতিজাকে মারধর করেছিল এলাকার কয়েকজন মাদকসেবী। প্রতিবাদে সালিশ বৈঠক ডাকেন বৃদ্ধ মো. শফিউল আলম। তবে সালিশ বৈঠকেই হত্যার শিকার হন তিনি। প্রতিপক্ষরা সবার সামনেই পিটিয়ে হত্যা করে শফিউল আলমকে। ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায়।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকাল তিনটার দিকে উপজেলার খৈইয়াছড়া ইউনিয়নের উত্তর আমবাড়িয়া এলাকায় এই হত্যার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে নিহত শফিউল আলমের ভাতিজা প্রতিবন্ধী ফকির আহমদকে মেরে রক্তাক্ত করে একই এলাকার রিক্কু, রিফন ও রিজভী। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে সালিশ বৈঠক ডাকেন শফিউল আলম। শুক্রবার এলাকার লোকজন নিয়ে সালিশ বৈঠকে বসলে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে শফিউল আলমের ওপর হামলা করে। হামলাকারীরা চলে গেলে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শফিউল আলমকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে মো. আরাফাত হোসেন বলেন, ‘আমার প্রতিবন্ধী চাচাতো ভাইকে মারধর করে মাদকসেবী রিক্কু, রিফন ও রিজভী। তাদের বিরুদ্ধে সালিশ বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়ায়, সেই বৈঠকেই আমার বাবার ওপর অতর্কিত হামলা করে তারা। পরে এলাকার মানুষকে ভয় দেখিয়ে পালিয়ে যায় প্রতিপক্ষের লোকজন। আমি তাদের বিচার চাই।’
এ বিষয়ে মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন জানান, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সালিশ ডাকায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ২৭

প্রতীকী ছবি
প্রতিবন্ধী ভাতিজাকে মারধর করেছিল এলাকার কয়েকজন মাদকসেবী। প্রতিবাদে সালিশ বৈঠক ডাকেন বৃদ্ধ মো. শফিউল আলম। তবে সালিশ বৈঠকেই হত্যার শিকার হন তিনি। প্রতিপক্ষরা সবার সামনেই পিটিয়ে হত্যা করে শফিউল আলমকে। ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায়।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকাল তিনটার দিকে উপজেলার খৈইয়াছড়া ইউনিয়নের উত্তর আমবাড়িয়া এলাকায় এই হত্যার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে নিহত শফিউল আলমের ভাতিজা প্রতিবন্ধী ফকির আহমদকে মেরে রক্তাক্ত করে একই এলাকার রিক্কু, রিফন ও রিজভী। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে সালিশ বৈঠক ডাকেন শফিউল আলম। শুক্রবার এলাকার লোকজন নিয়ে সালিশ বৈঠকে বসলে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে শফিউল আলমের ওপর হামলা করে। হামলাকারীরা চলে গেলে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শফিউল আলমকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে মো. আরাফাত হোসেন বলেন, ‘আমার প্রতিবন্ধী চাচাতো ভাইকে মারধর করে মাদকসেবী রিক্কু, রিফন ও রিজভী। তাদের বিরুদ্ধে সালিশ বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়ায়, সেই বৈঠকেই আমার বাবার ওপর অতর্কিত হামলা করে তারা। পরে এলাকার মানুষকে ভয় দেখিয়ে পালিয়ে যায় প্রতিপক্ষের লোকজন। আমি তাদের বিচার চাই।’
এ বিষয়ে মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন জানান, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
/এফআর/

ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা আফজাল নাছের আবার রিমান্ডে


