জাবিতে ১৬ ছাত্রলীগ নেতার সাজা মওকুফ

জাবিতে ১৬ ছাত্রলীগ নেতার সাজা মওকুফ
জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) জুলাই আন্দোলন চলাকালে হামলার ঘটনায় শাস্তিপ্রাপ্ত ছাত্রলীগের ১৮৯ নেতাকর্মীর মধ্যে ৪৩ জন তাদের বিরুদ্ধে দেওয়া শাস্তি পুনর্বিবেচনার আবেদন করেছিলেন। আবেদনগুলো পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ১৬ জনকে সম্পূর্ণ শাস্তিমুক্ত করেছে। পাশাপাশি ২০ জনের শাস্তির মেয়াদ কমানো হয়েছে এবং ৭ জনের ক্ষেত্রে পূর্বের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এ.বি.এম. আজিজুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পুনর্বিবেচনার আবেদনকারীদের মধ্যে আজীবন বহিষ্কারাদেশ পাওয়া ২১ জন ছাত্রলীগ নেতা ছিলেন। তাদের মধ্যে ৫ জনকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৮ জনের আজীবন বহিষ্কারের শাস্তি কমিয়ে দুই বছর এবং ৫ জনের শাস্তি কমিয়ে এক বছর করা হয়েছে।
অন্যদিকে, দুই বছরের বহিষ্কারাদেশপ্রাপ্ত ৮ শিক্ষার্থীর আবেদন পর্যালোচনা করে তাদের মধ্যে ৬ জনকে শাস্তি থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া যাদের শিক্ষাসনদ বাতিল করা হয়েছিল, এমন ১২ জনও পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন। তাদের মধ্যে ৫ জনকে শাস্তিমুক্ত করা হয়েছে। অবশিষ্টদের মধ্যে ৪ জনকে এক বছরের এবং ৩ জনকে দুই বছরের শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
সিন্ডিকেট সদস্যরা আবেদনকারীদের উপস্থাপিত তথ্য-উপাত্ত ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) জুলাই আন্দোলন চলাকালে হামলার ঘটনায় শাস্তিপ্রাপ্ত ছাত্রলীগের ১৮৯ নেতাকর্মীর মধ্যে ৪৩ জন তাদের বিরুদ্ধে দেওয়া শাস্তি পুনর্বিবেচনার আবেদন করেছিলেন। আবেদনগুলো পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ১৬ জনকে সম্পূর্ণ শাস্তিমুক্ত করেছে। পাশাপাশি ২০ জনের শাস্তির মেয়াদ কমানো হয়েছে এবং ৭ জনের ক্ষেত্রে পূর্বের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এ.বি.এম. আজিজুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পুনর্বিবেচনার আবেদনকারীদের মধ্যে আজীবন বহিষ্কারাদেশ পাওয়া ২১ জন ছাত্রলীগ নেতা ছিলেন। তাদের মধ্যে ৫ জনকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৮ জনের আজীবন বহিষ্কারের শাস্তি কমিয়ে দুই বছর এবং ৫ জনের শাস্তি কমিয়ে এক বছর করা হয়েছে।
অন্যদিকে, দুই বছরের বহিষ্কারাদেশপ্রাপ্ত ৮ শিক্ষার্থীর আবেদন পর্যালোচনা করে তাদের মধ্যে ৬ জনকে শাস্তি থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া যাদের শিক্ষাসনদ বাতিল করা হয়েছিল, এমন ১২ জনও পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন। তাদের মধ্যে ৫ জনকে শাস্তিমুক্ত করা হয়েছে। অবশিষ্টদের মধ্যে ৪ জনকে এক বছরের এবং ৩ জনকে দুই বছরের শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
সিন্ডিকেট সদস্যরা আবেদনকারীদের উপস্থাপিত তথ্য-উপাত্ত ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে।

জাবিতে ১৬ ছাত্রলীগ নেতার সাজা মওকুফ
জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) জুলাই আন্দোলন চলাকালে হামলার ঘটনায় শাস্তিপ্রাপ্ত ছাত্রলীগের ১৮৯ নেতাকর্মীর মধ্যে ৪৩ জন তাদের বিরুদ্ধে দেওয়া শাস্তি পুনর্বিবেচনার আবেদন করেছিলেন। আবেদনগুলো পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ১৬ জনকে সম্পূর্ণ শাস্তিমুক্ত করেছে। পাশাপাশি ২০ জনের শাস্তির মেয়াদ কমানো হয়েছে এবং ৭ জনের ক্ষেত্রে পূর্বের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এ.বি.এম. আজিজুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পুনর্বিবেচনার আবেদনকারীদের মধ্যে আজীবন বহিষ্কারাদেশ পাওয়া ২১ জন ছাত্রলীগ নেতা ছিলেন। তাদের মধ্যে ৫ জনকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৮ জনের আজীবন বহিষ্কারের শাস্তি কমিয়ে দুই বছর এবং ৫ জনের শাস্তি কমিয়ে এক বছর করা হয়েছে।
অন্যদিকে, দুই বছরের বহিষ্কারাদেশপ্রাপ্ত ৮ শিক্ষার্থীর আবেদন পর্যালোচনা করে তাদের মধ্যে ৬ জনকে শাস্তি থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া যাদের শিক্ষাসনদ বাতিল করা হয়েছিল, এমন ১২ জনও পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন। তাদের মধ্যে ৫ জনকে শাস্তিমুক্ত করা হয়েছে। অবশিষ্টদের মধ্যে ৪ জনকে এক বছরের এবং ৩ জনকে দুই বছরের শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
সিন্ডিকেট সদস্যরা আবেদনকারীদের উপস্থাপিত তথ্য-উপাত্ত ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে।




