কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিনেও অচল চট্টগ্রাম বন্দর

কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিনেও অচল চট্টগ্রাম বন্দর

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি পালন করছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। এতে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া কর্মবিরতির কারণে বন্দরের বিভিন্ন জেটিতে জাহাজ থেকে পণ্য ও কনটেইনার ওঠানো-নামানো বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে পণ্য ডেলিভারির জন্য কভার্ড ভ্যান, লরি ও ট্রেলারসহ কোনো যানবাহন বন্দরে প্রবেশ করতে পারছে না।
এনসিটি পরিচালনার ভার ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল শনি ও রবিবার প্রতিদিন আট ঘণ্টা করে কর্মবিরতির ডাক দেয়। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) প্রথম দিনের কর্মবিরতিতেও বন্দর কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল।
প্রথম দিন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ব্যানারে কর্মসূচি পালন করা হলেও পরে জানানো হয়, আন্দোলন চলবে ‘বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’-এর নামে।
সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ও শ্রমিকদল নেতা হুমায়ুন কবির বলেন, সকাল থেকে বিভিন্ন জেটি ঘুরে দেখেছি। কোথাও কোনো শ্রমিক কাজ করছেন না। কোনো জাহাজে পণ্য বা কনটেইনার ওঠা-নামা হচ্ছে না। বন্দরের ভেতরে কোনো গাড়িও ঢুকছে না। শ্রমিক-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মসূচি পালন করছেন। বিকেল চারটা পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে। এরপর পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের বার্থ অপারেটর ফজলে একরাম চৌধুরী বলেন, আজও জেটিতে কাজ করার জন্য শ্রমিক বুকিং দেওয়া সম্ভব হয়নি। পণ্য ওঠানামার কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
শনিবারের কর্মবিরতির পর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আন্দোলনকারী চারজনকে তাৎক্ষণিকভাবে বদলি করে। পাশাপাশি এক দিনের কর্মবিরতিতে রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে ছয় সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
এদিকে আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রাম বন্দর ও আশপাশের এলাকায় শনিবার রাত ১২টা থেকে পরবর্তী এক মাসের জন্য সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ।
হুমায়ুন কবির বলেন, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সে কারণে কোনো মিছিল বা সমাবেশ করছি না। শ্রমিক-কর্মচারীরা বন্দরের সব ধরনের কাজ থেকে বিরত আছেন। কর্মবিরতি শেষে বিকেলে আমরা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করব।

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি পালন করছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। এতে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া কর্মবিরতির কারণে বন্দরের বিভিন্ন জেটিতে জাহাজ থেকে পণ্য ও কনটেইনার ওঠানো-নামানো বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে পণ্য ডেলিভারির জন্য কভার্ড ভ্যান, লরি ও ট্রেলারসহ কোনো যানবাহন বন্দরে প্রবেশ করতে পারছে না।
এনসিটি পরিচালনার ভার ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল শনি ও রবিবার প্রতিদিন আট ঘণ্টা করে কর্মবিরতির ডাক দেয়। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) প্রথম দিনের কর্মবিরতিতেও বন্দর কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল।
প্রথম দিন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ব্যানারে কর্মসূচি পালন করা হলেও পরে জানানো হয়, আন্দোলন চলবে ‘বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’-এর নামে।
সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ও শ্রমিকদল নেতা হুমায়ুন কবির বলেন, সকাল থেকে বিভিন্ন জেটি ঘুরে দেখেছি। কোথাও কোনো শ্রমিক কাজ করছেন না। কোনো জাহাজে পণ্য বা কনটেইনার ওঠা-নামা হচ্ছে না। বন্দরের ভেতরে কোনো গাড়িও ঢুকছে না। শ্রমিক-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মসূচি পালন করছেন। বিকেল চারটা পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে। এরপর পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের বার্থ অপারেটর ফজলে একরাম চৌধুরী বলেন, আজও জেটিতে কাজ করার জন্য শ্রমিক বুকিং দেওয়া সম্ভব হয়নি। পণ্য ওঠানামার কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
শনিবারের কর্মবিরতির পর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আন্দোলনকারী চারজনকে তাৎক্ষণিকভাবে বদলি করে। পাশাপাশি এক দিনের কর্মবিরতিতে রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে ছয় সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
এদিকে আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রাম বন্দর ও আশপাশের এলাকায় শনিবার রাত ১২টা থেকে পরবর্তী এক মাসের জন্য সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ।
হুমায়ুন কবির বলেন, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সে কারণে কোনো মিছিল বা সমাবেশ করছি না। শ্রমিক-কর্মচারীরা বন্দরের সব ধরনের কাজ থেকে বিরত আছেন। কর্মবিরতি শেষে বিকেলে আমরা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করব।

কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিনেও অচল চট্টগ্রাম বন্দর

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি পালন করছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। এতে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া কর্মবিরতির কারণে বন্দরের বিভিন্ন জেটিতে জাহাজ থেকে পণ্য ও কনটেইনার ওঠানো-নামানো বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে পণ্য ডেলিভারির জন্য কভার্ড ভ্যান, লরি ও ট্রেলারসহ কোনো যানবাহন বন্দরে প্রবেশ করতে পারছে না।
এনসিটি পরিচালনার ভার ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল শনি ও রবিবার প্রতিদিন আট ঘণ্টা করে কর্মবিরতির ডাক দেয়। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) প্রথম দিনের কর্মবিরতিতেও বন্দর কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল।
প্রথম দিন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ব্যানারে কর্মসূচি পালন করা হলেও পরে জানানো হয়, আন্দোলন চলবে ‘বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’-এর নামে।
সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ও শ্রমিকদল নেতা হুমায়ুন কবির বলেন, সকাল থেকে বিভিন্ন জেটি ঘুরে দেখেছি। কোথাও কোনো শ্রমিক কাজ করছেন না। কোনো জাহাজে পণ্য বা কনটেইনার ওঠা-নামা হচ্ছে না। বন্দরের ভেতরে কোনো গাড়িও ঢুকছে না। শ্রমিক-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মসূচি পালন করছেন। বিকেল চারটা পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে। এরপর পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের বার্থ অপারেটর ফজলে একরাম চৌধুরী বলেন, আজও জেটিতে কাজ করার জন্য শ্রমিক বুকিং দেওয়া সম্ভব হয়নি। পণ্য ওঠানামার কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
শনিবারের কর্মবিরতির পর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আন্দোলনকারী চারজনকে তাৎক্ষণিকভাবে বদলি করে। পাশাপাশি এক দিনের কর্মবিরতিতে রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে ছয় সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
এদিকে আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রাম বন্দর ও আশপাশের এলাকায় শনিবার রাত ১২টা থেকে পরবর্তী এক মাসের জন্য সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ।
হুমায়ুন কবির বলেন, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সে কারণে কোনো মিছিল বা সমাবেশ করছি না। শ্রমিক-কর্মচারীরা বন্দরের সব ধরনের কাজ থেকে বিরত আছেন। কর্মবিরতি শেষে বিকেলে আমরা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করব।




