সাতক্ষীরায় তিন মাসে ১৩৬ জনের অপমৃত্যু

সাতক্ষীরায় তিন মাসে ১৩৬ জনের অপমৃত্যু
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা

চলতি বছরের মে থেকে জুলাই পর্যন্ত এই তিন মাসে সাতক্ষীরা জেলায় ১৩৬ জনের অপমৃত্যু হয়েছে। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় উত্তরণ-ডিএইচআরএনএস প্রকল্পের আওতায় শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকালে ত্রৈমাসিক সভায় এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়। এমএসএফ-এর সেক্রেটারিয়েল সাপোর্ট স্টাফ অ্যাডভোকেট মুনিরুদ্দীন এই প্রতিবেদন পেশ করেন।
এরমধ্যে মে মাসে ৪৯, জুন মাসে ৪৪ এবং জুলাই মাসে ৪৩ জনের অপমৃত্যু হয়। একই সময়ে জেলায় আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে ৬৫টি। মে মাসে ২৬, জুন মাসে ২২ এবং ১৭ জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।
সাতক্ষীরা জেনারেল রেজিস্টার অফিস (জিআরও) অফিসের দেওয়া তথ্য মতে, তিন মাসে জেলার আটটি থানায় ৬৮৪টি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। অপরাধগুলোর মধ্যে ডাকাতি ১, ডাকাতির প্রস্তুতি ৩, দস্যুতা ৩, খুন ৯, দ্রুত বিচার আইনে ৫, ধর্ষণ ২১, বিভিন্নভাবে নারী নির্যাতন ৫০, শিশু নির্যাতন ৭, অপহরণ ৬, সিধেল চুরি ১১, গবাদিপশু চুরি ৩, গাড়িচুরি ৩, অন্যান্য চুরি ১৩, সড়ক দুর্ঘটনায় ৫টি মামলা, পর্নোগ্রাফি আইনে ৪টি, সাইবার নিরাপত্তা আইনে ৫টি, অস্ত্র আইনে ৩টি, চোরাচালান আইনে ১২টি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২৫১টি, চেতনানাশক খাতে ৪টি এবং অন্যান্য খাতে ৩৪২টি অপরাধে মামলা হযেছে। এর আগে তিন মাসে জেলায় ৬৩২টি অপরাধে মামলা হয়েছিল। মে মাসে জেলায় নারী, শিশু, মানবপাচার ও পিটিশন মিলে মোট বিচারাধীন মামলা ছিল ৪ হাজার ৩২১টি, জুন মাসে তা ৪ হাজার ৩২৭টিতে এবং জুলাই মাসে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৩৩৭টিতে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সোফিয়া হাসিন বলেন, ‘বিভিন্ন মানবাধিকার তথ্য অনুযায়ী রাজনৈতিক সহিংসতা, গণপিটুনি, সংখ্যালঘু নির্য়াতন অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার, এবং নারীর প্রতি সহিংসতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। ২০২৬ সালের এপিল মে জুন ৩ মাসে মবের মাধ্যমে ১৯৬টি ঘটনায় ৮৬ জন নিহত এবং ২৪৬ জন আহত হয়েছেন। একইভাবে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর উপর ধারাবাহিক হামলা এবং সহিংসতার ঘটনাও আমাদের গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলেছে। এ ক্ষেত্রে নেটওয়ার্ককে মানবাধিকার লঙ্ঘন মনিররিং, ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্ট করা, প্রতিবাদ সংগঠিত করতে হবে ‘
মানবাধিকার সংগঠন ‘উত্তরণ’ এর ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার নেটওয়ার্ক (ডিএইচআরএনএস) প্রকল্প থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, তিন মাসে সর্বাধিক ১৫টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে মে মাসে ৩টি, জুনে ৫টি এবং জুলাইয়ে ৭টি হত্যা মামলা নথিভুক্ত করা হয়। সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৬ জন (মে মাসে ৪ জন ও জুলাইয়ে ২ জন)। আত্মহত্যা ও মরদেহ উদ্ধার করা হয় ৯টি। এ ছাড়া বজ্রপাত ৮ জন এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন ৭ জন। পানিতে ডুবে ৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে, যার মধ্যে জুলাই মাসেই প্রাণ হারিয়েছেন ৫ জন। এ ছাড়া সাপের কামড়, ভীমরুলের আক্রমণ ও বিদেশে ড্রোন হামলায় মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। গাছ ও ছাদ থেকে পড়ে ৫ জন, কারাগারে ১ জন, পিলার ও দেয়াল চাপায় ১ জন এবং অস্বাভাবিকভাবে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
তথ্য বিবরণী বিশ্লেষণে দেখা যায়, জেলায় প্রতি মাসে গড়ে ২২টির বেশি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। এ নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও মানবাধিকারকর্মীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন এইচ আর ডি নেটওয়ার্কের সদস্য সচিব মুনিরুদ্দীন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিস্টিক্ট হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার নেটওয়ার্ক এর আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ।
প্রধান অতিথি হিসাবে ছিলেন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের সমন্বয়কারী সোফিয়া হাসিন। সভায় বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ পরিচালক নাজমুন নাহার, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের মনিটরিং অফিসার সাহিদ মাহফুজ, এইচ আর ডি নেটওয়ার্কের যুগ্ম আহবায়ক মাধব চন্দ্র দত্ত, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল হামিদ, অধ্যক্ষ পবিত্র মোহন সরকার, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যান ব্যানার্জী, ফরিদা আক্তার বিউটি ও সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

চলতি বছরের মে থেকে জুলাই পর্যন্ত এই তিন মাসে সাতক্ষীরা জেলায় ১৩৬ জনের অপমৃত্যু হয়েছে। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় উত্তরণ-ডিএইচআরএনএস প্রকল্পের আওতায় শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকালে ত্রৈমাসিক সভায় এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়। এমএসএফ-এর সেক্রেটারিয়েল সাপোর্ট স্টাফ অ্যাডভোকেট মুনিরুদ্দীন এই প্রতিবেদন পেশ করেন।
এরমধ্যে মে মাসে ৪৯, জুন মাসে ৪৪ এবং জুলাই মাসে ৪৩ জনের অপমৃত্যু হয়। একই সময়ে জেলায় আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে ৬৫টি। মে মাসে ২৬, জুন মাসে ২২ এবং ১৭ জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।
সাতক্ষীরা জেনারেল রেজিস্টার অফিস (জিআরও) অফিসের দেওয়া তথ্য মতে, তিন মাসে জেলার আটটি থানায় ৬৮৪টি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। অপরাধগুলোর মধ্যে ডাকাতি ১, ডাকাতির প্রস্তুতি ৩, দস্যুতা ৩, খুন ৯, দ্রুত বিচার আইনে ৫, ধর্ষণ ২১, বিভিন্নভাবে নারী নির্যাতন ৫০, শিশু নির্যাতন ৭, অপহরণ ৬, সিধেল চুরি ১১, গবাদিপশু চুরি ৩, গাড়িচুরি ৩, অন্যান্য চুরি ১৩, সড়ক দুর্ঘটনায় ৫টি মামলা, পর্নোগ্রাফি আইনে ৪টি, সাইবার নিরাপত্তা আইনে ৫টি, অস্ত্র আইনে ৩টি, চোরাচালান আইনে ১২টি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২৫১টি, চেতনানাশক খাতে ৪টি এবং অন্যান্য খাতে ৩৪২টি অপরাধে মামলা হযেছে। এর আগে তিন মাসে জেলায় ৬৩২টি অপরাধে মামলা হয়েছিল। মে মাসে জেলায় নারী, শিশু, মানবপাচার ও পিটিশন মিলে মোট বিচারাধীন মামলা ছিল ৪ হাজার ৩২১টি, জুন মাসে তা ৪ হাজার ৩২৭টিতে এবং জুলাই মাসে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৩৩৭টিতে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সোফিয়া হাসিন বলেন, ‘বিভিন্ন মানবাধিকার তথ্য অনুযায়ী রাজনৈতিক সহিংসতা, গণপিটুনি, সংখ্যালঘু নির্য়াতন অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার, এবং নারীর প্রতি সহিংসতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। ২০২৬ সালের এপিল মে জুন ৩ মাসে মবের মাধ্যমে ১৯৬টি ঘটনায় ৮৬ জন নিহত এবং ২৪৬ জন আহত হয়েছেন। একইভাবে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর উপর ধারাবাহিক হামলা এবং সহিংসতার ঘটনাও আমাদের গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলেছে। এ ক্ষেত্রে নেটওয়ার্ককে মানবাধিকার লঙ্ঘন মনিররিং, ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্ট করা, প্রতিবাদ সংগঠিত করতে হবে ‘
মানবাধিকার সংগঠন ‘উত্তরণ’ এর ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার নেটওয়ার্ক (ডিএইচআরএনএস) প্রকল্প থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, তিন মাসে সর্বাধিক ১৫টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে মে মাসে ৩টি, জুনে ৫টি এবং জুলাইয়ে ৭টি হত্যা মামলা নথিভুক্ত করা হয়। সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৬ জন (মে মাসে ৪ জন ও জুলাইয়ে ২ জন)। আত্মহত্যা ও মরদেহ উদ্ধার করা হয় ৯টি। এ ছাড়া বজ্রপাত ৮ জন এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন ৭ জন। পানিতে ডুবে ৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে, যার মধ্যে জুলাই মাসেই প্রাণ হারিয়েছেন ৫ জন। এ ছাড়া সাপের কামড়, ভীমরুলের আক্রমণ ও বিদেশে ড্রোন হামলায় মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। গাছ ও ছাদ থেকে পড়ে ৫ জন, কারাগারে ১ জন, পিলার ও দেয়াল চাপায় ১ জন এবং অস্বাভাবিকভাবে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
তথ্য বিবরণী বিশ্লেষণে দেখা যায়, জেলায় প্রতি মাসে গড়ে ২২টির বেশি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। এ নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও মানবাধিকারকর্মীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন এইচ আর ডি নেটওয়ার্কের সদস্য সচিব মুনিরুদ্দীন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিস্টিক্ট হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার নেটওয়ার্ক এর আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ।
প্রধান অতিথি হিসাবে ছিলেন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের সমন্বয়কারী সোফিয়া হাসিন। সভায় বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ পরিচালক নাজমুন নাহার, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের মনিটরিং অফিসার সাহিদ মাহফুজ, এইচ আর ডি নেটওয়ার্কের যুগ্ম আহবায়ক মাধব চন্দ্র দত্ত, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল হামিদ, অধ্যক্ষ পবিত্র মোহন সরকার, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যান ব্যানার্জী, ফরিদা আক্তার বিউটি ও সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

সাতক্ষীরায় তিন মাসে ১৩৬ জনের অপমৃত্যু
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা

চলতি বছরের মে থেকে জুলাই পর্যন্ত এই তিন মাসে সাতক্ষীরা জেলায় ১৩৬ জনের অপমৃত্যু হয়েছে। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় উত্তরণ-ডিএইচআরএনএস প্রকল্পের আওতায় শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকালে ত্রৈমাসিক সভায় এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়। এমএসএফ-এর সেক্রেটারিয়েল সাপোর্ট স্টাফ অ্যাডভোকেট মুনিরুদ্দীন এই প্রতিবেদন পেশ করেন।
এরমধ্যে মে মাসে ৪৯, জুন মাসে ৪৪ এবং জুলাই মাসে ৪৩ জনের অপমৃত্যু হয়। একই সময়ে জেলায় আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে ৬৫টি। মে মাসে ২৬, জুন মাসে ২২ এবং ১৭ জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।
সাতক্ষীরা জেনারেল রেজিস্টার অফিস (জিআরও) অফিসের দেওয়া তথ্য মতে, তিন মাসে জেলার আটটি থানায় ৬৮৪টি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। অপরাধগুলোর মধ্যে ডাকাতি ১, ডাকাতির প্রস্তুতি ৩, দস্যুতা ৩, খুন ৯, দ্রুত বিচার আইনে ৫, ধর্ষণ ২১, বিভিন্নভাবে নারী নির্যাতন ৫০, শিশু নির্যাতন ৭, অপহরণ ৬, সিধেল চুরি ১১, গবাদিপশু চুরি ৩, গাড়িচুরি ৩, অন্যান্য চুরি ১৩, সড়ক দুর্ঘটনায় ৫টি মামলা, পর্নোগ্রাফি আইনে ৪টি, সাইবার নিরাপত্তা আইনে ৫টি, অস্ত্র আইনে ৩টি, চোরাচালান আইনে ১২টি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২৫১টি, চেতনানাশক খাতে ৪টি এবং অন্যান্য খাতে ৩৪২টি অপরাধে মামলা হযেছে। এর আগে তিন মাসে জেলায় ৬৩২টি অপরাধে মামলা হয়েছিল। মে মাসে জেলায় নারী, শিশু, মানবপাচার ও পিটিশন মিলে মোট বিচারাধীন মামলা ছিল ৪ হাজার ৩২১টি, জুন মাসে তা ৪ হাজার ৩২৭টিতে এবং জুলাই মাসে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৩৩৭টিতে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সোফিয়া হাসিন বলেন, ‘বিভিন্ন মানবাধিকার তথ্য অনুযায়ী রাজনৈতিক সহিংসতা, গণপিটুনি, সংখ্যালঘু নির্য়াতন অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার, এবং নারীর প্রতি সহিংসতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। ২০২৬ সালের এপিল মে জুন ৩ মাসে মবের মাধ্যমে ১৯৬টি ঘটনায় ৮৬ জন নিহত এবং ২৪৬ জন আহত হয়েছেন। একইভাবে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর উপর ধারাবাহিক হামলা এবং সহিংসতার ঘটনাও আমাদের গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলেছে। এ ক্ষেত্রে নেটওয়ার্ককে মানবাধিকার লঙ্ঘন মনিররিং, ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্ট করা, প্রতিবাদ সংগঠিত করতে হবে ‘
মানবাধিকার সংগঠন ‘উত্তরণ’ এর ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার নেটওয়ার্ক (ডিএইচআরএনএস) প্রকল্প থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, তিন মাসে সর্বাধিক ১৫টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে মে মাসে ৩টি, জুনে ৫টি এবং জুলাইয়ে ৭টি হত্যা মামলা নথিভুক্ত করা হয়। সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৬ জন (মে মাসে ৪ জন ও জুলাইয়ে ২ জন)। আত্মহত্যা ও মরদেহ উদ্ধার করা হয় ৯টি। এ ছাড়া বজ্রপাত ৮ জন এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন ৭ জন। পানিতে ডুবে ৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে, যার মধ্যে জুলাই মাসেই প্রাণ হারিয়েছেন ৫ জন। এ ছাড়া সাপের কামড়, ভীমরুলের আক্রমণ ও বিদেশে ড্রোন হামলায় মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। গাছ ও ছাদ থেকে পড়ে ৫ জন, কারাগারে ১ জন, পিলার ও দেয়াল চাপায় ১ জন এবং অস্বাভাবিকভাবে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
তথ্য বিবরণী বিশ্লেষণে দেখা যায়, জেলায় প্রতি মাসে গড়ে ২২টির বেশি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। এ নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও মানবাধিকারকর্মীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন এইচ আর ডি নেটওয়ার্কের সদস্য সচিব মুনিরুদ্দীন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিস্টিক্ট হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার নেটওয়ার্ক এর আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ।
প্রধান অতিথি হিসাবে ছিলেন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের সমন্বয়কারী সোফিয়া হাসিন। সভায় বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ পরিচালক নাজমুন নাহার, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের মনিটরিং অফিসার সাহিদ মাহফুজ, এইচ আর ডি নেটওয়ার্কের যুগ্ম আহবায়ক মাধব চন্দ্র দত্ত, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল হামিদ, অধ্যক্ষ পবিত্র মোহন সরকার, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যান ব্যানার্জী, ফরিদা আক্তার বিউটি ও সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।









