বরিশালের ছয় আসনেই ধানের শীষের জয়

বরিশালের ছয় আসনেই ধানের শীষের জয়
বরিশাল সংবাদদাতা

বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৩টার দিকে জেলার ছয়টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন।
বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে মোট ১২৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৪৬ হাজার ২৬৩ ভোট। ফলে ৫৪ হাজার ২৮৯ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জহির উদ্দিন স্বপন।
এ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ২০৮টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৭৩ হাজার ৯৮৯টি।
বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে মোট ১৪০টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৬২২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আবদুল মন্নান পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৮২ ভোট। ৬৭ হাজার ৫৪০ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন সান্টু।
গণভোটে এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ২৭৮টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৮০ হাজার ৯৬৬টি।
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে মোট ১২৬টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন পেয়েছেন ৮০ হাজার ৯৩০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট মনোনীত ঈগল প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া পেয়েছেন ৬১ হাজার ১৯২ ভোট। ১৮ হাজার ৭৩৮ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জয়নুল আবেদীন।
গণভোটে এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৩০৫টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৪০ হাজার ৬৩৬টি।
বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনে মোট ১৪৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. রাজিব আহসান পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৩২২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুল জব্বার পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৬৮৪ ভোট। ৫৩ হাজার ৬৩৮ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন রাজিব আহসান।
গণভোটে এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯০০টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৬৪ হাজার ৫১১টি।
বরিশাল-৫ (সদর ও মহানগর) আসনে মোট ১৭৬টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করীম পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৪৪ ভোট। ৪০ হাজার ১০২ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন সরোয়ার।
গণভোটে এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৮৭টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৬৯ হাজার ৩৯৪টি।
বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে মোট ১১৩টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আসনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবুল হোসেন খান পেয়েছেন ৮২ হাজার ২১৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো. মাহমুদুন্নবী পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৯৮৮ ভোট। ২৬ হাজার ২২৯ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন আবুল হোসেন খান।
গণভোটে এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৭৪টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৪১ হাজার ৭০০টি।
বরিশাল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন ফলাফল প্রকাশে সামান্য বিলম্ব হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, জেলার ছয়টি আসন থেকে ফলাফল সংগ্রহের পর চূড়ান্ত বার্তা প্রস্তুত করতে কিছুটা সময় লেগেছে।
তিনি আরও বলেন, বরিশালে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। জেলার ছয়টি আসনেই সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৩টার দিকে জেলার ছয়টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন।
বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে মোট ১২৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৪৬ হাজার ২৬৩ ভোট। ফলে ৫৪ হাজার ২৮৯ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জহির উদ্দিন স্বপন।
এ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ২০৮টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৭৩ হাজার ৯৮৯টি।
বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে মোট ১৪০টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৬২২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আবদুল মন্নান পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৮২ ভোট। ৬৭ হাজার ৫৪০ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন সান্টু।
গণভোটে এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ২৭৮টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৮০ হাজার ৯৬৬টি।
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে মোট ১২৬টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন পেয়েছেন ৮০ হাজার ৯৩০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট মনোনীত ঈগল প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া পেয়েছেন ৬১ হাজার ১৯২ ভোট। ১৮ হাজার ৭৩৮ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জয়নুল আবেদীন।
গণভোটে এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৩০৫টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৪০ হাজার ৬৩৬টি।
বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনে মোট ১৪৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. রাজিব আহসান পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৩২২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুল জব্বার পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৬৮৪ ভোট। ৫৩ হাজার ৬৩৮ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন রাজিব আহসান।
গণভোটে এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯০০টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৬৪ হাজার ৫১১টি।
বরিশাল-৫ (সদর ও মহানগর) আসনে মোট ১৭৬টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করীম পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৪৪ ভোট। ৪০ হাজার ১০২ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন সরোয়ার।
গণভোটে এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৮৭টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৬৯ হাজার ৩৯৪টি।
বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে মোট ১১৩টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আসনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবুল হোসেন খান পেয়েছেন ৮২ হাজার ২১৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো. মাহমুদুন্নবী পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৯৮৮ ভোট। ২৬ হাজার ২২৯ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন আবুল হোসেন খান।
গণভোটে এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৭৪টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৪১ হাজার ৭০০টি।
বরিশাল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন ফলাফল প্রকাশে সামান্য বিলম্ব হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, জেলার ছয়টি আসন থেকে ফলাফল সংগ্রহের পর চূড়ান্ত বার্তা প্রস্তুত করতে কিছুটা সময় লেগেছে।
তিনি আরও বলেন, বরিশালে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। জেলার ছয়টি আসনেই সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বরিশালের ছয় আসনেই ধানের শীষের জয়
বরিশাল সংবাদদাতা

বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৩টার দিকে জেলার ছয়টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন।
বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে মোট ১২৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৪৬ হাজার ২৬৩ ভোট। ফলে ৫৪ হাজার ২৮৯ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জহির উদ্দিন স্বপন।
এ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ২০৮টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৭৩ হাজার ৯৮৯টি।
বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে মোট ১৪০টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৬২২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আবদুল মন্নান পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৮২ ভোট। ৬৭ হাজার ৫৪০ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন সান্টু।
গণভোটে এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ২৭৮টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৮০ হাজার ৯৬৬টি।
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে মোট ১২৬টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন পেয়েছেন ৮০ হাজার ৯৩০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট মনোনীত ঈগল প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া পেয়েছেন ৬১ হাজার ১৯২ ভোট। ১৮ হাজার ৭৩৮ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জয়নুল আবেদীন।
গণভোটে এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৩০৫টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৪০ হাজার ৬৩৬টি।
বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনে মোট ১৪৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. রাজিব আহসান পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৩২২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুল জব্বার পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৬৮৪ ভোট। ৫৩ হাজার ৬৩৮ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন রাজিব আহসান।
গণভোটে এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯০০টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৬৪ হাজার ৫১১টি।
বরিশাল-৫ (সদর ও মহানগর) আসনে মোট ১৭৬টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করীম পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৪৪ ভোট। ৪০ হাজার ১০২ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন সরোয়ার।
গণভোটে এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৮৭টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৬৯ হাজার ৩৯৪টি।
বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে মোট ১১৩টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আসনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবুল হোসেন খান পেয়েছেন ৮২ হাজার ২১৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো. মাহমুদুন্নবী পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৯৮৮ ভোট। ২৬ হাজার ২২৯ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন আবুল হোসেন খান।
গণভোটে এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৭৪টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৪১ হাজার ৭০০টি।
বরিশাল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন ফলাফল প্রকাশে সামান্য বিলম্ব হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, জেলার ছয়টি আসন থেকে ফলাফল সংগ্রহের পর চূড়ান্ত বার্তা প্রস্তুত করতে কিছুটা সময় লেগেছে।
তিনি আরও বলেন, বরিশালে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। জেলার ছয়টি আসনেই সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।




