হাসনাতের বক্তব্য ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি

হাসনাতের বক্তব্য ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা
-CznNewsLab-86b10d.jpg)
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর দেওয়া একটি বক্তব্যের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন কওমি মাদ্রাসার একদল শিক্ষার্থী। এ সময় তারা হাসনাতকে ওই বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের জামিয়া ইউনূছিয়া মাদ্রাসা থেকে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এতে কয়েক শ’ শিক্ষার্থী অংশ নেন।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকালে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে এক সম্পূরক প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান-বাজনা ও নৌকাবাইচ কেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অথচ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে সাংস্কৃতিক জেলা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সেখানে গান-বাজনা ও সিনেমা বন্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে খুন, ধর্ষণ, পুলিশের ওপর হামলা ও নারী নির্যাতনের তথ্য তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কার্যকর ভূমিকা রাখতে পেরেছেন কি না জানতে চান এনসিপির এই নেতা।
তার এই বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। বিশেষ করে গান-বাদ্য ও সিনেমা প্রসঙ্গে তার মন্তব্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ও আপত্তি দেখা দিয়েছে।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে মধ্যরাতে জেলা শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কওমি ছাত্র ঐক্য। এ সময় বক্তারা জেলার সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।
সমাবেশে নেতাকর্মীরা বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে বিভিন্ন ঘটনায় যেভাবে হুজুরদের দোষারোপ করা হতো, সেই সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি ঘটছে।
তারা বলেন, নৌকাবাইচ বন্ধের ঘটনায় সংসদে হাসনাত আব্দুল্লাহ যেভাবে তাওহিদি জনতাকে দোষারোপ করেছেন, সেটি গ্রহণযোগ্য নয়।
এ সময় তারা হাসনাত আব্দুল্লাহকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া এনসিপির কর্মসূচি বয়কট ও প্রতিহত করা হবে বলে ঘোষণা দেন।
প্রসঙ্গত, শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকাল ৪টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিল্পকলা একাডেমিতে এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালা রয়েছে। এতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের প্রতিবাদে মাদ্রাসার ছাত্ররা বিক্ষোভ মিছিল করেছে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। তবে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে জানান তিনি।
-CznNewsLab-86b10d.jpg)
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর দেওয়া একটি বক্তব্যের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন কওমি মাদ্রাসার একদল শিক্ষার্থী। এ সময় তারা হাসনাতকে ওই বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের জামিয়া ইউনূছিয়া মাদ্রাসা থেকে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এতে কয়েক শ’ শিক্ষার্থী অংশ নেন।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকালে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে এক সম্পূরক প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান-বাজনা ও নৌকাবাইচ কেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অথচ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে সাংস্কৃতিক জেলা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সেখানে গান-বাজনা ও সিনেমা বন্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে খুন, ধর্ষণ, পুলিশের ওপর হামলা ও নারী নির্যাতনের তথ্য তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কার্যকর ভূমিকা রাখতে পেরেছেন কি না জানতে চান এনসিপির এই নেতা।
তার এই বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। বিশেষ করে গান-বাদ্য ও সিনেমা প্রসঙ্গে তার মন্তব্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ও আপত্তি দেখা দিয়েছে।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে মধ্যরাতে জেলা শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কওমি ছাত্র ঐক্য। এ সময় বক্তারা জেলার সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।
সমাবেশে নেতাকর্মীরা বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে বিভিন্ন ঘটনায় যেভাবে হুজুরদের দোষারোপ করা হতো, সেই সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি ঘটছে।
তারা বলেন, নৌকাবাইচ বন্ধের ঘটনায় সংসদে হাসনাত আব্দুল্লাহ যেভাবে তাওহিদি জনতাকে দোষারোপ করেছেন, সেটি গ্রহণযোগ্য নয়।
এ সময় তারা হাসনাত আব্দুল্লাহকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া এনসিপির কর্মসূচি বয়কট ও প্রতিহত করা হবে বলে ঘোষণা দেন।
প্রসঙ্গত, শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকাল ৪টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিল্পকলা একাডেমিতে এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালা রয়েছে। এতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের প্রতিবাদে মাদ্রাসার ছাত্ররা বিক্ষোভ মিছিল করেছে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। তবে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে জানান তিনি।

হাসনাতের বক্তব্য ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা
-CznNewsLab-86b10d.jpg)
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর দেওয়া একটি বক্তব্যের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন কওমি মাদ্রাসার একদল শিক্ষার্থী। এ সময় তারা হাসনাতকে ওই বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের জামিয়া ইউনূছিয়া মাদ্রাসা থেকে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এতে কয়েক শ’ শিক্ষার্থী অংশ নেন।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকালে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে এক সম্পূরক প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান-বাজনা ও নৌকাবাইচ কেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অথচ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে সাংস্কৃতিক জেলা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সেখানে গান-বাজনা ও সিনেমা বন্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে খুন, ধর্ষণ, পুলিশের ওপর হামলা ও নারী নির্যাতনের তথ্য তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কার্যকর ভূমিকা রাখতে পেরেছেন কি না জানতে চান এনসিপির এই নেতা।
তার এই বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। বিশেষ করে গান-বাদ্য ও সিনেমা প্রসঙ্গে তার মন্তব্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ও আপত্তি দেখা দিয়েছে।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে মধ্যরাতে জেলা শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কওমি ছাত্র ঐক্য। এ সময় বক্তারা জেলার সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।
সমাবেশে নেতাকর্মীরা বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে বিভিন্ন ঘটনায় যেভাবে হুজুরদের দোষারোপ করা হতো, সেই সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি ঘটছে।
তারা বলেন, নৌকাবাইচ বন্ধের ঘটনায় সংসদে হাসনাত আব্দুল্লাহ যেভাবে তাওহিদি জনতাকে দোষারোপ করেছেন, সেটি গ্রহণযোগ্য নয়।
এ সময় তারা হাসনাত আব্দুল্লাহকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া এনসিপির কর্মসূচি বয়কট ও প্রতিহত করা হবে বলে ঘোষণা দেন।
প্রসঙ্গত, শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকাল ৪টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিল্পকলা একাডেমিতে এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালা রয়েছে। এতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের প্রতিবাদে মাদ্রাসার ছাত্ররা বিক্ষোভ মিছিল করেছে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। তবে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে জানান তিনি।

এনসিপিকে সমর্থন দিন, প্রতারণা করব না: হাসনাত আবদুল্লাহ





