সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধিতে ব্যবসায়ীদের কারসাজি, বিপাকে ক্রেতা
সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধিতে ব্যবসায়ীদের কারসাজি, বিপাকে ক্রেতা
অভিযোগ উঠেছে, সরকার অনুমতি দেওয়ার আগেই বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) থেকে নিজেরাই নতুন দাম কার্যকর করে নিয়েছে ব্যবসায়ীরা।


টুথপেস্টের পর এবার দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলে উদ্বেগজনক হারে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি মিলেছে। রাজধানী ঢাকার বাজার থেকে সংগ্রহ করা প্রতি লিটার তেলে গড়ে ৫৩ হাজার ৯২২টি প্লাস্টিক কণার সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা। বোতলজাত তেলের চেয়ে খোলা তেলে এর মাত্রা বেশি।

চার কোটি লিটার পরিশোধিত ভোজ্যতেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে এক কোটি লিটার রাইস ব্রাণ অয়েল ও এক কোটি লিটার পাম অলিন তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের অস্থিরতা এবং অভ্যন্তরীণ সরবরাহের বিষয়টি মাথায় রেখেই এই সমন্বয় করা হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, সরকার অনুমতি দেওয়ার আগেই বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) থেকে নিজেরাই নতুন দাম কার্যকর করে নিয়েছে ব্যবসায়ীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্য উপেক্ষা করে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ৩০ থেকে ৩৪ টাকা বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। কোথাও আবার বোতলজাত তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে।

মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাটে ব্রেক ফেল করে ২৪ হাজার লিটার সয়াবিন তেলবোঝাই একটি লরি নদীতে পড়ে ডুবে যায়। পরে লরিটি উদ্ধার করা হয়েছে।

নিম্নআয়ের পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে বিক্রির জন্য সরকার ১ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে সৌদি আরব থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, ২ কোটি লিটারের বেশি সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে তিনি
