মাঠ ভাড়া-বিদ্যুৎ বিল না দিয়ে বিশ্বকাপ প্রদর্শনী: ডাকসু ভিপির ক্ষোভ

মাঠ ভাড়া-বিদ্যুৎ বিল না দিয়ে বিশ্বকাপ প্রদর্শনী: ডাকসু ভিপির ক্ষোভ
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ ব্যবহার করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিশ্বকাপ ফুটবল প্রদর্শনীর আয়োজন এবং এর বিপরীতে প্রশাসন কোনো আর্থিক সুবিধা না পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীদের বিনোদনের কথা বলে যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই আয়োজন পরিচালনা করছে, যা মূলত বাণিজ্যিক প্রচারণার প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। একটি নির্দিষ্ট ছাত্রসংগঠনের সহযোগিতায় কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ডাকসু ভিপি।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে অনিয়ন্ত্রিত বহিরাগতদের প্রবেশে বিশৃঙ্খলা, শব্দদূষণ, শিক্ষার্থীদের হয়রানি ও মোবাইল চুরির মতো ঘটনা ঘটছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ডাকসু ও ছাত্রশিবিরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ জুন প্রশাসন বহিরাগত নিয়ন্ত্রণ ও যান চলাচল সীমিত করার নির্দেশনা জারি করে। কিন্তু স্পন্সরশিপ বাতিলের আশঙ্কায় আয়োজক প্রতিষ্ঠানের আপত্তির মুখে প্রশাসন সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেনি। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক স্বার্থ ও স্পন্সরশিপ রক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
ডাকসু ভিপি জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার স্থান নয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদের প্রধান উপকারভোগী হতে হবে শিক্ষার্থীদেরই। তিনি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থকে বিসর্জন দিয়ে কোনো গোষ্ঠীর সুবিধা দেওয়াকে অগ্রহণযোগ্য বলে আখ্যায়িত করেন। প্রশাসনের এহেন ভূমিকাকে অত্যন্ত হতাশাজনক ও নিন্দনীয় উল্লেখ করে তিনি এ বিষয়ে জবাবদিহি দাবি করেছেন এবং ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ ব্যবহার করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিশ্বকাপ ফুটবল প্রদর্শনীর আয়োজন এবং এর বিপরীতে প্রশাসন কোনো আর্থিক সুবিধা না পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীদের বিনোদনের কথা বলে যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই আয়োজন পরিচালনা করছে, যা মূলত বাণিজ্যিক প্রচারণার প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। একটি নির্দিষ্ট ছাত্রসংগঠনের সহযোগিতায় কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ডাকসু ভিপি।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে অনিয়ন্ত্রিত বহিরাগতদের প্রবেশে বিশৃঙ্খলা, শব্দদূষণ, শিক্ষার্থীদের হয়রানি ও মোবাইল চুরির মতো ঘটনা ঘটছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ডাকসু ও ছাত্রশিবিরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ জুন প্রশাসন বহিরাগত নিয়ন্ত্রণ ও যান চলাচল সীমিত করার নির্দেশনা জারি করে। কিন্তু স্পন্সরশিপ বাতিলের আশঙ্কায় আয়োজক প্রতিষ্ঠানের আপত্তির মুখে প্রশাসন সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেনি। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক স্বার্থ ও স্পন্সরশিপ রক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
ডাকসু ভিপি জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার স্থান নয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদের প্রধান উপকারভোগী হতে হবে শিক্ষার্থীদেরই। তিনি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থকে বিসর্জন দিয়ে কোনো গোষ্ঠীর সুবিধা দেওয়াকে অগ্রহণযোগ্য বলে আখ্যায়িত করেন। প্রশাসনের এহেন ভূমিকাকে অত্যন্ত হতাশাজনক ও নিন্দনীয় উল্লেখ করে তিনি এ বিষয়ে জবাবদিহি দাবি করেছেন এবং ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।

মাঠ ভাড়া-বিদ্যুৎ বিল না দিয়ে বিশ্বকাপ প্রদর্শনী: ডাকসু ভিপির ক্ষোভ
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ ব্যবহার করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিশ্বকাপ ফুটবল প্রদর্শনীর আয়োজন এবং এর বিপরীতে প্রশাসন কোনো আর্থিক সুবিধা না পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীদের বিনোদনের কথা বলে যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই আয়োজন পরিচালনা করছে, যা মূলত বাণিজ্যিক প্রচারণার প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। একটি নির্দিষ্ট ছাত্রসংগঠনের সহযোগিতায় কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ডাকসু ভিপি।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে অনিয়ন্ত্রিত বহিরাগতদের প্রবেশে বিশৃঙ্খলা, শব্দদূষণ, শিক্ষার্থীদের হয়রানি ও মোবাইল চুরির মতো ঘটনা ঘটছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ডাকসু ও ছাত্রশিবিরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ জুন প্রশাসন বহিরাগত নিয়ন্ত্রণ ও যান চলাচল সীমিত করার নির্দেশনা জারি করে। কিন্তু স্পন্সরশিপ বাতিলের আশঙ্কায় আয়োজক প্রতিষ্ঠানের আপত্তির মুখে প্রশাসন সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেনি। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক স্বার্থ ও স্পন্সরশিপ রক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
ডাকসু ভিপি জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার স্থান নয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদের প্রধান উপকারভোগী হতে হবে শিক্ষার্থীদেরই। তিনি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থকে বিসর্জন দিয়ে কোনো গোষ্ঠীর সুবিধা দেওয়াকে অগ্রহণযোগ্য বলে আখ্যায়িত করেন। প্রশাসনের এহেন ভূমিকাকে অত্যন্ত হতাশাজনক ও নিন্দনীয় উল্লেখ করে তিনি এ বিষয়ে জবাবদিহি দাবি করেছেন এবং ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।




