সংসদ কক্ষে ঢোকার সময় মাথা ঝোঁকানো নিয়ে আপত্তি জামায়াত এমপির

সংসদ কক্ষে ঢোকার সময় মাথা ঝোঁকানো নিয়ে আপত্তি জামায়াত এমপির
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান জানানোর প্রচলিত রীতি নিয়ে আপত্তি তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) মুজিবুর রহমান।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের রীতি ইসলামের সঙ্গে ‘সাংঘর্ষিক’ এবং তা ‘শিরকের কাছে চলে যায়’।
সাধারণত সংসদ কক্ষে ঢোকার সময় সম্মান দেখাতে অনেকে মাথা ঝোঁকান। আবার অনেকে দাঁড়িয়ে সালাম দেন। এটি একটি প্রচলিত রীতি। এর মাধ্যমে হাউজ ও সভাপতিকে সম্মান দেখানো হয়।
সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান বলেন, তৃতীয় জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধিতে সংসদে ঢোকার পর মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শন করার কথা বলা ছিল। এরপর এটি নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা করে সংশোধনী আনা হয়। তা সবাইকে অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।
এদিন অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। তার উদ্দেশে বিরোধী দলের এই এমপি বলেন, আমি মাঝেমধ্যে খেয়াল করি, আপনি সুন্দরভাবে সালাম দেন। আমরাও সালাম দেই, জবাব দেই। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যায় আগের ঝুঁকন্তিটা... এখনো আছে। আপনারও আছে, মাননীয় ডেপুটি স্পিকারেরও আছে।
তিনি আরও বলেন, কার্যপ্রণালি বিধিতে শিরককে উৎখাত করার জন্য যে বিধি করা হয়েছে, আমার মনে হয় সেটা সকলের মেনে চলা উচিত। এতে নেকি হবে, গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা যাবে। কাল-কেয়ামতে আমরা এর উপকার লাভ করব।
তবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিষয়টিকে ব্যক্তিগত আচরণের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আমি রুলস অব প্রসিডিউর দেখলাম, আরেকটু আমি দেখব। তারপর এ বিষয়ে বলব। এটা তো সবার জন্য ব্যক্তিগত বিষয়। কেউ সালাম দেবে, কেউ অন্যভাবে সম্মান জানাবে। সারা পৃথিবীর সংসদে এরকম আছে।
স্পিকার জানান, তা-ও তিনি এটা দেখবেন যে বিগত সংসদে এটা বাতিল করা হয়েছিল কি না, এটা দেখে পরে তিনি সংসদকে জানাবেন।

জাতীয় সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান জানানোর প্রচলিত রীতি নিয়ে আপত্তি তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) মুজিবুর রহমান।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের রীতি ইসলামের সঙ্গে ‘সাংঘর্ষিক’ এবং তা ‘শিরকের কাছে চলে যায়’।
সাধারণত সংসদ কক্ষে ঢোকার সময় সম্মান দেখাতে অনেকে মাথা ঝোঁকান। আবার অনেকে দাঁড়িয়ে সালাম দেন। এটি একটি প্রচলিত রীতি। এর মাধ্যমে হাউজ ও সভাপতিকে সম্মান দেখানো হয়।
সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান বলেন, তৃতীয় জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধিতে সংসদে ঢোকার পর মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শন করার কথা বলা ছিল। এরপর এটি নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা করে সংশোধনী আনা হয়। তা সবাইকে অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।
এদিন অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। তার উদ্দেশে বিরোধী দলের এই এমপি বলেন, আমি মাঝেমধ্যে খেয়াল করি, আপনি সুন্দরভাবে সালাম দেন। আমরাও সালাম দেই, জবাব দেই। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যায় আগের ঝুঁকন্তিটা... এখনো আছে। আপনারও আছে, মাননীয় ডেপুটি স্পিকারেরও আছে।
তিনি আরও বলেন, কার্যপ্রণালি বিধিতে শিরককে উৎখাত করার জন্য যে বিধি করা হয়েছে, আমার মনে হয় সেটা সকলের মেনে চলা উচিত। এতে নেকি হবে, গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা যাবে। কাল-কেয়ামতে আমরা এর উপকার লাভ করব।
তবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিষয়টিকে ব্যক্তিগত আচরণের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আমি রুলস অব প্রসিডিউর দেখলাম, আরেকটু আমি দেখব। তারপর এ বিষয়ে বলব। এটা তো সবার জন্য ব্যক্তিগত বিষয়। কেউ সালাম দেবে, কেউ অন্যভাবে সম্মান জানাবে। সারা পৃথিবীর সংসদে এরকম আছে।
স্পিকার জানান, তা-ও তিনি এটা দেখবেন যে বিগত সংসদে এটা বাতিল করা হয়েছিল কি না, এটা দেখে পরে তিনি সংসদকে জানাবেন।

সংসদ কক্ষে ঢোকার সময় মাথা ঝোঁকানো নিয়ে আপত্তি জামায়াত এমপির
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান জানানোর প্রচলিত রীতি নিয়ে আপত্তি তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) মুজিবুর রহমান।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের রীতি ইসলামের সঙ্গে ‘সাংঘর্ষিক’ এবং তা ‘শিরকের কাছে চলে যায়’।
সাধারণত সংসদ কক্ষে ঢোকার সময় সম্মান দেখাতে অনেকে মাথা ঝোঁকান। আবার অনেকে দাঁড়িয়ে সালাম দেন। এটি একটি প্রচলিত রীতি। এর মাধ্যমে হাউজ ও সভাপতিকে সম্মান দেখানো হয়।
সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান বলেন, তৃতীয় জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধিতে সংসদে ঢোকার পর মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শন করার কথা বলা ছিল। এরপর এটি নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা করে সংশোধনী আনা হয়। তা সবাইকে অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।
এদিন অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। তার উদ্দেশে বিরোধী দলের এই এমপি বলেন, আমি মাঝেমধ্যে খেয়াল করি, আপনি সুন্দরভাবে সালাম দেন। আমরাও সালাম দেই, জবাব দেই। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যায় আগের ঝুঁকন্তিটা... এখনো আছে। আপনারও আছে, মাননীয় ডেপুটি স্পিকারেরও আছে।
তিনি আরও বলেন, কার্যপ্রণালি বিধিতে শিরককে উৎখাত করার জন্য যে বিধি করা হয়েছে, আমার মনে হয় সেটা সকলের মেনে চলা উচিত। এতে নেকি হবে, গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা যাবে। কাল-কেয়ামতে আমরা এর উপকার লাভ করব।
তবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিষয়টিকে ব্যক্তিগত আচরণের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আমি রুলস অব প্রসিডিউর দেখলাম, আরেকটু আমি দেখব। তারপর এ বিষয়ে বলব। এটা তো সবার জন্য ব্যক্তিগত বিষয়। কেউ সালাম দেবে, কেউ অন্যভাবে সম্মান জানাবে। সারা পৃথিবীর সংসদে এরকম আছে।
স্পিকার জানান, তা-ও তিনি এটা দেখবেন যে বিগত সংসদে এটা বাতিল করা হয়েছিল কি না, এটা দেখে পরে তিনি সংসদকে জানাবেন।

সংসদের মাইক কাণ্ডে ফেঁসেই গেলেন ৮ প্রকৌশলী 


