শিরোনাম

এনসিপিকে সমর্থন দিন, প্রতারণা করব না: হাসনাত আবদুল্লাহ

সিজেডএন  ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
এনসিপিকে সমর্থন দিন, প্রতারণা করব না: হাসনাত আবদুল্লাহ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলার পরিবর্তে বিভিন্ন কার্ডভিত্তিক কর্মসূচির মাধ্যমে বেকারত্বকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। তিনি জনগণের প্রতি এনসিপিকে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা প্রতারণা করব না।’

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আয়োজিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ শেষে পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী শাহজান কবীর।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘দেশকে এগিয়ে নিতে এনসিপি নামের এই চারাগাছকে একটি শক্তিশালী বৃক্ষে পরিণত করতে হবে। সে জন্য জনগণের সমর্থন প্রয়োজন। আমরা মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করব না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের জন্য ভারত নেই, ইংল্যান্ড নেই। আমাদের এত অর্থও নেই যে প্রয়োজনে আমেরিকায় চলে যাব। তাই জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করলে শেষ পর্যন্ত এই দেশেই তার জবাব দিতে হবে। আমাদের আপনাদের সঙ্গেই থাকতে হবে।’

ভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘দেশের মালিক জনগণ। কিন্তু ভোট বিক্রি করলে মানুষ নিজেরাই গোলামির শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়ে পড়ে। এরপর পাঁচ বছর সেই সিদ্ধান্তের বোঝা বহন করতে হয়। এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। জনগণ সচেতনভাবে ভোট দিলে জনপ্রতিনিধিরাও পাঁচ বছর জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে বাধ্য হবেন।’

রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘রাজপথের আন্দোলনে নারীদের ব্যবহার করা হলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে তাঁদের যথাযথ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয় না। অথচ দেশের ৫১ শতাংশ জনগোষ্ঠী নারী। তাঁদের অংশগ্রহণ ছাড়া একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়।’

পথসভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য মাহমুদা আলম মিতু, কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল হক এবং যশোর জেলা সমন্বয়কারী মো. নুরুজ্জামানসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

/এমআর/