এআইয়ের কারণে ১০০ কোটি মানুষের মৃত্যু হতে পারে: বিল গেটস

এআইয়ের কারণে ১০০ কোটি মানুষের মৃত্যু হতে পারে: বিল গেটস
সিজেডএন ডেস্ক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের বিপদ ঠেকাতে শুধু কিল সুইচ বা জরুরি বন্ধ করার ব্যবস্থা থাকলেই যে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে মনে করেন না মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস।
এআইয়ের কারণে ১০০ কোটি মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন তিনি।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এনবিসির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান 'মিট দ্য প্রেস'-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ শঙ্কা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, প্রযুক্তিটি এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে যে এটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বিশেষ করে সন্ত্রাসীরা এটি ব্যবহার করে যে ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারে, তা মানব ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রের চেয়েও ভয়ংকর হতে পারে।
সাক্ষাৎকারে এ ধন কুবের বলেন, ‘শুধু একটি কিল সুইচ থাকলেই যথেষ্ট নয়। আমি কখনোই বলতে চাইব না যে আমি কিল সুইচের বিপক্ষে। কিন্তু যখন আপনি খারাপ আচরণ নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন, তখন কী করা হচ্ছে সে বিষয়ে আপনার অন্তর্দৃষ্টি এবং তার রেকর্ড প্রয়োজন।’
তার মতে, শুধু হঠাৎ করে মেশিন বন্ধ করে দেওয়ার বন্দোবস্ত নয়, বরং ল্যাবগুলোতে এআই মডেলগুলো ঠিক কী ধরনের আচরণ করছে তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং প্রযুক্তির ভেতরেই সুরক্ষাবলয় তৈরি করা এখন সময়ের দাবি।
এআইয়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাম্প্রতিক মতপার্থক্যের প্রসঙ্গও এড়িয়ে যাননি তিনি। ট্রাম্প মনে করেন, সরকারের বাড়তি কড়াকড়ি থাকলে চীনের সঙ্গে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়তে পারে আমেরিকা।
গেটস আশা প্রকাশ করেছেন, আলোচনার মাধ্যমে এ বিষয়ে সবাই একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবেন। তিনি বলেন, ‘তিনি (ট্রাম্প) যা বলেছেন, তা ঠিক আছে। কিন্তু আমি মনে করি, তিনি আমার এবং অন্যদের কাছ থেকে শোনার পর এ বিষয়ে আমরা একটি ঐকমত্যে পৌঁছাব।’
একই সঙ্গে গেটস মনে করিয়ে দেন, পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অতীতে শীতল যুদ্ধের সময় যে কূটনৈতিক কসরত করতে হয়েছিল, এআই নিয়ন্ত্রণ তার চেয়েও অনেক বেশি কঠিন একটা চ্যালেঞ্জ।
তার মতে, অবাধ্য কোনো রোবটের দুনিয়া দখল করার চেয়েও তাৎক্ষণিক বড় হুমকি হলো অসৎ মানুষদের হাতে এ প্রযুক্তির অপব্যবহার। সাইবার আক্রমণ চালানো, ব্যাংকিং সিস্টেম ওলট-পালট করে দেওয়ার মতো কাজ এখন ছোট ছোট অপরাধী চক্রও খুব সহজে করে ফেলতে পারে।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে ছোট ছোট গোষ্ঠী এমন কাজ করতে পারে, যা আগে কেবল সবচেয়ে বড় দেশগুলোই করতে পারত। মূল হুমকি হলো অসৎ উদ্দেশ্যের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংমিশ্রণ। সরকারগুলো বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা বাধ্যতামূলক না করলে আমরা অনেক বড় ধরনের নেতিবাচক ঘটনা দেখতে পাব, কারণ আমরা নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করছি না।’
এ টেক জায়ান্ট মনে করেন, বিমান চলাচলের নিরাপত্তা বা পরমাণু চুক্তির মতো গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করতে হলে বিশ্ববাসীকে এক সুরে কথা বলতে হবে। তার মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রেও পুরো বিশ্বকে একসঙ্গে থাকতে।
অ্যান্থ্রপিক ও ওপেনএআইয়ের শীর্ষ নির্বাহীরাও প্রযুক্তির বিধ্বংসী রূপের কথা জানিয়েছেন।
সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ব্যক্তিগত নানা বিতর্কের প্রসঙ্গও আসে। দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে অতীতে তার মেলামেশা নিয়ে মার্কিন বিচার বিভাগের প্রকাশিত নতুন নথি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে গেটস নিজের ভুল স্বীকার করেন।
তিনি বলেন, এপস্টিনের সঙ্গে দেখা করার পর সে আমাকে বলেছিল যে, সে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য খাতের জন্য শত শত কোটি ডলার সংগ্রহে সহায়তা করতে পারবে- আপনারা জানেন, এর জন্য তাকে কোনো অর্থ দেওয়া হবে না, তার কোনো ভূমিকা থাকবে না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি পুরোপুরি ব্যর্থ উদ্যোগে পরিণত হয়।
সূত্র: এনবিসি নিউজ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের বিপদ ঠেকাতে শুধু কিল সুইচ বা জরুরি বন্ধ করার ব্যবস্থা থাকলেই যে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে মনে করেন না মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস।
এআইয়ের কারণে ১০০ কোটি মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন তিনি।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এনবিসির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান 'মিট দ্য প্রেস'-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ শঙ্কা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, প্রযুক্তিটি এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে যে এটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বিশেষ করে সন্ত্রাসীরা এটি ব্যবহার করে যে ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারে, তা মানব ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রের চেয়েও ভয়ংকর হতে পারে।
সাক্ষাৎকারে এ ধন কুবের বলেন, ‘শুধু একটি কিল সুইচ থাকলেই যথেষ্ট নয়। আমি কখনোই বলতে চাইব না যে আমি কিল সুইচের বিপক্ষে। কিন্তু যখন আপনি খারাপ আচরণ নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন, তখন কী করা হচ্ছে সে বিষয়ে আপনার অন্তর্দৃষ্টি এবং তার রেকর্ড প্রয়োজন।’
তার মতে, শুধু হঠাৎ করে মেশিন বন্ধ করে দেওয়ার বন্দোবস্ত নয়, বরং ল্যাবগুলোতে এআই মডেলগুলো ঠিক কী ধরনের আচরণ করছে তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং প্রযুক্তির ভেতরেই সুরক্ষাবলয় তৈরি করা এখন সময়ের দাবি।
এআইয়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাম্প্রতিক মতপার্থক্যের প্রসঙ্গও এড়িয়ে যাননি তিনি। ট্রাম্প মনে করেন, সরকারের বাড়তি কড়াকড়ি থাকলে চীনের সঙ্গে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়তে পারে আমেরিকা।
গেটস আশা প্রকাশ করেছেন, আলোচনার মাধ্যমে এ বিষয়ে সবাই একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবেন। তিনি বলেন, ‘তিনি (ট্রাম্প) যা বলেছেন, তা ঠিক আছে। কিন্তু আমি মনে করি, তিনি আমার এবং অন্যদের কাছ থেকে শোনার পর এ বিষয়ে আমরা একটি ঐকমত্যে পৌঁছাব।’
একই সঙ্গে গেটস মনে করিয়ে দেন, পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অতীতে শীতল যুদ্ধের সময় যে কূটনৈতিক কসরত করতে হয়েছিল, এআই নিয়ন্ত্রণ তার চেয়েও অনেক বেশি কঠিন একটা চ্যালেঞ্জ।
তার মতে, অবাধ্য কোনো রোবটের দুনিয়া দখল করার চেয়েও তাৎক্ষণিক বড় হুমকি হলো অসৎ মানুষদের হাতে এ প্রযুক্তির অপব্যবহার। সাইবার আক্রমণ চালানো, ব্যাংকিং সিস্টেম ওলট-পালট করে দেওয়ার মতো কাজ এখন ছোট ছোট অপরাধী চক্রও খুব সহজে করে ফেলতে পারে।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে ছোট ছোট গোষ্ঠী এমন কাজ করতে পারে, যা আগে কেবল সবচেয়ে বড় দেশগুলোই করতে পারত। মূল হুমকি হলো অসৎ উদ্দেশ্যের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংমিশ্রণ। সরকারগুলো বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা বাধ্যতামূলক না করলে আমরা অনেক বড় ধরনের নেতিবাচক ঘটনা দেখতে পাব, কারণ আমরা নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করছি না।’
এ টেক জায়ান্ট মনে করেন, বিমান চলাচলের নিরাপত্তা বা পরমাণু চুক্তির মতো গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করতে হলে বিশ্ববাসীকে এক সুরে কথা বলতে হবে। তার মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রেও পুরো বিশ্বকে একসঙ্গে থাকতে।
অ্যান্থ্রপিক ও ওপেনএআইয়ের শীর্ষ নির্বাহীরাও প্রযুক্তির বিধ্বংসী রূপের কথা জানিয়েছেন।
সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ব্যক্তিগত নানা বিতর্কের প্রসঙ্গও আসে। দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে অতীতে তার মেলামেশা নিয়ে মার্কিন বিচার বিভাগের প্রকাশিত নতুন নথি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে গেটস নিজের ভুল স্বীকার করেন।
তিনি বলেন, এপস্টিনের সঙ্গে দেখা করার পর সে আমাকে বলেছিল যে, সে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য খাতের জন্য শত শত কোটি ডলার সংগ্রহে সহায়তা করতে পারবে- আপনারা জানেন, এর জন্য তাকে কোনো অর্থ দেওয়া হবে না, তার কোনো ভূমিকা থাকবে না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি পুরোপুরি ব্যর্থ উদ্যোগে পরিণত হয়।
সূত্র: এনবিসি নিউজ

এআইয়ের কারণে ১০০ কোটি মানুষের মৃত্যু হতে পারে: বিল গেটস
সিজেডএন ডেস্ক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের বিপদ ঠেকাতে শুধু কিল সুইচ বা জরুরি বন্ধ করার ব্যবস্থা থাকলেই যে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে মনে করেন না মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস।
এআইয়ের কারণে ১০০ কোটি মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন তিনি।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এনবিসির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান 'মিট দ্য প্রেস'-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ শঙ্কা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, প্রযুক্তিটি এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে যে এটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বিশেষ করে সন্ত্রাসীরা এটি ব্যবহার করে যে ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারে, তা মানব ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রের চেয়েও ভয়ংকর হতে পারে।
সাক্ষাৎকারে এ ধন কুবের বলেন, ‘শুধু একটি কিল সুইচ থাকলেই যথেষ্ট নয়। আমি কখনোই বলতে চাইব না যে আমি কিল সুইচের বিপক্ষে। কিন্তু যখন আপনি খারাপ আচরণ নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন, তখন কী করা হচ্ছে সে বিষয়ে আপনার অন্তর্দৃষ্টি এবং তার রেকর্ড প্রয়োজন।’
তার মতে, শুধু হঠাৎ করে মেশিন বন্ধ করে দেওয়ার বন্দোবস্ত নয়, বরং ল্যাবগুলোতে এআই মডেলগুলো ঠিক কী ধরনের আচরণ করছে তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং প্রযুক্তির ভেতরেই সুরক্ষাবলয় তৈরি করা এখন সময়ের দাবি।
এআইয়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাম্প্রতিক মতপার্থক্যের প্রসঙ্গও এড়িয়ে যাননি তিনি। ট্রাম্প মনে করেন, সরকারের বাড়তি কড়াকড়ি থাকলে চীনের সঙ্গে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়তে পারে আমেরিকা।
গেটস আশা প্রকাশ করেছেন, আলোচনার মাধ্যমে এ বিষয়ে সবাই একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবেন। তিনি বলেন, ‘তিনি (ট্রাম্প) যা বলেছেন, তা ঠিক আছে। কিন্তু আমি মনে করি, তিনি আমার এবং অন্যদের কাছ থেকে শোনার পর এ বিষয়ে আমরা একটি ঐকমত্যে পৌঁছাব।’
একই সঙ্গে গেটস মনে করিয়ে দেন, পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অতীতে শীতল যুদ্ধের সময় যে কূটনৈতিক কসরত করতে হয়েছিল, এআই নিয়ন্ত্রণ তার চেয়েও অনেক বেশি কঠিন একটা চ্যালেঞ্জ।
তার মতে, অবাধ্য কোনো রোবটের দুনিয়া দখল করার চেয়েও তাৎক্ষণিক বড় হুমকি হলো অসৎ মানুষদের হাতে এ প্রযুক্তির অপব্যবহার। সাইবার আক্রমণ চালানো, ব্যাংকিং সিস্টেম ওলট-পালট করে দেওয়ার মতো কাজ এখন ছোট ছোট অপরাধী চক্রও খুব সহজে করে ফেলতে পারে।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে ছোট ছোট গোষ্ঠী এমন কাজ করতে পারে, যা আগে কেবল সবচেয়ে বড় দেশগুলোই করতে পারত। মূল হুমকি হলো অসৎ উদ্দেশ্যের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংমিশ্রণ। সরকারগুলো বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা বাধ্যতামূলক না করলে আমরা অনেক বড় ধরনের নেতিবাচক ঘটনা দেখতে পাব, কারণ আমরা নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করছি না।’
এ টেক জায়ান্ট মনে করেন, বিমান চলাচলের নিরাপত্তা বা পরমাণু চুক্তির মতো গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করতে হলে বিশ্ববাসীকে এক সুরে কথা বলতে হবে। তার মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রেও পুরো বিশ্বকে একসঙ্গে থাকতে।
অ্যান্থ্রপিক ও ওপেনএআইয়ের শীর্ষ নির্বাহীরাও প্রযুক্তির বিধ্বংসী রূপের কথা জানিয়েছেন।
সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ব্যক্তিগত নানা বিতর্কের প্রসঙ্গও আসে। দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে অতীতে তার মেলামেশা নিয়ে মার্কিন বিচার বিভাগের প্রকাশিত নতুন নথি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে গেটস নিজের ভুল স্বীকার করেন।
তিনি বলেন, এপস্টিনের সঙ্গে দেখা করার পর সে আমাকে বলেছিল যে, সে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য খাতের জন্য শত শত কোটি ডলার সংগ্রহে সহায়তা করতে পারবে- আপনারা জানেন, এর জন্য তাকে কোনো অর্থ দেওয়া হবে না, তার কোনো ভূমিকা থাকবে না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি পুরোপুরি ব্যর্থ উদ্যোগে পরিণত হয়।
সূত্র: এনবিসি নিউজ

এআইয়ের সাহায্যে জালিয়াতি: ইতালির শীর্ষ ব্যাংক থেকে সাড়ে ৯ কোটি ইউরো গায়েব







