জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে আলোচনায়, কে এই আবু তৈয়ব

জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে আলোচনায়, কে এই আবু তৈয়ব
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সংগ্রহশালায় প্রদর্শিত পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে দেশজুড়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী আবু তৈয়ব মো. হাবিলদার।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এরপর অনেকের মনে প্রশ্ন উঠেছে- কে এই আবু তৈয়ব এবং কী কারণে তিনি জিন্নাহর ছবির বিরুদ্ধে এমন ক্ষোভ প্রকাশ করলেন?
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আবু তৈয়ব ২০০১-০২ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগে ভর্তি হন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো স্নাতক শেষ করতে পারেননি। বর্তমানে তিনি বিভাগের চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়ন করছেন।
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ছাত্রত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আবেদন করেন আবু তৈয়ব। প্রশাসন তার আবেদন মঞ্জুর করলে তিনি আবার পড়াশোনা শুরু করেন। পরে ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আলোচনায় আসেন।
নির্বাচনে অংশ নেওয়া ভিপি প্রার্থীদের মধ্যে তিনি ছিলেন সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ। তবে ভোটের মাঠে তেমন সাড়া পাননি। তার প্রাপ্ত ভোট ছিল মাত্র ১০টি।
এ সময় সাংবাদিকদের আবু তৈয়ব বলেন, ‘যে জিন্নাহ আমাদের মাতৃভাষার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত দিয়েছিল, যে জিন্নাহ ১৯৪৮ এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে ছাত্র-ছাত্রীদের গ্রেপ্তার করেছিল, সেই জিন্নাহ ডাকসুতে স্থান পেতে পারে না। এই ডাকসুতে, এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, এই বাংলাদেশে জিন্নাহর মতো কোনো ভিলেন, গোলাম আজম, নিজামীর মতো কোনো ভিলেন আমাদের নায়ক হতে পারে না, নায়ক হতে দেব না।’
এর আগে, গতকাল রবিবার ডাকসুর সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি টাঙানো হয়। সংসদের মুক্তিযুদ্ধ ও গণআন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা দুপুরে ডাকসু ভবনের নিচতলায় সংস্কার করা এ সংগ্রহশালার উদ্বোধন করেন। এ সময় ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদসহ অন্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
তবে ছবিটি স্থাপনের পর থেকেই এটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সংগ্রহশালায় প্রদর্শিত পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে দেশজুড়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী আবু তৈয়ব মো. হাবিলদার।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এরপর অনেকের মনে প্রশ্ন উঠেছে- কে এই আবু তৈয়ব এবং কী কারণে তিনি জিন্নাহর ছবির বিরুদ্ধে এমন ক্ষোভ প্রকাশ করলেন?
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আবু তৈয়ব ২০০১-০২ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগে ভর্তি হন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো স্নাতক শেষ করতে পারেননি। বর্তমানে তিনি বিভাগের চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়ন করছেন।
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ছাত্রত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আবেদন করেন আবু তৈয়ব। প্রশাসন তার আবেদন মঞ্জুর করলে তিনি আবার পড়াশোনা শুরু করেন। পরে ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আলোচনায় আসেন।
নির্বাচনে অংশ নেওয়া ভিপি প্রার্থীদের মধ্যে তিনি ছিলেন সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ। তবে ভোটের মাঠে তেমন সাড়া পাননি। তার প্রাপ্ত ভোট ছিল মাত্র ১০টি।
এ সময় সাংবাদিকদের আবু তৈয়ব বলেন, ‘যে জিন্নাহ আমাদের মাতৃভাষার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত দিয়েছিল, যে জিন্নাহ ১৯৪৮ এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে ছাত্র-ছাত্রীদের গ্রেপ্তার করেছিল, সেই জিন্নাহ ডাকসুতে স্থান পেতে পারে না। এই ডাকসুতে, এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, এই বাংলাদেশে জিন্নাহর মতো কোনো ভিলেন, গোলাম আজম, নিজামীর মতো কোনো ভিলেন আমাদের নায়ক হতে পারে না, নায়ক হতে দেব না।’
এর আগে, গতকাল রবিবার ডাকসুর সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি টাঙানো হয়। সংসদের মুক্তিযুদ্ধ ও গণআন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা দুপুরে ডাকসু ভবনের নিচতলায় সংস্কার করা এ সংগ্রহশালার উদ্বোধন করেন। এ সময় ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদসহ অন্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
তবে ছবিটি স্থাপনের পর থেকেই এটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে আলোচনায়, কে এই আবু তৈয়ব
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সংগ্রহশালায় প্রদর্শিত পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে দেশজুড়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী আবু তৈয়ব মো. হাবিলদার।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এরপর অনেকের মনে প্রশ্ন উঠেছে- কে এই আবু তৈয়ব এবং কী কারণে তিনি জিন্নাহর ছবির বিরুদ্ধে এমন ক্ষোভ প্রকাশ করলেন?
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আবু তৈয়ব ২০০১-০২ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগে ভর্তি হন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো স্নাতক শেষ করতে পারেননি। বর্তমানে তিনি বিভাগের চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়ন করছেন।
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ছাত্রত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আবেদন করেন আবু তৈয়ব। প্রশাসন তার আবেদন মঞ্জুর করলে তিনি আবার পড়াশোনা শুরু করেন। পরে ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আলোচনায় আসেন।
নির্বাচনে অংশ নেওয়া ভিপি প্রার্থীদের মধ্যে তিনি ছিলেন সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ। তবে ভোটের মাঠে তেমন সাড়া পাননি। তার প্রাপ্ত ভোট ছিল মাত্র ১০টি।
এ সময় সাংবাদিকদের আবু তৈয়ব বলেন, ‘যে জিন্নাহ আমাদের মাতৃভাষার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত দিয়েছিল, যে জিন্নাহ ১৯৪৮ এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে ছাত্র-ছাত্রীদের গ্রেপ্তার করেছিল, সেই জিন্নাহ ডাকসুতে স্থান পেতে পারে না। এই ডাকসুতে, এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, এই বাংলাদেশে জিন্নাহর মতো কোনো ভিলেন, গোলাম আজম, নিজামীর মতো কোনো ভিলেন আমাদের নায়ক হতে পারে না, নায়ক হতে দেব না।’
এর আগে, গতকাল রবিবার ডাকসুর সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি টাঙানো হয়। সংসদের মুক্তিযুদ্ধ ও গণআন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা দুপুরে ডাকসু ভবনের নিচতলায় সংস্কার করা এ সংগ্রহশালার উদ্বোধন করেন। এ সময় ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদসহ অন্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
তবে ছবিটি স্থাপনের পর থেকেই এটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

‘জিন্নাহ, গোলাম আজম, নিজামীরা আমাদের নায়ক হতে পারে না’







