‘জুলাই যোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছেন নজরুল’

‘জুলাই যোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছেন নজরুল’
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী চেতনা, কবিতা, রণসংগীত ও সাহিত্যকর্ম ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৪টায় ময়মনসিংহের ত্রিশালের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতিকেন্দ্রে আয়োজিত ‘২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে আমাদের নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী। তিনি সময়, কাল ও স্থানকে অতিক্রম করে আজও আমাদের অনুপ্রেরণার বাতিঘর ও দিকনির্দেশক। সব অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে তার সাহিত্য ও চেতনা আমাদের শক্তি জোগায়। ২৪-এর আন্দোলনে প্রতিটি মানুষের অন্তরে যেন নতুন করে কবি নজরুলের আবির্ভাব ঘটেছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে জীবদ্দশায় কবি নজরুল অবহেলিত ও নিগৃহীত ছিলেন। আমরা তাঁকে যথাযথ মর্যাদা দিতে পারিনি। তার সৃষ্টিকর্ম আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিয়ে নজরুলের চেতনা ধারণ করতে পারলেই একটি সংস্কৃতিমনা ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।’
এ সময় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের প্রতি নজরুলের স্মৃতিকেন্দ্রগুলো আরও আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। বক্তব্যের শেষে কবির বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন উপাচার্য।
অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও নজরুল গবেষক অধ্যাপক ড. মো. হাবিব-উল-মাওলা (মাওলা প্রিন্স)। তিনি বলেন, ‘২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে কোনো একক নেতা ছিল না; ছিল কবি নজরুলের চেতনা ও প্রেরণা। তার কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্মই জুলাই যোদ্ধাদের শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে।’
সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক (গ্রেড-১) মো. লতিফুল ইসলাম শিবলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে কবি, শিল্পী, নজরুল গবেষক, সাহিত্যপ্রেমী ও বিপুলসংখ্যক দর্শক-শ্রোতা উপস্থিত ছিলেন।
নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভা শেষে নজরুলসংগীত পরিবেশনা, কবিতা আবৃত্তি এবং কবি নজরুলের সাহিত্যপাঠ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী চেতনা, কবিতা, রণসংগীত ও সাহিত্যকর্ম ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৪টায় ময়মনসিংহের ত্রিশালের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতিকেন্দ্রে আয়োজিত ‘২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে আমাদের নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী। তিনি সময়, কাল ও স্থানকে অতিক্রম করে আজও আমাদের অনুপ্রেরণার বাতিঘর ও দিকনির্দেশক। সব অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে তার সাহিত্য ও চেতনা আমাদের শক্তি জোগায়। ২৪-এর আন্দোলনে প্রতিটি মানুষের অন্তরে যেন নতুন করে কবি নজরুলের আবির্ভাব ঘটেছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে জীবদ্দশায় কবি নজরুল অবহেলিত ও নিগৃহীত ছিলেন। আমরা তাঁকে যথাযথ মর্যাদা দিতে পারিনি। তার সৃষ্টিকর্ম আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিয়ে নজরুলের চেতনা ধারণ করতে পারলেই একটি সংস্কৃতিমনা ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।’
এ সময় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের প্রতি নজরুলের স্মৃতিকেন্দ্রগুলো আরও আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। বক্তব্যের শেষে কবির বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন উপাচার্য।
অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও নজরুল গবেষক অধ্যাপক ড. মো. হাবিব-উল-মাওলা (মাওলা প্রিন্স)। তিনি বলেন, ‘২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে কোনো একক নেতা ছিল না; ছিল কবি নজরুলের চেতনা ও প্রেরণা। তার কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্মই জুলাই যোদ্ধাদের শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে।’
সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক (গ্রেড-১) মো. লতিফুল ইসলাম শিবলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে কবি, শিল্পী, নজরুল গবেষক, সাহিত্যপ্রেমী ও বিপুলসংখ্যক দর্শক-শ্রোতা উপস্থিত ছিলেন।
নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভা শেষে নজরুলসংগীত পরিবেশনা, কবিতা আবৃত্তি এবং কবি নজরুলের সাহিত্যপাঠ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

‘জুলাই যোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছেন নজরুল’
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী চেতনা, কবিতা, রণসংগীত ও সাহিত্যকর্ম ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৪টায় ময়মনসিংহের ত্রিশালের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতিকেন্দ্রে আয়োজিত ‘২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে আমাদের নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী। তিনি সময়, কাল ও স্থানকে অতিক্রম করে আজও আমাদের অনুপ্রেরণার বাতিঘর ও দিকনির্দেশক। সব অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে তার সাহিত্য ও চেতনা আমাদের শক্তি জোগায়। ২৪-এর আন্দোলনে প্রতিটি মানুষের অন্তরে যেন নতুন করে কবি নজরুলের আবির্ভাব ঘটেছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে জীবদ্দশায় কবি নজরুল অবহেলিত ও নিগৃহীত ছিলেন। আমরা তাঁকে যথাযথ মর্যাদা দিতে পারিনি। তার সৃষ্টিকর্ম আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিয়ে নজরুলের চেতনা ধারণ করতে পারলেই একটি সংস্কৃতিমনা ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।’
এ সময় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের প্রতি নজরুলের স্মৃতিকেন্দ্রগুলো আরও আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। বক্তব্যের শেষে কবির বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন উপাচার্য।
অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও নজরুল গবেষক অধ্যাপক ড. মো. হাবিব-উল-মাওলা (মাওলা প্রিন্স)। তিনি বলেন, ‘২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে কোনো একক নেতা ছিল না; ছিল কবি নজরুলের চেতনা ও প্রেরণা। তার কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্মই জুলাই যোদ্ধাদের শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে।’
সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক (গ্রেড-১) মো. লতিফুল ইসলাম শিবলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে কবি, শিল্পী, নজরুল গবেষক, সাহিত্যপ্রেমী ও বিপুলসংখ্যক দর্শক-শ্রোতা উপস্থিত ছিলেন।
নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভা শেষে নজরুলসংগীত পরিবেশনা, কবিতা আবৃত্তি এবং কবি নজরুলের সাহিত্যপাঠ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

-CznNewsLab-2c9955-256x144.webp)






