বরিশালের ৫ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

বরিশালের ৫ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে
বরিশাল সংবাদদাতা

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে বরিশাল বিভাগের ৫ নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অস্বাভাবিক জোয়ারে উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সেই সঙ্গে লঞ্চ ও ফেরিঘাটের পন্টুন পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে সাধারণ মানুষের জনদুর্ভোগ বাড়ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যার জোয়ারে বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার, ভোলার তেঁতুলিয়া নদীর খেয়াঘাট পয়েন্টে ২৬ সেন্টিমিটার, দৌলতখান পয়েন্টে মেঘনা নদীর পানি ৪৭ সেন্টিমিটার এবং তজুমদ্দিন পয়েন্টে ১ দশমিক ২৭ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এ ছাড়া ঝালকাঠির বিষখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার, বরগুনার পাথরঘাটা পয়েন্টে ৩০ সেন্টিমিটার, বরগুনা সদর পয়েন্টে ২৭ সেন্টিমিটার, পিরোজপুরে বলেশ্বর নদে ২২ সেন্টিমিটার এবং বরগুনার আমতলী পয়েন্টে পায়রা নদের পানি ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরের জোয়ারেও একই চিত্র দেখা যায়। জোয়ারের সঙ্গে নদীগুলো আবারও ফুঁসে ওঠে।
বরগুনার পায়রা নদের আমতলী-বরগুনা ফেরিঘাট এবং বিষখালী নদীর বরইতলা-বাইনচটকি ফেরিঘাটের উভয় প্রান্তে গ্যাংওয়ে (চলাচলের পথ) কোমরসমান পানিতে তলিয়ে গেছে। এ কারণে ফেরি পারাপারেও চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো যাত্রী।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বাঁধের বাইরে বসবাসকারী অসংখ্য পরিবারের ঘরবাড়িতে হাঁটুসমান পানি ঢুকে পড়েছে।
চরবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাহিদুল আলম বলেন, কীর্তনখোলা নদীর তীরে ভাঙারপাড় পর্যটন এলাকায় শতাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। তিন দিন ধরে অস্বাভাবিক জোয়ারে দোকানপাটে পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম বলেন, চলতি মৌসুমে এবারই প্রথম একসঙ্গে এতগুলো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। পানি বাড়ায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাটে। প্রবল জোয়ারে ঘাটের সব পন্টুন তলিয়ে গেছে। যাত্রীদের অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চে ওঠানামা করতে হচ্ছে।
ভোলা নদীবন্দরের কর্মকর্তা নির্মল কুমার রায় বলেন, গতকাল শুক্রবার বিকালের শেষ জোয়ারে পানি বিপৎসীমার অনেক ওপরে উঠে যাওয়ায় ঘাটের সব পন্টুন তলিয়ে যায়। এতে প্রতিদিন চলাচলকারী প্রায় ৩০টি লঞ্চের আনুমানিক ৫০ হাজার যাত্রী দুর্ভোগে পড়ছেন। কয়েক দিন ধরেই এই পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে বরিশাল বিভাগের ৫ নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অস্বাভাবিক জোয়ারে উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সেই সঙ্গে লঞ্চ ও ফেরিঘাটের পন্টুন পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে সাধারণ মানুষের জনদুর্ভোগ বাড়ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যার জোয়ারে বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার, ভোলার তেঁতুলিয়া নদীর খেয়াঘাট পয়েন্টে ২৬ সেন্টিমিটার, দৌলতখান পয়েন্টে মেঘনা নদীর পানি ৪৭ সেন্টিমিটার এবং তজুমদ্দিন পয়েন্টে ১ দশমিক ২৭ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এ ছাড়া ঝালকাঠির বিষখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার, বরগুনার পাথরঘাটা পয়েন্টে ৩০ সেন্টিমিটার, বরগুনা সদর পয়েন্টে ২৭ সেন্টিমিটার, পিরোজপুরে বলেশ্বর নদে ২২ সেন্টিমিটার এবং বরগুনার আমতলী পয়েন্টে পায়রা নদের পানি ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরের জোয়ারেও একই চিত্র দেখা যায়। জোয়ারের সঙ্গে নদীগুলো আবারও ফুঁসে ওঠে।
বরগুনার পায়রা নদের আমতলী-বরগুনা ফেরিঘাট এবং বিষখালী নদীর বরইতলা-বাইনচটকি ফেরিঘাটের উভয় প্রান্তে গ্যাংওয়ে (চলাচলের পথ) কোমরসমান পানিতে তলিয়ে গেছে। এ কারণে ফেরি পারাপারেও চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো যাত্রী।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বাঁধের বাইরে বসবাসকারী অসংখ্য পরিবারের ঘরবাড়িতে হাঁটুসমান পানি ঢুকে পড়েছে।
চরবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাহিদুল আলম বলেন, কীর্তনখোলা নদীর তীরে ভাঙারপাড় পর্যটন এলাকায় শতাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। তিন দিন ধরে অস্বাভাবিক জোয়ারে দোকানপাটে পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম বলেন, চলতি মৌসুমে এবারই প্রথম একসঙ্গে এতগুলো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। পানি বাড়ায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাটে। প্রবল জোয়ারে ঘাটের সব পন্টুন তলিয়ে গেছে। যাত্রীদের অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চে ওঠানামা করতে হচ্ছে।
ভোলা নদীবন্দরের কর্মকর্তা নির্মল কুমার রায় বলেন, গতকাল শুক্রবার বিকালের শেষ জোয়ারে পানি বিপৎসীমার অনেক ওপরে উঠে যাওয়ায় ঘাটের সব পন্টুন তলিয়ে যায়। এতে প্রতিদিন চলাচলকারী প্রায় ৩০টি লঞ্চের আনুমানিক ৫০ হাজার যাত্রী দুর্ভোগে পড়ছেন। কয়েক দিন ধরেই এই পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে।

বরিশালের ৫ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে
বরিশাল সংবাদদাতা

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে বরিশাল বিভাগের ৫ নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অস্বাভাবিক জোয়ারে উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সেই সঙ্গে লঞ্চ ও ফেরিঘাটের পন্টুন পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে সাধারণ মানুষের জনদুর্ভোগ বাড়ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যার জোয়ারে বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার, ভোলার তেঁতুলিয়া নদীর খেয়াঘাট পয়েন্টে ২৬ সেন্টিমিটার, দৌলতখান পয়েন্টে মেঘনা নদীর পানি ৪৭ সেন্টিমিটার এবং তজুমদ্দিন পয়েন্টে ১ দশমিক ২৭ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এ ছাড়া ঝালকাঠির বিষখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার, বরগুনার পাথরঘাটা পয়েন্টে ৩০ সেন্টিমিটার, বরগুনা সদর পয়েন্টে ২৭ সেন্টিমিটার, পিরোজপুরে বলেশ্বর নদে ২২ সেন্টিমিটার এবং বরগুনার আমতলী পয়েন্টে পায়রা নদের পানি ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরের জোয়ারেও একই চিত্র দেখা যায়। জোয়ারের সঙ্গে নদীগুলো আবারও ফুঁসে ওঠে।
বরগুনার পায়রা নদের আমতলী-বরগুনা ফেরিঘাট এবং বিষখালী নদীর বরইতলা-বাইনচটকি ফেরিঘাটের উভয় প্রান্তে গ্যাংওয়ে (চলাচলের পথ) কোমরসমান পানিতে তলিয়ে গেছে। এ কারণে ফেরি পারাপারেও চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো যাত্রী।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বাঁধের বাইরে বসবাসকারী অসংখ্য পরিবারের ঘরবাড়িতে হাঁটুসমান পানি ঢুকে পড়েছে।
চরবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাহিদুল আলম বলেন, কীর্তনখোলা নদীর তীরে ভাঙারপাড় পর্যটন এলাকায় শতাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। তিন দিন ধরে অস্বাভাবিক জোয়ারে দোকানপাটে পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম বলেন, চলতি মৌসুমে এবারই প্রথম একসঙ্গে এতগুলো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। পানি বাড়ায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাটে। প্রবল জোয়ারে ঘাটের সব পন্টুন তলিয়ে গেছে। যাত্রীদের অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চে ওঠানামা করতে হচ্ছে।
ভোলা নদীবন্দরের কর্মকর্তা নির্মল কুমার রায় বলেন, গতকাল শুক্রবার বিকালের শেষ জোয়ারে পানি বিপৎসীমার অনেক ওপরে উঠে যাওয়ায় ঘাটের সব পন্টুন তলিয়ে যায়। এতে প্রতিদিন চলাচলকারী প্রায় ৩০টি লঞ্চের আনুমানিক ৫০ হাজার যাত্রী দুর্ভোগে পড়ছেন। কয়েক দিন ধরেই এই পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে।









