ক্যাম্পাসে ৯০ দশকের পূর্বাভাস লক্ষ্য করছি: ডাকসু এজিএস

ক্যাম্পাসে ৯০ দশকের পূর্বাভাস লক্ষ্য করছি: ডাকসু এজিএস
ঢাবি সংবাদদাতা

ডাকসুর এজিএস ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাবি সভাপতি মহিউদ্দিন খান বলেছেন, যখনই কোনো রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় এসেছে, ডাকসুকে বন্ধ করে দেওয়ার পাঁয়তারা করেছে। কারণ ডাকসুর মাধ্যমে ক্যাম্পাসে যদি শিক্ষার্থীদের মতামত প্রকাশের সুযোগ থাকে, তাহলে সেটি তাদেরকে চাপে ফেলতে পারে। এই কারণে তারা ভয় তারিত হয়ে ডাকসুকে সবসময় বন্ধ রাখতে চেয়েছে। আমরা ক্যাম্পাসে ৯০-এর পূর্বাভাস লক্ষ্য করছি। তারা সম্ভবত ডাকসুকে বন্ধ করার পরিকল্পনা করছে, কিন্তু পরবর্তী ডাকসু নির্বাচন আমরা আদায় করেই ছাড়ব।
বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যা ছয়টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি ডাকসুর মেয়াদ শেষের দিকে আসায় উপাচার্যের কাছে অবিলম্বে ডাকসু নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, আজকে আমরা দুটি বিষয়ে কথা বলেছি। প্রথমটা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে—এটি সাধারণ চিরাচরিত নিয়ম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আজকে যখন আমরা এই দাবি নিয়ে গেলাম যে পরবর্তী ডাকসু কখন হবে? এই প্রশ্নে ট্রেজার মহোদয় বলেছেন, এই বিষয়ে কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এবং ইউজিসিকে চিঠি পাঠানো হয়নি, এছাড়াও বাজেট বরাদ্দ হয়নি। অথচ আমরা ডাকসুর বাজেট নিয়ে একদম শুরু থেকে কথা বলে আসছি। পরবর্তী ডাকসু তারা কীভাবে বাস্তবায়ন করবেন, সেই বিষয়ে এখন পর্যন্ত তারা কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি।
শাহবাগ থানায় হামলার ব্যাপারে তিনি বলেন, আমরা দেখেছি শাহবাগ থানায় যে ব্যক্তি হামলা করেছে ঠিক সেই ব্যক্তি অন্যান্য হামলাগুলোর সঙ্গেও জড়িত ছিল। আমরা দেখেছি শহীদুল্লাহ হলে শিক্ষার্থীদের উপর কারা হামলা করেছে। এই হামলাগুলোর বিচার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্রুততার সঙ্গে করতে ব্যর্থ হয়েছে। তারা আমাদেরকে সর্বশেষ বলেছে, রবি এবং সোমবারের ভেতরে তারা এই হামলার তদন্ত পেশ করবে সবার সামনে। যদি তারা এটি করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আমরা আমাদের জায়গা থেকে এই তদন্ত রিপোর্ট বের করতে যে ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া দরকার সেটাই নেবো।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদুল ইসলাম বলেন, ডাকসু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিকার যা বিভিন্ন সময় সরকারি দলের প্রভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর এই অধিকারটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, ডাকসুর মেয়াদ শেষের দিকে আসলেও পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এক ধরনের তালবাহানা করছে। তাই তিনি প্রশাসনের কাছে দ্রুত সময়ের মধ্যে পরবর্তী নির্বাচনের একটি বিস্তারিত রূপরেখা পেশ করার আহ্বান জানান।
তিনি শাহবাগ থানায় গণমাধ্যমের উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃবৃন্দের ওপর হামলার ঘটনার কথা উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, পর্যাপ্ত ভিডিও ফুটেজ এবং তথ্য থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্তের নামে সময়ক্ষেপণ করছে এবং কোনো আপডেট দিচ্ছে না।
তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসন ক্ষমতাসীন দলের চাপে পড়ে বিভিন্ন বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিলেও, নির্বাচিত ছাত্রদের ওপর হামলার বিচার বা তদন্তের ক্ষেত্রে বারবার গড়িমসি করছে।
তিনি ক্ষমতাসীন দলের ‘পেটুয়া বাহিনী’ হিসেবে অভিহিত করে সারা দেশে ছাত্রদলের চলমান কর্মকাণ্ড ও সন্ত্রাসের সমালোচনা করেন।
তাদের দাবিগুলো হলো: অবিলম্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করতে হবে। ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যতে ডাকসু নির্বাচন নিয়মিত করার লক্ষ্যে একটি স্থায়ী নির্বাচন-রোডম্যাপ প্রণয়ন করতে হবে। ডাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহযোগিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

ডাকসুর এজিএস ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাবি সভাপতি মহিউদ্দিন খান বলেছেন, যখনই কোনো রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় এসেছে, ডাকসুকে বন্ধ করে দেওয়ার পাঁয়তারা করেছে। কারণ ডাকসুর মাধ্যমে ক্যাম্পাসে যদি শিক্ষার্থীদের মতামত প্রকাশের সুযোগ থাকে, তাহলে সেটি তাদেরকে চাপে ফেলতে পারে। এই কারণে তারা ভয় তারিত হয়ে ডাকসুকে সবসময় বন্ধ রাখতে চেয়েছে। আমরা ক্যাম্পাসে ৯০-এর পূর্বাভাস লক্ষ্য করছি। তারা সম্ভবত ডাকসুকে বন্ধ করার পরিকল্পনা করছে, কিন্তু পরবর্তী ডাকসু নির্বাচন আমরা আদায় করেই ছাড়ব।
বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যা ছয়টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি ডাকসুর মেয়াদ শেষের দিকে আসায় উপাচার্যের কাছে অবিলম্বে ডাকসু নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, আজকে আমরা দুটি বিষয়ে কথা বলেছি। প্রথমটা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে—এটি সাধারণ চিরাচরিত নিয়ম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আজকে যখন আমরা এই দাবি নিয়ে গেলাম যে পরবর্তী ডাকসু কখন হবে? এই প্রশ্নে ট্রেজার মহোদয় বলেছেন, এই বিষয়ে কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এবং ইউজিসিকে চিঠি পাঠানো হয়নি, এছাড়াও বাজেট বরাদ্দ হয়নি। অথচ আমরা ডাকসুর বাজেট নিয়ে একদম শুরু থেকে কথা বলে আসছি। পরবর্তী ডাকসু তারা কীভাবে বাস্তবায়ন করবেন, সেই বিষয়ে এখন পর্যন্ত তারা কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি।
শাহবাগ থানায় হামলার ব্যাপারে তিনি বলেন, আমরা দেখেছি শাহবাগ থানায় যে ব্যক্তি হামলা করেছে ঠিক সেই ব্যক্তি অন্যান্য হামলাগুলোর সঙ্গেও জড়িত ছিল। আমরা দেখেছি শহীদুল্লাহ হলে শিক্ষার্থীদের উপর কারা হামলা করেছে। এই হামলাগুলোর বিচার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্রুততার সঙ্গে করতে ব্যর্থ হয়েছে। তারা আমাদেরকে সর্বশেষ বলেছে, রবি এবং সোমবারের ভেতরে তারা এই হামলার তদন্ত পেশ করবে সবার সামনে। যদি তারা এটি করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আমরা আমাদের জায়গা থেকে এই তদন্ত রিপোর্ট বের করতে যে ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া দরকার সেটাই নেবো।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদুল ইসলাম বলেন, ডাকসু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিকার যা বিভিন্ন সময় সরকারি দলের প্রভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর এই অধিকারটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, ডাকসুর মেয়াদ শেষের দিকে আসলেও পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এক ধরনের তালবাহানা করছে। তাই তিনি প্রশাসনের কাছে দ্রুত সময়ের মধ্যে পরবর্তী নির্বাচনের একটি বিস্তারিত রূপরেখা পেশ করার আহ্বান জানান।
তিনি শাহবাগ থানায় গণমাধ্যমের উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃবৃন্দের ওপর হামলার ঘটনার কথা উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, পর্যাপ্ত ভিডিও ফুটেজ এবং তথ্য থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্তের নামে সময়ক্ষেপণ করছে এবং কোনো আপডেট দিচ্ছে না।
তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসন ক্ষমতাসীন দলের চাপে পড়ে বিভিন্ন বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিলেও, নির্বাচিত ছাত্রদের ওপর হামলার বিচার বা তদন্তের ক্ষেত্রে বারবার গড়িমসি করছে।
তিনি ক্ষমতাসীন দলের ‘পেটুয়া বাহিনী’ হিসেবে অভিহিত করে সারা দেশে ছাত্রদলের চলমান কর্মকাণ্ড ও সন্ত্রাসের সমালোচনা করেন।
তাদের দাবিগুলো হলো: অবিলম্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করতে হবে। ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যতে ডাকসু নির্বাচন নিয়মিত করার লক্ষ্যে একটি স্থায়ী নির্বাচন-রোডম্যাপ প্রণয়ন করতে হবে। ডাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহযোগিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

ক্যাম্পাসে ৯০ দশকের পূর্বাভাস লক্ষ্য করছি: ডাকসু এজিএস
ঢাবি সংবাদদাতা

ডাকসুর এজিএস ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাবি সভাপতি মহিউদ্দিন খান বলেছেন, যখনই কোনো রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় এসেছে, ডাকসুকে বন্ধ করে দেওয়ার পাঁয়তারা করেছে। কারণ ডাকসুর মাধ্যমে ক্যাম্পাসে যদি শিক্ষার্থীদের মতামত প্রকাশের সুযোগ থাকে, তাহলে সেটি তাদেরকে চাপে ফেলতে পারে। এই কারণে তারা ভয় তারিত হয়ে ডাকসুকে সবসময় বন্ধ রাখতে চেয়েছে। আমরা ক্যাম্পাসে ৯০-এর পূর্বাভাস লক্ষ্য করছি। তারা সম্ভবত ডাকসুকে বন্ধ করার পরিকল্পনা করছে, কিন্তু পরবর্তী ডাকসু নির্বাচন আমরা আদায় করেই ছাড়ব।
বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যা ছয়টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি ডাকসুর মেয়াদ শেষের দিকে আসায় উপাচার্যের কাছে অবিলম্বে ডাকসু নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, আজকে আমরা দুটি বিষয়ে কথা বলেছি। প্রথমটা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে—এটি সাধারণ চিরাচরিত নিয়ম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আজকে যখন আমরা এই দাবি নিয়ে গেলাম যে পরবর্তী ডাকসু কখন হবে? এই প্রশ্নে ট্রেজার মহোদয় বলেছেন, এই বিষয়ে কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এবং ইউজিসিকে চিঠি পাঠানো হয়নি, এছাড়াও বাজেট বরাদ্দ হয়নি। অথচ আমরা ডাকসুর বাজেট নিয়ে একদম শুরু থেকে কথা বলে আসছি। পরবর্তী ডাকসু তারা কীভাবে বাস্তবায়ন করবেন, সেই বিষয়ে এখন পর্যন্ত তারা কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি।
শাহবাগ থানায় হামলার ব্যাপারে তিনি বলেন, আমরা দেখেছি শাহবাগ থানায় যে ব্যক্তি হামলা করেছে ঠিক সেই ব্যক্তি অন্যান্য হামলাগুলোর সঙ্গেও জড়িত ছিল। আমরা দেখেছি শহীদুল্লাহ হলে শিক্ষার্থীদের উপর কারা হামলা করেছে। এই হামলাগুলোর বিচার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্রুততার সঙ্গে করতে ব্যর্থ হয়েছে। তারা আমাদেরকে সর্বশেষ বলেছে, রবি এবং সোমবারের ভেতরে তারা এই হামলার তদন্ত পেশ করবে সবার সামনে। যদি তারা এটি করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আমরা আমাদের জায়গা থেকে এই তদন্ত রিপোর্ট বের করতে যে ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া দরকার সেটাই নেবো।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদুল ইসলাম বলেন, ডাকসু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিকার যা বিভিন্ন সময় সরকারি দলের প্রভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর এই অধিকারটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, ডাকসুর মেয়াদ শেষের দিকে আসলেও পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এক ধরনের তালবাহানা করছে। তাই তিনি প্রশাসনের কাছে দ্রুত সময়ের মধ্যে পরবর্তী নির্বাচনের একটি বিস্তারিত রূপরেখা পেশ করার আহ্বান জানান।
তিনি শাহবাগ থানায় গণমাধ্যমের উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃবৃন্দের ওপর হামলার ঘটনার কথা উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, পর্যাপ্ত ভিডিও ফুটেজ এবং তথ্য থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্তের নামে সময়ক্ষেপণ করছে এবং কোনো আপডেট দিচ্ছে না।
তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসন ক্ষমতাসীন দলের চাপে পড়ে বিভিন্ন বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিলেও, নির্বাচিত ছাত্রদের ওপর হামলার বিচার বা তদন্তের ক্ষেত্রে বারবার গড়িমসি করছে।
তিনি ক্ষমতাসীন দলের ‘পেটুয়া বাহিনী’ হিসেবে অভিহিত করে সারা দেশে ছাত্রদলের চলমান কর্মকাণ্ড ও সন্ত্রাসের সমালোচনা করেন।
তাদের দাবিগুলো হলো: অবিলম্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করতে হবে। ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যতে ডাকসু নির্বাচন নিয়মিত করার লক্ষ্যে একটি স্থায়ী নির্বাচন-রোডম্যাপ প্রণয়ন করতে হবে। ডাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহযোগিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।









