মাদক সেবনের দায়ে জাবির ২ নারী শিক্ষার্থী বহিষ্কার

মাদক সেবনের দায়ে জাবির ২ নারী শিক্ষার্থী বহিষ্কার
জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের একটি কক্ষে মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ ও সেবনের অভিযোগে দুই নারী শিক্ষার্থীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করেছে প্রশাসন। একইসঙ্গে তাদের আবাসিক হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাবি কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া অভিযুক্তদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় আইনে মামলা করার সুপারিশও করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোর ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এবিএম আজিজুর রহমান সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বহিষ্কৃত দুই শিক্ষার্থী হলো– জাবির ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তনুজা তিথি এবং নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সানজিদা আমীর ইনিসী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বহিষ্কৃত তিথি ও সানজিদার বিরুদ্ধে নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ ও সেবনের অভিযোগ উঠে। অভিযোগ তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।
তদন্তে বলা হয়, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাসংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট বিধান লঙ্ঘন করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধিমালা অনুযায়ী, ক্যাম্পাস, বিভাগ, ইনস্টিটিউট এবং আবাসিক হলের ভেতরে দেশি বা বিদেশি যেকোনো ধরনের মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ, সেবন কিংবা বেচাকেনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ডিসিপ্লিনারি বোর্ড বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে। পরে সিন্ডিকেট সভায় সেই সুপারিশ অনুমোদন করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তনুজা তিথি ও সানজিদা আমীর ইনিসীকে আগামী দুই বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের আবাসিক হলের আবাসিক সুবিধাও স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া তনুজা তিথির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় আইনে মামলা দায়েরের সুপারিশ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে অভিযান পরিচালনা করে হল প্রশাসন। অভিযানের সময় ওই কক্ষ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। কক্ষটি ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী তনুজা তিথির নামে বরাদ্দ ছিল। অভিযানের সময় সেখানে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী সানজিদা আমীর ইনিসীকেও উপস্থিত অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে এবং পরবর্তীতে তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের একটি কক্ষে মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ ও সেবনের অভিযোগে দুই নারী শিক্ষার্থীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করেছে প্রশাসন। একইসঙ্গে তাদের আবাসিক হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাবি কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া অভিযুক্তদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় আইনে মামলা করার সুপারিশও করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোর ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এবিএম আজিজুর রহমান সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বহিষ্কৃত দুই শিক্ষার্থী হলো– জাবির ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তনুজা তিথি এবং নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সানজিদা আমীর ইনিসী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বহিষ্কৃত তিথি ও সানজিদার বিরুদ্ধে নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ ও সেবনের অভিযোগ উঠে। অভিযোগ তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।
তদন্তে বলা হয়, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাসংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট বিধান লঙ্ঘন করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধিমালা অনুযায়ী, ক্যাম্পাস, বিভাগ, ইনস্টিটিউট এবং আবাসিক হলের ভেতরে দেশি বা বিদেশি যেকোনো ধরনের মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ, সেবন কিংবা বেচাকেনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ডিসিপ্লিনারি বোর্ড বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে। পরে সিন্ডিকেট সভায় সেই সুপারিশ অনুমোদন করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তনুজা তিথি ও সানজিদা আমীর ইনিসীকে আগামী দুই বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের আবাসিক হলের আবাসিক সুবিধাও স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া তনুজা তিথির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় আইনে মামলা দায়েরের সুপারিশ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে অভিযান পরিচালনা করে হল প্রশাসন। অভিযানের সময় ওই কক্ষ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। কক্ষটি ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী তনুজা তিথির নামে বরাদ্দ ছিল। অভিযানের সময় সেখানে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী সানজিদা আমীর ইনিসীকেও উপস্থিত অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে এবং পরবর্তীতে তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

মাদক সেবনের দায়ে জাবির ২ নারী শিক্ষার্থী বহিষ্কার
জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের একটি কক্ষে মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ ও সেবনের অভিযোগে দুই নারী শিক্ষার্থীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করেছে প্রশাসন। একইসঙ্গে তাদের আবাসিক হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাবি কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া অভিযুক্তদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় আইনে মামলা করার সুপারিশও করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোর ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এবিএম আজিজুর রহমান সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বহিষ্কৃত দুই শিক্ষার্থী হলো– জাবির ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তনুজা তিথি এবং নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সানজিদা আমীর ইনিসী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বহিষ্কৃত তিথি ও সানজিদার বিরুদ্ধে নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ ও সেবনের অভিযোগ উঠে। অভিযোগ তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।
তদন্তে বলা হয়, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাসংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট বিধান লঙ্ঘন করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধিমালা অনুযায়ী, ক্যাম্পাস, বিভাগ, ইনস্টিটিউট এবং আবাসিক হলের ভেতরে দেশি বা বিদেশি যেকোনো ধরনের মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ, সেবন কিংবা বেচাকেনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ডিসিপ্লিনারি বোর্ড বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে। পরে সিন্ডিকেট সভায় সেই সুপারিশ অনুমোদন করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তনুজা তিথি ও সানজিদা আমীর ইনিসীকে আগামী দুই বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের আবাসিক হলের আবাসিক সুবিধাও স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া তনুজা তিথির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় আইনে মামলা দায়েরের সুপারিশ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে অভিযান পরিচালনা করে হল প্রশাসন। অভিযানের সময় ওই কক্ষ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। কক্ষটি ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী তনুজা তিথির নামে বরাদ্দ ছিল। অভিযানের সময় সেখানে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী সানজিদা আমীর ইনিসীকেও উপস্থিত অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে এবং পরবর্তীতে তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

জাবির বাসে ছাত্রীকে হেনস্তা, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার


