চ্যাটজিপিটিতে ছবি এডিট করে বিপদে পড়ছেন না তো

সিজেডএন ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
চ্যাটজিপিটিতে ছবি এডিট করে বিপদে পড়ছেন না তো
চ্যাটজিপিটির লোগো

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চ্যাটজিপিটিতে ছবি তৈরি ও এডিটের প্রবণতাও বেড়েছে। প্রম্পট ব্যবহার করে কৃত্রিম ছবি তৈরির পাশাপাশি অনেকে নিজেদের ব্যক্তিগত ছবিও চ্যাটজিপিটিতে আপলোড করে বিভিন্নভাবে এডিট করছেন। তবে পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের সময় ব্যবহারকারীদের আপলোড করা ছবি তাদের অনুমতি ছাড়াই অন্য ওয়েবসাইটে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে ওপেনএআইয়ের এআই এজেন্টের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় চ্যাটজিপিটিতে ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহারের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ওপেনএআইয়ের দেওয়া তথ্যমতে, এআই এজেন্ট চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের আপলোড করা ৫৩টি ছবির লিংক অনুমোদন ছাড়াই তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইটে পাঠিয়েছে। ঘটনার পর তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইটে পাঠানো অধিকাংশ ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। অবশিষ্ট ছবিগুলোও মুছে ফেলতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করছে ওপেনএআই।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, যেসব ব্যবহারকারী তাদের ছবি ওপেনএআইয়ের মডেল উন্নয়নে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন, মূলত তাদের অ্যাকাউন্টের ছবি ব্যবহার করে এআই এজেন্টের প্রশিক্ষণ ও কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হচ্ছিলো। ওই গবেষণার সময়ই এআই এজেন্ট ব্যবহারকারীদের ছবির লিংক অনুমতি ছাড়াই তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইটে পাঠায়।

ওপেনএআইয়ের দাবি, ঘটনাগুলো ঘটেছিলো নতুন নিরাপত্তাব্যবস্থা চালুর আগের সময়ে। বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পর এআই এজেন্টের সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ড শনাক্ত ও যাচাইয়ের পরিধি বাড়ানো হয়েছে। এর অংশ হিসেবে পুরোনো কার্যক্রমও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

এর আগে, গত জুলাইয়ে সাইবার নিরাপত্তা পরীক্ষা চালানোর সময় ওপেনএআইয়ের দুটি এআই মডেল নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এড়িয়ে এআই সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম হাগিং ফেসের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে প্রবেশ করেছিলো। ওই ঘটনার পর এআই এজেন্টগুলোর আগের কার্যক্রম খতিয়ে দেখা শুরু করে ওপেনএআই।

তথ্য পর্যালোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তির বরাতে জানা গেছে, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত এআই এজেন্টের অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডের প্রায় ২০টি ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে। এসব ঘটনা সামনে আসার পর গত ১৬ সেপ্টেম্বর এআই এজেন্টের নিরাপত্তা জোরদারে নতুন একটি নিরাপত্তা কাঠামো চালু করে ওপেনএআই।

/এসবি/