বিচ্ছেদের পরও প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখেন ৬০ শতাংশ মানুষ, কারণ কী?

বিচ্ছেদের পরও প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখেন ৬০ শতাংশ মানুষ, কারণ কী?
সিজেডএন ডেস্ক

বিভিন্ন কারণে প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে। সেটা হতে পারে অবিশ্বাস, সন্দেহ, তিক্ততা। তবে মিউচুয়ালিও অনেক সম্পর্ক ভেঙে যায়। আবার কারও গভীর ভালোবাসা কমে যাওয়ার কারণেও সম্পর্কচ্ছেদ হতে পারে। এরপরও দিনশেষে একে অপরের খোঁজ নেওয়া থামেনি। অটুট রয়ে গেছে বন্ধুত্বও। কিন্তু কেন? বিচ্ছেদের তীব্র ঝড় বয়ে যাওয়ার পরও কেন অনেকে সাবেক প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন? কোন মনস্তত্ত্ব কাজ করে এই ‘প্রাক্তন কিন্তু বন্ধু’ সম্পর্কের পেছনে?
মনোবিষয়ক সাময়িকী সাইকোলজি টুডে এক প্রতিবেদনে এর কয়েকটি কারণ তুলে ধরেছেন। কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাসহ কয়েকটি গবেষণার ভিত্তিতে এতে বলা হয়েছে, কেউ মানসিক স্বস্তির জন্য, কেউ প্রয়োজনে, আবার কেউ পুরোনো ভালোবাসার টানেই সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখেন। সাইকোলজি টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষের অন্তত একজন সাবেক প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব রয়েছে। আর প্রায় ২০ শতাংশের একাধিক সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধুত্ব আছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এর পেছনের কারণ-
মানসিক স্বস্তি
কেউ সম্পর্কে থাকলে প্রথমেই তাদের মধ্যে বিশ্বাস তৈরি হয়। মনের কথা খুলে বলা, বিপদে পাশে পাওয়া কিংবা মন খারাপ হলে কথা বলার অভ্যাস গড়ে ওঠে। বিচ্ছেদের পরও সেই অভ্যাস থেকে যেতে পারে। অনেকে এই অভ্যাসের কারণে সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখেন। কারণ, তার সঙ্গে কথা বললে স্বস্তি লাগে, নিজের কথা বলা যায় বা পরিচিত একজন মানুষের সঙ্গ পাওয়া যায়। এ ধরনের বন্ধুত্ব ভালো হতে পারে, যদি দুজনই একে অপরকে সম্মান করেন, বা নতুন অবস্থাটা মেনে নেন।
প্রয়োজনের কারণে যোগাযোগ
ভালোবাসা বা আবেগের করণেই যে সবসময় সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধুত্ব থাকে এমন নয়। অনেক সময় প্রয়োজনেও যোগাযোগ রাখতে হয়। এর কারণ হতে পারে- দুজনের বন্ধুবান্ধব একই। তারা একসঙ্গে কোনো সম্পদ, পোষা প্রাণী কিংবা সন্তানের দায়িত্ব থাকতে পারে। আবার কেউ কেউ সাবেক সঙ্গীর কাছ থেকে আর্থিক বা অন্য কোনো সুবিধাও পাওয়ার জন্যও যোগাযোগ রাখেন। তবে এমন সম্পর্ক খুব বেশি স্থায়ী হয় না। তবে এতে দুজনের মধ্যে ভালো সম্পর্ক বজায় থাকতে পারে।
ঝামেলা এড়াতে বন্ধুত্ব
বিচ্ছেদের পর অনেকেই নতুন করে ঝগড়া বা মনোমালিন্যে জড়াতে চান না। তাই সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে ভদ্রভাবে কথা বলেন, খোঁজখবর রাখেন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করেন। আবার অনেকে মনে করেন, হঠাৎ যোগাযোগ বন্ধ করে দিলে সে কষ্ট পেতে পারে বা একই বন্ধুদের সঙ্গে চলাফেরা করলে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে- এসব কারণেও বন্ধুত্ব বজায় রাখেন। তবে শুধু ঝামেলা এড়ানোর জন্য যে বন্ধুত্ব তৈরি হয়, তা বেশিরভাগ সময় দীর্ঘস্থায়ী হয় না।
এখনো ভালোবাসা রয়ে গেছে
অনেক সময় একপক্ষের কারণে বিচ্ছেদ হতে পারে। এজন্য অপর পক্ষের মধ্যে ভালোবাসা রয়ে যায়। কেউ কেউ সাবেক সঙ্গীকে ফিরে পেতে চান। তাই বন্ধুত্বের নাম করে যোগাযোগ চালিয়ে যান। তাদের মনে আশা থাকে, হয়তো একদিন সে আবার ফিরে আসবে। আবার অনেকে আছেন নিজে না পেলেও সাবেক সঙ্গীকে অন্যের সঙ্গে দেখতে চান না। ফলে পুরোনো সম্পর্ক শেষ হলেও বন্ধুত্ব রাখেন। তবে একজন যদি শুধু বন্ধুত্ব চান আর অন্যজন যদি আবার প্রেমে ফেরার আশা করেন, তাহলে এই সম্পর্ক থেকে নতুন করে কষ্ট তৈরি হতে পারে।
প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্ব কি খারাপ?
অনেকের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়, সম্পর্কচ্ছেদের পরে প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখা যায় কি না? সাবেক প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখা মানেই যে পুরোনো প্রেম ফিরে আসবে, এমন নয়। কারও ক্ষেত্রে ভালোবাসার অনুভূতি কমে যাওয়ার পরও বন্ধুত্ব থাকতে পারে। আবার কারও বিচ্ছেদ হয় কোনো তিক্ততা ছাড়াই। তাই দুজনের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখাও সম্ভব।
তবে সাবেকের সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো দুজনেই সেটা চায় কি না। একজন যদি পুরোনো সম্পর্ক ভুলে সামনে এগোতে চান, আর অন্যজন যদি এখনো ফিরে পাওয়ার আসা করেন, তাহলে এটা নতুন করে কষ্টের কারণ হতে পারে।

বিভিন্ন কারণে প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে। সেটা হতে পারে অবিশ্বাস, সন্দেহ, তিক্ততা। তবে মিউচুয়ালিও অনেক সম্পর্ক ভেঙে যায়। আবার কারও গভীর ভালোবাসা কমে যাওয়ার কারণেও সম্পর্কচ্ছেদ হতে পারে। এরপরও দিনশেষে একে অপরের খোঁজ নেওয়া থামেনি। অটুট রয়ে গেছে বন্ধুত্বও। কিন্তু কেন? বিচ্ছেদের তীব্র ঝড় বয়ে যাওয়ার পরও কেন অনেকে সাবেক প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন? কোন মনস্তত্ত্ব কাজ করে এই ‘প্রাক্তন কিন্তু বন্ধু’ সম্পর্কের পেছনে?
মনোবিষয়ক সাময়িকী সাইকোলজি টুডে এক প্রতিবেদনে এর কয়েকটি কারণ তুলে ধরেছেন। কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাসহ কয়েকটি গবেষণার ভিত্তিতে এতে বলা হয়েছে, কেউ মানসিক স্বস্তির জন্য, কেউ প্রয়োজনে, আবার কেউ পুরোনো ভালোবাসার টানেই সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখেন। সাইকোলজি টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষের অন্তত একজন সাবেক প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব রয়েছে। আর প্রায় ২০ শতাংশের একাধিক সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধুত্ব আছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এর পেছনের কারণ-
মানসিক স্বস্তি
কেউ সম্পর্কে থাকলে প্রথমেই তাদের মধ্যে বিশ্বাস তৈরি হয়। মনের কথা খুলে বলা, বিপদে পাশে পাওয়া কিংবা মন খারাপ হলে কথা বলার অভ্যাস গড়ে ওঠে। বিচ্ছেদের পরও সেই অভ্যাস থেকে যেতে পারে। অনেকে এই অভ্যাসের কারণে সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখেন। কারণ, তার সঙ্গে কথা বললে স্বস্তি লাগে, নিজের কথা বলা যায় বা পরিচিত একজন মানুষের সঙ্গ পাওয়া যায়। এ ধরনের বন্ধুত্ব ভালো হতে পারে, যদি দুজনই একে অপরকে সম্মান করেন, বা নতুন অবস্থাটা মেনে নেন।
প্রয়োজনের কারণে যোগাযোগ
ভালোবাসা বা আবেগের করণেই যে সবসময় সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধুত্ব থাকে এমন নয়। অনেক সময় প্রয়োজনেও যোগাযোগ রাখতে হয়। এর কারণ হতে পারে- দুজনের বন্ধুবান্ধব একই। তারা একসঙ্গে কোনো সম্পদ, পোষা প্রাণী কিংবা সন্তানের দায়িত্ব থাকতে পারে। আবার কেউ কেউ সাবেক সঙ্গীর কাছ থেকে আর্থিক বা অন্য কোনো সুবিধাও পাওয়ার জন্যও যোগাযোগ রাখেন। তবে এমন সম্পর্ক খুব বেশি স্থায়ী হয় না। তবে এতে দুজনের মধ্যে ভালো সম্পর্ক বজায় থাকতে পারে।
ঝামেলা এড়াতে বন্ধুত্ব
বিচ্ছেদের পর অনেকেই নতুন করে ঝগড়া বা মনোমালিন্যে জড়াতে চান না। তাই সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে ভদ্রভাবে কথা বলেন, খোঁজখবর রাখেন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করেন। আবার অনেকে মনে করেন, হঠাৎ যোগাযোগ বন্ধ করে দিলে সে কষ্ট পেতে পারে বা একই বন্ধুদের সঙ্গে চলাফেরা করলে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে- এসব কারণেও বন্ধুত্ব বজায় রাখেন। তবে শুধু ঝামেলা এড়ানোর জন্য যে বন্ধুত্ব তৈরি হয়, তা বেশিরভাগ সময় দীর্ঘস্থায়ী হয় না।
এখনো ভালোবাসা রয়ে গেছে
অনেক সময় একপক্ষের কারণে বিচ্ছেদ হতে পারে। এজন্য অপর পক্ষের মধ্যে ভালোবাসা রয়ে যায়। কেউ কেউ সাবেক সঙ্গীকে ফিরে পেতে চান। তাই বন্ধুত্বের নাম করে যোগাযোগ চালিয়ে যান। তাদের মনে আশা থাকে, হয়তো একদিন সে আবার ফিরে আসবে। আবার অনেকে আছেন নিজে না পেলেও সাবেক সঙ্গীকে অন্যের সঙ্গে দেখতে চান না। ফলে পুরোনো সম্পর্ক শেষ হলেও বন্ধুত্ব রাখেন। তবে একজন যদি শুধু বন্ধুত্ব চান আর অন্যজন যদি আবার প্রেমে ফেরার আশা করেন, তাহলে এই সম্পর্ক থেকে নতুন করে কষ্ট তৈরি হতে পারে।
প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্ব কি খারাপ?
অনেকের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়, সম্পর্কচ্ছেদের পরে প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখা যায় কি না? সাবেক প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখা মানেই যে পুরোনো প্রেম ফিরে আসবে, এমন নয়। কারও ক্ষেত্রে ভালোবাসার অনুভূতি কমে যাওয়ার পরও বন্ধুত্ব থাকতে পারে। আবার কারও বিচ্ছেদ হয় কোনো তিক্ততা ছাড়াই। তাই দুজনের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখাও সম্ভব।
তবে সাবেকের সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো দুজনেই সেটা চায় কি না। একজন যদি পুরোনো সম্পর্ক ভুলে সামনে এগোতে চান, আর অন্যজন যদি এখনো ফিরে পাওয়ার আসা করেন, তাহলে এটা নতুন করে কষ্টের কারণ হতে পারে।

বিচ্ছেদের পরও প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখেন ৬০ শতাংশ মানুষ, কারণ কী?
সিজেডএন ডেস্ক

বিভিন্ন কারণে প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে। সেটা হতে পারে অবিশ্বাস, সন্দেহ, তিক্ততা। তবে মিউচুয়ালিও অনেক সম্পর্ক ভেঙে যায়। আবার কারও গভীর ভালোবাসা কমে যাওয়ার কারণেও সম্পর্কচ্ছেদ হতে পারে। এরপরও দিনশেষে একে অপরের খোঁজ নেওয়া থামেনি। অটুট রয়ে গেছে বন্ধুত্বও। কিন্তু কেন? বিচ্ছেদের তীব্র ঝড় বয়ে যাওয়ার পরও কেন অনেকে সাবেক প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন? কোন মনস্তত্ত্ব কাজ করে এই ‘প্রাক্তন কিন্তু বন্ধু’ সম্পর্কের পেছনে?
মনোবিষয়ক সাময়িকী সাইকোলজি টুডে এক প্রতিবেদনে এর কয়েকটি কারণ তুলে ধরেছেন। কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাসহ কয়েকটি গবেষণার ভিত্তিতে এতে বলা হয়েছে, কেউ মানসিক স্বস্তির জন্য, কেউ প্রয়োজনে, আবার কেউ পুরোনো ভালোবাসার টানেই সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখেন। সাইকোলজি টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষের অন্তত একজন সাবেক প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব রয়েছে। আর প্রায় ২০ শতাংশের একাধিক সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধুত্ব আছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এর পেছনের কারণ-
মানসিক স্বস্তি
কেউ সম্পর্কে থাকলে প্রথমেই তাদের মধ্যে বিশ্বাস তৈরি হয়। মনের কথা খুলে বলা, বিপদে পাশে পাওয়া কিংবা মন খারাপ হলে কথা বলার অভ্যাস গড়ে ওঠে। বিচ্ছেদের পরও সেই অভ্যাস থেকে যেতে পারে। অনেকে এই অভ্যাসের কারণে সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখেন। কারণ, তার সঙ্গে কথা বললে স্বস্তি লাগে, নিজের কথা বলা যায় বা পরিচিত একজন মানুষের সঙ্গ পাওয়া যায়। এ ধরনের বন্ধুত্ব ভালো হতে পারে, যদি দুজনই একে অপরকে সম্মান করেন, বা নতুন অবস্থাটা মেনে নেন।
প্রয়োজনের কারণে যোগাযোগ
ভালোবাসা বা আবেগের করণেই যে সবসময় সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধুত্ব থাকে এমন নয়। অনেক সময় প্রয়োজনেও যোগাযোগ রাখতে হয়। এর কারণ হতে পারে- দুজনের বন্ধুবান্ধব একই। তারা একসঙ্গে কোনো সম্পদ, পোষা প্রাণী কিংবা সন্তানের দায়িত্ব থাকতে পারে। আবার কেউ কেউ সাবেক সঙ্গীর কাছ থেকে আর্থিক বা অন্য কোনো সুবিধাও পাওয়ার জন্যও যোগাযোগ রাখেন। তবে এমন সম্পর্ক খুব বেশি স্থায়ী হয় না। তবে এতে দুজনের মধ্যে ভালো সম্পর্ক বজায় থাকতে পারে।
ঝামেলা এড়াতে বন্ধুত্ব
বিচ্ছেদের পর অনেকেই নতুন করে ঝগড়া বা মনোমালিন্যে জড়াতে চান না। তাই সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে ভদ্রভাবে কথা বলেন, খোঁজখবর রাখেন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করেন। আবার অনেকে মনে করেন, হঠাৎ যোগাযোগ বন্ধ করে দিলে সে কষ্ট পেতে পারে বা একই বন্ধুদের সঙ্গে চলাফেরা করলে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে- এসব কারণেও বন্ধুত্ব বজায় রাখেন। তবে শুধু ঝামেলা এড়ানোর জন্য যে বন্ধুত্ব তৈরি হয়, তা বেশিরভাগ সময় দীর্ঘস্থায়ী হয় না।
এখনো ভালোবাসা রয়ে গেছে
অনেক সময় একপক্ষের কারণে বিচ্ছেদ হতে পারে। এজন্য অপর পক্ষের মধ্যে ভালোবাসা রয়ে যায়। কেউ কেউ সাবেক সঙ্গীকে ফিরে পেতে চান। তাই বন্ধুত্বের নাম করে যোগাযোগ চালিয়ে যান। তাদের মনে আশা থাকে, হয়তো একদিন সে আবার ফিরে আসবে। আবার অনেকে আছেন নিজে না পেলেও সাবেক সঙ্গীকে অন্যের সঙ্গে দেখতে চান না। ফলে পুরোনো সম্পর্ক শেষ হলেও বন্ধুত্ব রাখেন। তবে একজন যদি শুধু বন্ধুত্ব চান আর অন্যজন যদি আবার প্রেমে ফেরার আশা করেন, তাহলে এই সম্পর্ক থেকে নতুন করে কষ্ট তৈরি হতে পারে।
প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্ব কি খারাপ?
অনেকের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়, সম্পর্কচ্ছেদের পরে প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখা যায় কি না? সাবেক প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখা মানেই যে পুরোনো প্রেম ফিরে আসবে, এমন নয়। কারও ক্ষেত্রে ভালোবাসার অনুভূতি কমে যাওয়ার পরও বন্ধুত্ব থাকতে পারে। আবার কারও বিচ্ছেদ হয় কোনো তিক্ততা ছাড়াই। তাই দুজনের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখাও সম্ভব।
তবে সাবেকের সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো দুজনেই সেটা চায় কি না। একজন যদি পুরোনো সম্পর্ক ভুলে সামনে এগোতে চান, আর অন্যজন যদি এখনো ফিরে পাওয়ার আসা করেন, তাহলে এটা নতুন করে কষ্টের কারণ হতে পারে।

প্রাক্তনের চিন্তায় ঘুম আসে না, জেনে নিন প্রতিকার







