সার না পেয়ে কুড়িগ্রামে গুদাম লুট

সার না পেয়ে কুড়িগ্রামে গুদাম লুট
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় সার না পেয়ে কৃষকরা দল বেধে একটি ডিলার পয়েন্টের গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা সার লুট করে নিয়ে যায়। প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি করে সার ছিল।
রবিবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে দিকে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৬৭ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, শিলখুড়ি ইউনিয়নের ডিলার শাহ আমানত ট্রেডার্স এর মালিক তাইফুর রহমান মুকুল পর্যাপ্ত পরিমাণ সার বরাদ্দ পেলেও কৃষকদের দিতে গড়িমসি করেন। তার মোট বরাদ্দ ছিলো ১৩২০ বস্তা সার। এর মধ্যে গুদামে আগে মজুদ ছিল ৩৪০ বস্তা সার।
রবিবার সকাল থেকে তার ডিলার পয়েন্টে দুই শতাধিক কৃষক সারের জন্য জড়ো হন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর ডিলার পয়েন্ট না খোলায় কৃষকরা গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যায়।
মেসার্স শাহ আমানত ট্রেডার্স এর মালিক তাইফুর রহমান মুকুল জানান, সর্বশেষ ডিও অনুযায়ী ৩৪০ বস্তা সার আমি উত্তোলন করি। আজ বিতরণের সময় বিপুল সংখ্যক কৃষক উপস্থিত হয়। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা সার লুট করে নিয়ে যায় স্থানীয় কৃষক। অবশিষ্ট ১৩৮ বস্তা ইউরিয়া সার বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। সেগুলো গুদামেই রক্ষিত আছে।
ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিমুদ্দিন বলেন, ওই ইউনিয়নে চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা সার। কিন্তু মোট বরাদ্দ ছিল ১৩২০ বস্তা। ফলে কৃষকরা সার না পাওয়ার শঙ্কা থেকে গুদাম থেকে সার নিয়ে গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে থামিয়েছে। এরমধ্যে ১৯৭ বস্তা সার কৃষকরা নিয়ে গেছে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৬৭ বস্তা ফেরত দিয়ে গেছে। বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় সার না পেয়ে কৃষকরা দল বেধে একটি ডিলার পয়েন্টের গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা সার লুট করে নিয়ে যায়। প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি করে সার ছিল।
রবিবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে দিকে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৬৭ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, শিলখুড়ি ইউনিয়নের ডিলার শাহ আমানত ট্রেডার্স এর মালিক তাইফুর রহমান মুকুল পর্যাপ্ত পরিমাণ সার বরাদ্দ পেলেও কৃষকদের দিতে গড়িমসি করেন। তার মোট বরাদ্দ ছিলো ১৩২০ বস্তা সার। এর মধ্যে গুদামে আগে মজুদ ছিল ৩৪০ বস্তা সার।
রবিবার সকাল থেকে তার ডিলার পয়েন্টে দুই শতাধিক কৃষক সারের জন্য জড়ো হন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর ডিলার পয়েন্ট না খোলায় কৃষকরা গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যায়।
মেসার্স শাহ আমানত ট্রেডার্স এর মালিক তাইফুর রহমান মুকুল জানান, সর্বশেষ ডিও অনুযায়ী ৩৪০ বস্তা সার আমি উত্তোলন করি। আজ বিতরণের সময় বিপুল সংখ্যক কৃষক উপস্থিত হয়। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা সার লুট করে নিয়ে যায় স্থানীয় কৃষক। অবশিষ্ট ১৩৮ বস্তা ইউরিয়া সার বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। সেগুলো গুদামেই রক্ষিত আছে।
ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিমুদ্দিন বলেন, ওই ইউনিয়নে চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা সার। কিন্তু মোট বরাদ্দ ছিল ১৩২০ বস্তা। ফলে কৃষকরা সার না পাওয়ার শঙ্কা থেকে গুদাম থেকে সার নিয়ে গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে থামিয়েছে। এরমধ্যে ১৯৭ বস্তা সার কৃষকরা নিয়ে গেছে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৬৭ বস্তা ফেরত দিয়ে গেছে। বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

সার না পেয়ে কুড়িগ্রামে গুদাম লুট
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় সার না পেয়ে কৃষকরা দল বেধে একটি ডিলার পয়েন্টের গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা সার লুট করে নিয়ে যায়। প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি করে সার ছিল।
রবিবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে দিকে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৬৭ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, শিলখুড়ি ইউনিয়নের ডিলার শাহ আমানত ট্রেডার্স এর মালিক তাইফুর রহমান মুকুল পর্যাপ্ত পরিমাণ সার বরাদ্দ পেলেও কৃষকদের দিতে গড়িমসি করেন। তার মোট বরাদ্দ ছিলো ১৩২০ বস্তা সার। এর মধ্যে গুদামে আগে মজুদ ছিল ৩৪০ বস্তা সার।
রবিবার সকাল থেকে তার ডিলার পয়েন্টে দুই শতাধিক কৃষক সারের জন্য জড়ো হন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর ডিলার পয়েন্ট না খোলায় কৃষকরা গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যায়।
মেসার্স শাহ আমানত ট্রেডার্স এর মালিক তাইফুর রহমান মুকুল জানান, সর্বশেষ ডিও অনুযায়ী ৩৪০ বস্তা সার আমি উত্তোলন করি। আজ বিতরণের সময় বিপুল সংখ্যক কৃষক উপস্থিত হয়। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা সার লুট করে নিয়ে যায় স্থানীয় কৃষক। অবশিষ্ট ১৩৮ বস্তা ইউরিয়া সার বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। সেগুলো গুদামেই রক্ষিত আছে।
ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিমুদ্দিন বলেন, ওই ইউনিয়নে চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা সার। কিন্তু মোট বরাদ্দ ছিল ১৩২০ বস্তা। ফলে কৃষকরা সার না পাওয়ার শঙ্কা থেকে গুদাম থেকে সার নিয়ে গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে থামিয়েছে। এরমধ্যে ১৯৭ বস্তা সার কৃষকরা নিয়ে গেছে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৬৭ বস্তা ফেরত দিয়ে গেছে। বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।








