এআইয়ের সাহায্যে জালিয়াতি: ইতালির শীর্ষ ব্যাংক থেকে সাড়ে ৯ কোটি ইউরো গায়েব

এআইয়ের সাহায্যে জালিয়াতি: ইতালির শীর্ষ ব্যাংক থেকে সাড়ে ৯ কোটি ইউরো গায়েব
সিজেডএন ডেস্ক

ইতালিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সাহায্য নিয়ে দেশটির সর্ববৃহৎ ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান ইন্তেসা সানপাওলোর প্রাইভেট ব্যাংকিং শাখা ‘ফিদিয়ুরাম’ থেকে ৯ কোটি ৫০ লাখ ইউরো (প্রায় ১০ কোটি ৮০ লাখ ডলার) হাতিয়ে নিয়েছে একদল প্রতারক। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইতালির সংবাদমাধ্যম ‘করিয়েরে দেল্লা সেরা’ প্রথম এ জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ করে। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল ফেব্রুয়ারিতে। ফিদিয়ুরামের তৎকালীন চেয়ারম্যান পাওলো মোলেসিনি একটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা পান। বার্তাটি দেখে তার মনে হয়েছিল সেটি মূল প্রতিষ্ঠান ইন্তেসা সানপাওলোর প্রধান নির্বাহী কার্লো মেসিনার কাছ থেকে এসেছে। বার্তায় একটি বৈদেশিক লেনদেনের জন্য জরুরি ভিত্তিতে সাহায্য চাওয়া হয়েছিল।
এরপর নির্দেশনার সত্যতা নিশ্চিতে একটি নামী আইনি প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ অংশীদারের নম্বর থেকে একটি ফোন কল আসে। প্রতারকেরা এআই প্রযুক্তির সাহায্যে ওই আইনজীবীর কণ্ঠস্বর এমন নিখুঁতভাবে নকল করেছিল যে, মোলেসিনি একচুলও সন্দেহ করেননি।
বার্তা ও ফোন কল পুরোপুরি আসল ভেবে মোলেসিনি কোনো ঝুঁকি নেননি। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তার অর্থ বিভাগকে চীন ও হংকংয়ের কয়েকটি বিদেশি অ্যাকাউন্টে মোটা অঙ্কের অর্থ স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। তবে ইন্তেসা সানপাওলো ও ফিদিয়ুরামের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খুলতে কেউ রাজি হয়নি।
এদিকে ফিদিয়ুরাম কর্তৃপক্ষ খুব দ্রুতই অর্থ স্থানান্তরে অনিয়ম টের পেয়ে যায়। তারা কালক্ষেপণ না করে বিভিন্ন দেশের ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়ে সতর্ক করে দেয়। পরবর্তীতে চীন, পর্তুগাল ও ইতালির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৩০ লাখ ইউরো উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে বাকি টাকাগুলোর আর কোনো হদিস মেলেনি।
প্রতারকেরা অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে বিদেশি অ্যাকাউন্টগুলোর নেটওয়ার্ক বদল করে শেষ পর্যন্ত সেই অর্থ ক্রিপ্টোকারেন্সিতে রূপান্তরিত করে। ফলে প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ ইউরোর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনার পর পাওলো মোলেসিনি বা ফিদিয়ুরামের অন্য কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত শুরু হয়নি। তবে মিলানের প্রসিকিউটররা কম্পিউটার জালিয়াতির সন্দেহে ইউরোপের বাইরে বসবাসকারী এক বিদেশি নাগরিককে তদন্তের আওতায় এনেছেন। এই কেলেঙ্কারির ঠিক পরেই মার্চে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন মোলেসিনি। সে সময় প্রতিষ্ঠানটি থেকে তার পদত্যাগের সুনির্দিষ্ট আর কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
উল্লেখ্য, ইতালিতে এআই ব্যবহার করে প্রতারণার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগেও গত বছর এক ইতালীয় মন্ত্রীর কণ্ঠস্বর নকল করে দেশটির পরিচিত ব্যবসায়ী মাসিমো মোরাত্তিকে একটি বিদেশি অ্যাকাউন্টে প্রায় ১০ লাখ ইউরো পাঠাতে বলেছিল প্রতারক চক্র। যদিও সে অর্থ পরে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল।
সূত্র: রয়টার্স

ইতালিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সাহায্য নিয়ে দেশটির সর্ববৃহৎ ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান ইন্তেসা সানপাওলোর প্রাইভেট ব্যাংকিং শাখা ‘ফিদিয়ুরাম’ থেকে ৯ কোটি ৫০ লাখ ইউরো (প্রায় ১০ কোটি ৮০ লাখ ডলার) হাতিয়ে নিয়েছে একদল প্রতারক। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইতালির সংবাদমাধ্যম ‘করিয়েরে দেল্লা সেরা’ প্রথম এ জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ করে। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল ফেব্রুয়ারিতে। ফিদিয়ুরামের তৎকালীন চেয়ারম্যান পাওলো মোলেসিনি একটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা পান। বার্তাটি দেখে তার মনে হয়েছিল সেটি মূল প্রতিষ্ঠান ইন্তেসা সানপাওলোর প্রধান নির্বাহী কার্লো মেসিনার কাছ থেকে এসেছে। বার্তায় একটি বৈদেশিক লেনদেনের জন্য জরুরি ভিত্তিতে সাহায্য চাওয়া হয়েছিল।
এরপর নির্দেশনার সত্যতা নিশ্চিতে একটি নামী আইনি প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ অংশীদারের নম্বর থেকে একটি ফোন কল আসে। প্রতারকেরা এআই প্রযুক্তির সাহায্যে ওই আইনজীবীর কণ্ঠস্বর এমন নিখুঁতভাবে নকল করেছিল যে, মোলেসিনি একচুলও সন্দেহ করেননি।
বার্তা ও ফোন কল পুরোপুরি আসল ভেবে মোলেসিনি কোনো ঝুঁকি নেননি। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তার অর্থ বিভাগকে চীন ও হংকংয়ের কয়েকটি বিদেশি অ্যাকাউন্টে মোটা অঙ্কের অর্থ স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। তবে ইন্তেসা সানপাওলো ও ফিদিয়ুরামের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খুলতে কেউ রাজি হয়নি।
এদিকে ফিদিয়ুরাম কর্তৃপক্ষ খুব দ্রুতই অর্থ স্থানান্তরে অনিয়ম টের পেয়ে যায়। তারা কালক্ষেপণ না করে বিভিন্ন দেশের ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়ে সতর্ক করে দেয়। পরবর্তীতে চীন, পর্তুগাল ও ইতালির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৩০ লাখ ইউরো উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে বাকি টাকাগুলোর আর কোনো হদিস মেলেনি।
প্রতারকেরা অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে বিদেশি অ্যাকাউন্টগুলোর নেটওয়ার্ক বদল করে শেষ পর্যন্ত সেই অর্থ ক্রিপ্টোকারেন্সিতে রূপান্তরিত করে। ফলে প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ ইউরোর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনার পর পাওলো মোলেসিনি বা ফিদিয়ুরামের অন্য কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত শুরু হয়নি। তবে মিলানের প্রসিকিউটররা কম্পিউটার জালিয়াতির সন্দেহে ইউরোপের বাইরে বসবাসকারী এক বিদেশি নাগরিককে তদন্তের আওতায় এনেছেন। এই কেলেঙ্কারির ঠিক পরেই মার্চে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন মোলেসিনি। সে সময় প্রতিষ্ঠানটি থেকে তার পদত্যাগের সুনির্দিষ্ট আর কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
উল্লেখ্য, ইতালিতে এআই ব্যবহার করে প্রতারণার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগেও গত বছর এক ইতালীয় মন্ত্রীর কণ্ঠস্বর নকল করে দেশটির পরিচিত ব্যবসায়ী মাসিমো মোরাত্তিকে একটি বিদেশি অ্যাকাউন্টে প্রায় ১০ লাখ ইউরো পাঠাতে বলেছিল প্রতারক চক্র। যদিও সে অর্থ পরে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল।
সূত্র: রয়টার্স

এআইয়ের সাহায্যে জালিয়াতি: ইতালির শীর্ষ ব্যাংক থেকে সাড়ে ৯ কোটি ইউরো গায়েব
সিজেডএন ডেস্ক

ইতালিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সাহায্য নিয়ে দেশটির সর্ববৃহৎ ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান ইন্তেসা সানপাওলোর প্রাইভেট ব্যাংকিং শাখা ‘ফিদিয়ুরাম’ থেকে ৯ কোটি ৫০ লাখ ইউরো (প্রায় ১০ কোটি ৮০ লাখ ডলার) হাতিয়ে নিয়েছে একদল প্রতারক। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইতালির সংবাদমাধ্যম ‘করিয়েরে দেল্লা সেরা’ প্রথম এ জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ করে। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল ফেব্রুয়ারিতে। ফিদিয়ুরামের তৎকালীন চেয়ারম্যান পাওলো মোলেসিনি একটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা পান। বার্তাটি দেখে তার মনে হয়েছিল সেটি মূল প্রতিষ্ঠান ইন্তেসা সানপাওলোর প্রধান নির্বাহী কার্লো মেসিনার কাছ থেকে এসেছে। বার্তায় একটি বৈদেশিক লেনদেনের জন্য জরুরি ভিত্তিতে সাহায্য চাওয়া হয়েছিল।
এরপর নির্দেশনার সত্যতা নিশ্চিতে একটি নামী আইনি প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ অংশীদারের নম্বর থেকে একটি ফোন কল আসে। প্রতারকেরা এআই প্রযুক্তির সাহায্যে ওই আইনজীবীর কণ্ঠস্বর এমন নিখুঁতভাবে নকল করেছিল যে, মোলেসিনি একচুলও সন্দেহ করেননি।
বার্তা ও ফোন কল পুরোপুরি আসল ভেবে মোলেসিনি কোনো ঝুঁকি নেননি। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তার অর্থ বিভাগকে চীন ও হংকংয়ের কয়েকটি বিদেশি অ্যাকাউন্টে মোটা অঙ্কের অর্থ স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। তবে ইন্তেসা সানপাওলো ও ফিদিয়ুরামের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খুলতে কেউ রাজি হয়নি।
এদিকে ফিদিয়ুরাম কর্তৃপক্ষ খুব দ্রুতই অর্থ স্থানান্তরে অনিয়ম টের পেয়ে যায়। তারা কালক্ষেপণ না করে বিভিন্ন দেশের ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়ে সতর্ক করে দেয়। পরবর্তীতে চীন, পর্তুগাল ও ইতালির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৩০ লাখ ইউরো উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে বাকি টাকাগুলোর আর কোনো হদিস মেলেনি।
প্রতারকেরা অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে বিদেশি অ্যাকাউন্টগুলোর নেটওয়ার্ক বদল করে শেষ পর্যন্ত সেই অর্থ ক্রিপ্টোকারেন্সিতে রূপান্তরিত করে। ফলে প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ ইউরোর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনার পর পাওলো মোলেসিনি বা ফিদিয়ুরামের অন্য কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত শুরু হয়নি। তবে মিলানের প্রসিকিউটররা কম্পিউটার জালিয়াতির সন্দেহে ইউরোপের বাইরে বসবাসকারী এক বিদেশি নাগরিককে তদন্তের আওতায় এনেছেন। এই কেলেঙ্কারির ঠিক পরেই মার্চে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন মোলেসিনি। সে সময় প্রতিষ্ঠানটি থেকে তার পদত্যাগের সুনির্দিষ্ট আর কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
উল্লেখ্য, ইতালিতে এআই ব্যবহার করে প্রতারণার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগেও গত বছর এক ইতালীয় মন্ত্রীর কণ্ঠস্বর নকল করে দেশটির পরিচিত ব্যবসায়ী মাসিমো মোরাত্তিকে একটি বিদেশি অ্যাকাউন্টে প্রায় ১০ লাখ ইউরো পাঠাতে বলেছিল প্রতারক চক্র। যদিও সে অর্থ পরে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল।
সূত্র: রয়টার্স

ইতালিতে স্কুলে বোরকা-নিকাব নিষিদ্ধ, বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নিয়ম






