ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে জিয়ার মরদেহ পাহাড়ে নিয়ে যান মোজাফফর: প্রসিকিউটর

ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে জিয়ার মরদেহ পাহাড়ে নিয়ে যান মোজাফফর: প্রসিকিউটর
সিজেডএন ডেস্ক

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যার পর তার মরদেহ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস থেকে পাহাড়ে নিয়ে গিয়েছিলেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেন। ঊর্ধ্বতন এক সেনা কর্মকর্তার নির্দেশে তিনি মরদেহ নিয়ে সেখানে যান। তবে পাহাড় থেকে মরদেহ ফেলে না দিয়ে জিয়াউর রহমানসহ তিনজনের লাশ একটি কবরে দাফন করা হয়।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় জিজ্ঞাসাবাদে মোজাফফর হোসেন নিজেই এসব তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তানভীর হাসান বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে মোজাফফর জানিয়েছেন, সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মতিউর রহমান তাকে জিয়াউর রহমানের মরদেহ পাহাড় থেকে ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওই নির্দেশ পেয়ে ১৯৮১ সালের ৩০ মে সকাল ১০টার দিকে সৈনিকদের নিয়ে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে যান তিনি।
প্রসিকিউটরের ভাষ্য অনুযায়ী, সেখান থেকে জিয়াউর রহমানের মরদেহ নিয়ে পাহাড়ে যান মোজাফফর। তবে মরদেহটি পাহাড় থেকে ফেলে দেননি তিনি। পরে একজন ইমামকে ডেকে এনে জিয়াউর রহমানসহ তিনজনের মরদেহ একই কবরে দাফন করা হয়। ওই ব্যক্তিদের মধ্যে একজন যে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি, তা ইমামকে জানানো হয়নি বলে জিজ্ঞাসাবাদে উল্লেখ করেছেন মোজাফফর।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে জানান প্রসিকিউটর তানভীর হাসান।
১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোররাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল সেনা কর্মকর্তার হাতে নিহত হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এ ঘটনার ৪৫ বছর পর গত ১৫ জুলাই রাজধানীর বনানী থেকে মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ
মোজাফফরের বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও পাসপোর্ট রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর তানভীর হাসান। জিজ্ঞাসাবাদে মোজাফফর নিজেই এসব নথি থাকার কথা জানিয়েছেন বলে জানান তিনি।
প্রসিকিউটরের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৯৭ বা ১৯৯৮ সালে দেশে এসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন মোজাফফর। এর আগে কয়েকবার চেষ্টা করেও তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। পরে সিরাজগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবে মিল্লাতের সহযোগিতায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে তাদের সাক্ষাৎ হয়।
তানভীর হাসান বলেন, ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে স্যালুট দিয়ে নিজের করণীয় জানতে চান মোজাফফর। তখন শেখ হাসিনা তাকে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীতে আত্মসমর্পণ করতেও বলেন।
পরে মোজাফফর আত্মসমর্পণ করেন। এ বিষয়ে সেনা সদর থেকে একটি চিঠিও পাঠানো হয়েছিল বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন তিনি। তবে কোনো কারণে সেনাবাহিনীতে তার যোগদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি বা বিলম্বিত হচ্ছিল। এরপর বাংলাদেশে সাধারণ ব্যবসা-বাণিজ্যে যুক্ত হন মোজাফফর।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যার পর তার মরদেহ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস থেকে পাহাড়ে নিয়ে গিয়েছিলেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেন। ঊর্ধ্বতন এক সেনা কর্মকর্তার নির্দেশে তিনি মরদেহ নিয়ে সেখানে যান। তবে পাহাড় থেকে মরদেহ ফেলে না দিয়ে জিয়াউর রহমানসহ তিনজনের লাশ একটি কবরে দাফন করা হয়।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় জিজ্ঞাসাবাদে মোজাফফর হোসেন নিজেই এসব তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তানভীর হাসান বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে মোজাফফর জানিয়েছেন, সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মতিউর রহমান তাকে জিয়াউর রহমানের মরদেহ পাহাড় থেকে ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওই নির্দেশ পেয়ে ১৯৮১ সালের ৩০ মে সকাল ১০টার দিকে সৈনিকদের নিয়ে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে যান তিনি।
প্রসিকিউটরের ভাষ্য অনুযায়ী, সেখান থেকে জিয়াউর রহমানের মরদেহ নিয়ে পাহাড়ে যান মোজাফফর। তবে মরদেহটি পাহাড় থেকে ফেলে দেননি তিনি। পরে একজন ইমামকে ডেকে এনে জিয়াউর রহমানসহ তিনজনের মরদেহ একই কবরে দাফন করা হয়। ওই ব্যক্তিদের মধ্যে একজন যে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি, তা ইমামকে জানানো হয়নি বলে জিজ্ঞাসাবাদে উল্লেখ করেছেন মোজাফফর।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে জানান প্রসিকিউটর তানভীর হাসান।
১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোররাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল সেনা কর্মকর্তার হাতে নিহত হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এ ঘটনার ৪৫ বছর পর গত ১৫ জুলাই রাজধানীর বনানী থেকে মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ
মোজাফফরের বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও পাসপোর্ট রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর তানভীর হাসান। জিজ্ঞাসাবাদে মোজাফফর নিজেই এসব নথি থাকার কথা জানিয়েছেন বলে জানান তিনি।
প্রসিকিউটরের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৯৭ বা ১৯৯৮ সালে দেশে এসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন মোজাফফর। এর আগে কয়েকবার চেষ্টা করেও তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। পরে সিরাজগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবে মিল্লাতের সহযোগিতায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে তাদের সাক্ষাৎ হয়।
তানভীর হাসান বলেন, ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে স্যালুট দিয়ে নিজের করণীয় জানতে চান মোজাফফর। তখন শেখ হাসিনা তাকে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীতে আত্মসমর্পণ করতেও বলেন।
পরে মোজাফফর আত্মসমর্পণ করেন। এ বিষয়ে সেনা সদর থেকে একটি চিঠিও পাঠানো হয়েছিল বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন তিনি। তবে কোনো কারণে সেনাবাহিনীতে তার যোগদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি বা বিলম্বিত হচ্ছিল। এরপর বাংলাদেশে সাধারণ ব্যবসা-বাণিজ্যে যুক্ত হন মোজাফফর।

ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে জিয়ার মরদেহ পাহাড়ে নিয়ে যান মোজাফফর: প্রসিকিউটর
সিজেডএন ডেস্ক

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যার পর তার মরদেহ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস থেকে পাহাড়ে নিয়ে গিয়েছিলেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেন। ঊর্ধ্বতন এক সেনা কর্মকর্তার নির্দেশে তিনি মরদেহ নিয়ে সেখানে যান। তবে পাহাড় থেকে মরদেহ ফেলে না দিয়ে জিয়াউর রহমানসহ তিনজনের লাশ একটি কবরে দাফন করা হয়।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় জিজ্ঞাসাবাদে মোজাফফর হোসেন নিজেই এসব তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তানভীর হাসান বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে মোজাফফর জানিয়েছেন, সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মতিউর রহমান তাকে জিয়াউর রহমানের মরদেহ পাহাড় থেকে ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওই নির্দেশ পেয়ে ১৯৮১ সালের ৩০ মে সকাল ১০টার দিকে সৈনিকদের নিয়ে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে যান তিনি।
প্রসিকিউটরের ভাষ্য অনুযায়ী, সেখান থেকে জিয়াউর রহমানের মরদেহ নিয়ে পাহাড়ে যান মোজাফফর। তবে মরদেহটি পাহাড় থেকে ফেলে দেননি তিনি। পরে একজন ইমামকে ডেকে এনে জিয়াউর রহমানসহ তিনজনের মরদেহ একই কবরে দাফন করা হয়। ওই ব্যক্তিদের মধ্যে একজন যে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি, তা ইমামকে জানানো হয়নি বলে জিজ্ঞাসাবাদে উল্লেখ করেছেন মোজাফফর।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে জানান প্রসিকিউটর তানভীর হাসান।
১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোররাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল সেনা কর্মকর্তার হাতে নিহত হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এ ঘটনার ৪৫ বছর পর গত ১৫ জুলাই রাজধানীর বনানী থেকে মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ
মোজাফফরের বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও পাসপোর্ট রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর তানভীর হাসান। জিজ্ঞাসাবাদে মোজাফফর নিজেই এসব নথি থাকার কথা জানিয়েছেন বলে জানান তিনি।
প্রসিকিউটরের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৯৭ বা ১৯৯৮ সালে দেশে এসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন মোজাফফর। এর আগে কয়েকবার চেষ্টা করেও তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। পরে সিরাজগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবে মিল্লাতের সহযোগিতায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে তাদের সাক্ষাৎ হয়।
তানভীর হাসান বলেন, ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে স্যালুট দিয়ে নিজের করণীয় জানতে চান মোজাফফর। তখন শেখ হাসিনা তাকে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীতে আত্মসমর্পণ করতেও বলেন।
পরে মোজাফফর আত্মসমর্পণ করেন। এ বিষয়ে সেনা সদর থেকে একটি চিঠিও পাঠানো হয়েছিল বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন তিনি। তবে কোনো কারণে সেনাবাহিনীতে তার যোগদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি বা বিলম্বিত হচ্ছিল। এরপর বাংলাদেশে সাধারণ ব্যবসা-বাণিজ্যে যুক্ত হন মোজাফফর।









