হলের সিট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ, ঢাকা কলেজে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের ডাক

হলের সিট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ, ঢাকা কলেজে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের ডাক
ঢাকা কলেজ সংবাদদাতা

ঢাকা কলেজের ছাত্রাবাসে সিট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ২টায় কলেজের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, হলের সিট বরাদ্দের ক্ষেত্রে মেধা, শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি ও পরিবারের আর্থিক অবস্থা বিবেচনার কথা বলা হলেও বাস্তবে তা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। বিভাগ থেকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা যোগ্য শিক্ষার্থীদের নাম বাদ দিয়ে অন্যদের সিট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগও করেছেন তারা।
শিক্ষার্থীদের দাবি, বিভিন্ন বিভাগের পক্ষ থেকে যাচাই-বাছাই ও ভাইভার মাধ্যমে সিটের জন্য যেসব শিক্ষার্থীর নাম সুপারিশ করা হয়েছিল, চূড়ান্ত তালিকায় তাদের কয়েকজনের নাম পাওয়া যায়নি। এর বিপরীতে অপেক্ষাকৃত কম যোগ্যতার শিক্ষার্থীরা সিট পেয়েছেন।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মিটু দাসের উদাহরণ তুলে ধরে অংকন চন্দ্র নামে এক শিক্ষার্থী ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, সম্প্রতি মিটু তার বাবাকে হারিয়েছেন। পারিবারিক সংকটের মধ্যেও পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি ফুডপান্ডায় কাজ করছেন। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য বিভিন্ন ছাত্রাবাসে সিট বরাদ্দের তালিকায় তার নাম নেই।
অন্যদিকে কলেজের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মঞ্জু সিট বরাদ্দ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি ইংরেজি বিভাগ থেকে সাত কলেজের মধ্যে প্রথম হয়েছি। বিভাগ থেকে আমার নামও দেওয়া হয়েছিল। অথচ হলে সিট পেয়েছে এমন শিক্ষার্থীরা, যারা তিন থেকে চারটি বিষয়ে ফেল করেছে।’
এদিকে ঢাকা কলেজ ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ রানা ফেসবুক পোস্টে সিট বরাদ্দের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, কলেজ প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি, পরীক্ষার ফলাফল ও পরিবারের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় সিট বরাদ্দের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে বিভাগ থেকে ভাইভার মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে সুপারিশ করা কয়েকজন শিক্ষার্থীর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে মেধা, উপস্থিতি ও আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দের মানদণ্ড যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
মাসুদ রানার দাবি, তিনি একজন দরিদ্র শিক্ষার্থীসহ কয়েকজন যোগ্য শিক্ষার্থীর জন্য সুপারিশ করেছিলেন। কিন্তু তাদেরও সিট দেওয়া হয়নি।
শিক্ষার্থীরা সিট বরাদ্দের তালিকা পুনর্বিবেচনা, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় সিট বরাদ্দ এবং অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এসব দাবিতে আজকের বিক্ষোভ ও সংবাদ সম্মেলন থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

ঢাকা কলেজের ছাত্রাবাসে সিট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ২টায় কলেজের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, হলের সিট বরাদ্দের ক্ষেত্রে মেধা, শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি ও পরিবারের আর্থিক অবস্থা বিবেচনার কথা বলা হলেও বাস্তবে তা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। বিভাগ থেকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা যোগ্য শিক্ষার্থীদের নাম বাদ দিয়ে অন্যদের সিট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগও করেছেন তারা।
শিক্ষার্থীদের দাবি, বিভিন্ন বিভাগের পক্ষ থেকে যাচাই-বাছাই ও ভাইভার মাধ্যমে সিটের জন্য যেসব শিক্ষার্থীর নাম সুপারিশ করা হয়েছিল, চূড়ান্ত তালিকায় তাদের কয়েকজনের নাম পাওয়া যায়নি। এর বিপরীতে অপেক্ষাকৃত কম যোগ্যতার শিক্ষার্থীরা সিট পেয়েছেন।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মিটু দাসের উদাহরণ তুলে ধরে অংকন চন্দ্র নামে এক শিক্ষার্থী ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, সম্প্রতি মিটু তার বাবাকে হারিয়েছেন। পারিবারিক সংকটের মধ্যেও পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি ফুডপান্ডায় কাজ করছেন। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য বিভিন্ন ছাত্রাবাসে সিট বরাদ্দের তালিকায় তার নাম নেই।
অন্যদিকে কলেজের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মঞ্জু সিট বরাদ্দ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি ইংরেজি বিভাগ থেকে সাত কলেজের মধ্যে প্রথম হয়েছি। বিভাগ থেকে আমার নামও দেওয়া হয়েছিল। অথচ হলে সিট পেয়েছে এমন শিক্ষার্থীরা, যারা তিন থেকে চারটি বিষয়ে ফেল করেছে।’
এদিকে ঢাকা কলেজ ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ রানা ফেসবুক পোস্টে সিট বরাদ্দের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, কলেজ প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি, পরীক্ষার ফলাফল ও পরিবারের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় সিট বরাদ্দের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে বিভাগ থেকে ভাইভার মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে সুপারিশ করা কয়েকজন শিক্ষার্থীর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে মেধা, উপস্থিতি ও আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দের মানদণ্ড যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
মাসুদ রানার দাবি, তিনি একজন দরিদ্র শিক্ষার্থীসহ কয়েকজন যোগ্য শিক্ষার্থীর জন্য সুপারিশ করেছিলেন। কিন্তু তাদেরও সিট দেওয়া হয়নি।
শিক্ষার্থীরা সিট বরাদ্দের তালিকা পুনর্বিবেচনা, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় সিট বরাদ্দ এবং অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এসব দাবিতে আজকের বিক্ষোভ ও সংবাদ সম্মেলন থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

হলের সিট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ, ঢাকা কলেজে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের ডাক
ঢাকা কলেজ সংবাদদাতা

ঢাকা কলেজের ছাত্রাবাসে সিট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ২টায় কলেজের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, হলের সিট বরাদ্দের ক্ষেত্রে মেধা, শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি ও পরিবারের আর্থিক অবস্থা বিবেচনার কথা বলা হলেও বাস্তবে তা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। বিভাগ থেকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা যোগ্য শিক্ষার্থীদের নাম বাদ দিয়ে অন্যদের সিট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগও করেছেন তারা।
শিক্ষার্থীদের দাবি, বিভিন্ন বিভাগের পক্ষ থেকে যাচাই-বাছাই ও ভাইভার মাধ্যমে সিটের জন্য যেসব শিক্ষার্থীর নাম সুপারিশ করা হয়েছিল, চূড়ান্ত তালিকায় তাদের কয়েকজনের নাম পাওয়া যায়নি। এর বিপরীতে অপেক্ষাকৃত কম যোগ্যতার শিক্ষার্থীরা সিট পেয়েছেন।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মিটু দাসের উদাহরণ তুলে ধরে অংকন চন্দ্র নামে এক শিক্ষার্থী ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, সম্প্রতি মিটু তার বাবাকে হারিয়েছেন। পারিবারিক সংকটের মধ্যেও পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি ফুডপান্ডায় কাজ করছেন। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য বিভিন্ন ছাত্রাবাসে সিট বরাদ্দের তালিকায় তার নাম নেই।
অন্যদিকে কলেজের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মঞ্জু সিট বরাদ্দ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি ইংরেজি বিভাগ থেকে সাত কলেজের মধ্যে প্রথম হয়েছি। বিভাগ থেকে আমার নামও দেওয়া হয়েছিল। অথচ হলে সিট পেয়েছে এমন শিক্ষার্থীরা, যারা তিন থেকে চারটি বিষয়ে ফেল করেছে।’
এদিকে ঢাকা কলেজ ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ রানা ফেসবুক পোস্টে সিট বরাদ্দের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, কলেজ প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি, পরীক্ষার ফলাফল ও পরিবারের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় সিট বরাদ্দের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে বিভাগ থেকে ভাইভার মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে সুপারিশ করা কয়েকজন শিক্ষার্থীর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে মেধা, উপস্থিতি ও আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দের মানদণ্ড যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
মাসুদ রানার দাবি, তিনি একজন দরিদ্র শিক্ষার্থীসহ কয়েকজন যোগ্য শিক্ষার্থীর জন্য সুপারিশ করেছিলেন। কিন্তু তাদেরও সিট দেওয়া হয়নি।
শিক্ষার্থীরা সিট বরাদ্দের তালিকা পুনর্বিবেচনা, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় সিট বরাদ্দ এবং অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এসব দাবিতে আজকের বিক্ষোভ ও সংবাদ সম্মেলন থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

ডিসিইউ’র ভিসিকে ‘থামানোর’ আহ্বান সাবেক ঢাকা কলেজ অধ্যক্ষের







