
লারিজানি গত এক বছরে ইরানের নিরাপত্তা কাঠামোর অন্যতম শক্তিশালী ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। পারমাণবিক আলোচনা থেকে শুরু করে আঞ্চলিক সম্পর্ক এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ দমনে লারিজানি বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে ইরানের রাজধানী তেহরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে এই বিক্ষোভ দেশটির বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে। এই বিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

তেহরান বলেছে, তারা পাল্টা জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো সীমাবদ্ধতা রাখবে না এবং আগে হামলার শিকার হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে না।

একইসঙ্গে রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন শহরে বর্তমান শাসনব্যবস্থার অবসান দাবিতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসে।