বিসিএসে হ্যাটট্রিক, এবার পররাষ্ট্রে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসান

বিসিএসে হ্যাটট্রিক, এবার পররাষ্ট্রে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসান
বরিশাল সংবাদদাতা

একের পর এক বিসিএসে সাফল্য অর্জন করে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মো. হাসান মিয়া। ৪৯তম বিশেষ বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডার, ৪৫তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সুযোগ পাওয়ার পর এবার ৪৭তম বিসিএসে পররাষ্ট্র ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে হ্যাটট্রিক সাফল্য অর্জন করেছেন তিনি। বিসিএসের পাশাপাশি এ পর্যন্ত ৯ বার সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়েছেন।
হাসানের বাড়ি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের বাদুরতলী গ্রামে। তার বাবার নাম মো. ছগির আকন, মায়ের নাম হাওয়া বেগম। পরিবারের বড় সন্তান তিনি।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র হাসান মিয়া অনার্সে প্রথম এবং মাস্টার্সে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সিজিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন তিনি।
হাসান মিয়া জানান, ছোটবেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল শিক্ষক হওয়ার। সেই লক্ষ্য নিয়েই পড়াশোনা চালিয়ে যান। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সুযোগ পাওয়া কঠিন– তা বুঝতে পেরে তিনি বিসিএসের পথ বেছে নেন। ২০২২ সালের নভেম্বরে মাস্টার্সের লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই বিসিএসের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন।

তিনি বলেন, বরিশালে আমি অনেক টিউশনি করেছি। সেই অভিজ্ঞতাই বিসিএসের প্রস্তুতিকে শানিত করেছে।
জানা গেছে, ২০২৫ সালের এপ্রিলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে যোগ দিলেও ৪৭তম ও ৪৯তম বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সাড়ে ৪ মাস ওই চাকরি ছেড়ে দেন। পরে বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (বিপিএটিসি) গবেষণা কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন।
হাসান জানান, বিপিএটিসিতে যোগ দেওয়ার মাত্র ৬ দিন পরই ছিলো ৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা। তবে পরীক্ষায় তার অংশ নেওয়ার অনুমতি মেলে। এজন্য তিনি প্রতিষ্ঠানটির রেক্টর মহোদয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
নিজের সাফল্যের একটি স্মরণীয় মুহূর্ত তুলে ধরে তিনি বলেন, যেদিন সাভার থেকে বরিশালে লিখিত পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিলাম, সেদিনই ৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়। আমি প্রশাসন ক্যাডারে সুযোগ পাই। অনেক ভেবেচিন্তে ৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেই সিদ্ধান্তই আমাকে আজ পররাষ্ট্র ক্যাডারে পৌঁছে দিয়েছে।
সফলতার পেছনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে হাসান বলেন, আমার বাবা শূন্য থেকে জীবন গড়েছেন। কিছুদিন সৌদি আরবে ছিলেন তিনি। তার সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করেছে। পাশাপাশি শিক্ষক, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতাও পেয়েছি।
পররাষ্ট্র ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে হাসান বলেন, সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে চাই। দেশের মর্যাদা, জাতীয় স্বার্থ ও আত্মসম্মান রক্ষায় কাজ করাই আমার লক্ষ্য।

একের পর এক বিসিএসে সাফল্য অর্জন করে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মো. হাসান মিয়া। ৪৯তম বিশেষ বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডার, ৪৫তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সুযোগ পাওয়ার পর এবার ৪৭তম বিসিএসে পররাষ্ট্র ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে হ্যাটট্রিক সাফল্য অর্জন করেছেন তিনি। বিসিএসের পাশাপাশি এ পর্যন্ত ৯ বার সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়েছেন।
হাসানের বাড়ি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের বাদুরতলী গ্রামে। তার বাবার নাম মো. ছগির আকন, মায়ের নাম হাওয়া বেগম। পরিবারের বড় সন্তান তিনি।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র হাসান মিয়া অনার্সে প্রথম এবং মাস্টার্সে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সিজিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন তিনি।
হাসান মিয়া জানান, ছোটবেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল শিক্ষক হওয়ার। সেই লক্ষ্য নিয়েই পড়াশোনা চালিয়ে যান। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সুযোগ পাওয়া কঠিন– তা বুঝতে পেরে তিনি বিসিএসের পথ বেছে নেন। ২০২২ সালের নভেম্বরে মাস্টার্সের লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই বিসিএসের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন।

তিনি বলেন, বরিশালে আমি অনেক টিউশনি করেছি। সেই অভিজ্ঞতাই বিসিএসের প্রস্তুতিকে শানিত করেছে।
জানা গেছে, ২০২৫ সালের এপ্রিলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে যোগ দিলেও ৪৭তম ও ৪৯তম বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সাড়ে ৪ মাস ওই চাকরি ছেড়ে দেন। পরে বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (বিপিএটিসি) গবেষণা কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন।
হাসান জানান, বিপিএটিসিতে যোগ দেওয়ার মাত্র ৬ দিন পরই ছিলো ৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা। তবে পরীক্ষায় তার অংশ নেওয়ার অনুমতি মেলে। এজন্য তিনি প্রতিষ্ঠানটির রেক্টর মহোদয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
নিজের সাফল্যের একটি স্মরণীয় মুহূর্ত তুলে ধরে তিনি বলেন, যেদিন সাভার থেকে বরিশালে লিখিত পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিলাম, সেদিনই ৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়। আমি প্রশাসন ক্যাডারে সুযোগ পাই। অনেক ভেবেচিন্তে ৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেই সিদ্ধান্তই আমাকে আজ পররাষ্ট্র ক্যাডারে পৌঁছে দিয়েছে।
সফলতার পেছনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে হাসান বলেন, আমার বাবা শূন্য থেকে জীবন গড়েছেন। কিছুদিন সৌদি আরবে ছিলেন তিনি। তার সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করেছে। পাশাপাশি শিক্ষক, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতাও পেয়েছি।
পররাষ্ট্র ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে হাসান বলেন, সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে চাই। দেশের মর্যাদা, জাতীয় স্বার্থ ও আত্মসম্মান রক্ষায় কাজ করাই আমার লক্ষ্য।

বিসিএসে হ্যাটট্রিক, এবার পররাষ্ট্রে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসান
বরিশাল সংবাদদাতা

একের পর এক বিসিএসে সাফল্য অর্জন করে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মো. হাসান মিয়া। ৪৯তম বিশেষ বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডার, ৪৫তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সুযোগ পাওয়ার পর এবার ৪৭তম বিসিএসে পররাষ্ট্র ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে হ্যাটট্রিক সাফল্য অর্জন করেছেন তিনি। বিসিএসের পাশাপাশি এ পর্যন্ত ৯ বার সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়েছেন।
হাসানের বাড়ি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের বাদুরতলী গ্রামে। তার বাবার নাম মো. ছগির আকন, মায়ের নাম হাওয়া বেগম। পরিবারের বড় সন্তান তিনি।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র হাসান মিয়া অনার্সে প্রথম এবং মাস্টার্সে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সিজিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন তিনি।
হাসান মিয়া জানান, ছোটবেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল শিক্ষক হওয়ার। সেই লক্ষ্য নিয়েই পড়াশোনা চালিয়ে যান। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সুযোগ পাওয়া কঠিন– তা বুঝতে পেরে তিনি বিসিএসের পথ বেছে নেন। ২০২২ সালের নভেম্বরে মাস্টার্সের লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই বিসিএসের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন।

তিনি বলেন, বরিশালে আমি অনেক টিউশনি করেছি। সেই অভিজ্ঞতাই বিসিএসের প্রস্তুতিকে শানিত করেছে।
জানা গেছে, ২০২৫ সালের এপ্রিলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে যোগ দিলেও ৪৭তম ও ৪৯তম বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সাড়ে ৪ মাস ওই চাকরি ছেড়ে দেন। পরে বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (বিপিএটিসি) গবেষণা কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন।
হাসান জানান, বিপিএটিসিতে যোগ দেওয়ার মাত্র ৬ দিন পরই ছিলো ৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা। তবে পরীক্ষায় তার অংশ নেওয়ার অনুমতি মেলে। এজন্য তিনি প্রতিষ্ঠানটির রেক্টর মহোদয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
নিজের সাফল্যের একটি স্মরণীয় মুহূর্ত তুলে ধরে তিনি বলেন, যেদিন সাভার থেকে বরিশালে লিখিত পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিলাম, সেদিনই ৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়। আমি প্রশাসন ক্যাডারে সুযোগ পাই। অনেক ভেবেচিন্তে ৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেই সিদ্ধান্তই আমাকে আজ পররাষ্ট্র ক্যাডারে পৌঁছে দিয়েছে।
সফলতার পেছনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে হাসান বলেন, আমার বাবা শূন্য থেকে জীবন গড়েছেন। কিছুদিন সৌদি আরবে ছিলেন তিনি। তার সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করেছে। পাশাপাশি শিক্ষক, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতাও পেয়েছি।
পররাষ্ট্র ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে হাসান বলেন, সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে চাই। দেশের মর্যাদা, জাতীয় স্বার্থ ও আত্মসম্মান রক্ষায় কাজ করাই আমার লক্ষ্য।




