শিরোনাম

বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে নাতি নিহত, পরে দাদার মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা
বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে নাতি নিহত, পরে দাদার মৃত্যু
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার ছত্রপাড়া গ্রামে সংঘর্ষে নিহত কিশোরের বাড়িতে মানুষের ভিড়। ছবি: সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বিএনপির দুই পক্ষের হামলা এক কিশোর নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন। ওই কিশোরকে রক্তাক্ত অবস্থা্য় দেখে তার দাদা অসুস্থ হয়ে মারা যান। গতকাল শনিবার দুপুরে আলমডাঙ্গার ডাউকি ইউনিয়নের ছত্রপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া দুইজন হলেন ছত্রপাড়া গ্রামের নাজিম উদ্দিন কাজী (৭৫) ও তার নাতি নাজিম উদ্দিন কাজী (৭৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল দুপুরে ছত্রপাড়া গ্রামে ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি লাল খানের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে আব্দুল হান্নান পক্ষের কুবীর কাজী (৫০) ও শিমুল কাজী (১৭) এবং প্রতিপক্ষের নেতা লাল খান (৪৫) আহত হন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কুবীর ও শিমুলের হাত-পা, মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ এবং লাল খান জখম হয়।

রক্তাক্ত কুবীর কাজী ও শিমুল কাজীকে দেখে নাজিম উদ্দিন কাজী (৭৫) দুপুরেই ঘটনাস্থলে অসুস্থ হয়ে মারা যান। কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যার দিকে শিমুল কাজী মারা যান। মৃত নাজিম উদ্দিন হামলায় নিহত শিমুল কাজীর দাদা।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার ছত্রপাড়া গ্রামে অনেক খাসজমি আছে। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, সেই দলের স্থানীয় নেতারা এসব জমির নিয়ন্ত্রণসহ এলাকায় নানাভাবে আধিপত্য বিস্তার করে থাকেন। খাসজমির নিয়ন্ত্রণসহ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরে ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ আব্দুল হান্নান ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. লাল খানের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

ডাউকি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দার হোসেন বলেন, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াতদলীয় সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজের (রাসেল) বাড়ি ছত্রপাড়া গ্রামে। শনিবার দুপুরে তাঁর বাড়িতে অনুষ্ঠান ছিল। গ্রামের অনেকেই বিষয়টি নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন।

/বিবি/