সালাহর ফাউল নিয়ে যা বললেন বিশেষজ্ঞরা

সালাহর ফাউল নিয়ে যা বললেন বিশেষজ্ঞরা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে মিসরকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে আর্জেন্টিনার কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার রোমাঞ্চকর লড়াইটি এখন ঢাকা পড়েছে মাঠের নানা বিতর্কিত সিদ্ধান্তে। মোহাম্মদ সালাহকে ফাউলের বিপরীতে পেনাল্টি না দেওয়া এবং মিসরের একটি গোল ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি প্রযুক্তির সাহায্যে বাতিল করা নিয়ে ফুটবল বিশ্বে চলছে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনা।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পরও শেষ মুহূর্তের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ম্যাচ জিতে নেয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞদের টেবিলে মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে দুটি বড় সিদ্ধান্ত। প্রথমার্ধে ডি-বক্সে মিসরীয় অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহকে আর্জেন্টিনার এক ডিফেন্ডার চ্যালেঞ্জ করলে পেনাল্টি দাবি করে মিসর। কিন্তু রেফারি তাতে সাড়া দেননি এবং ভিএআরও নীরব থাকে।
আন্তর্জাতিক রেফারি সাইমন সানি অবশ্য মনে করেন, রেফারি সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের আলোচনায় তিনি ব্যাখ্যা করেন, ডিফেন্ডার প্রথমে বলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সালাহ ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন এবং পরে শারীরিক সংস্পর্শ হলেও তা খেলার গতি পরিবর্তন করেনি। মূলত সালাহ তখন বলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেফারির দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টাই করছিলেন।
ম্যাচের সবচেয়ে বড় নাটকীয়তার জন্ম হয় যখন ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা মিসরের মোস্তফা জিকোর একটি গোল ভিএআর পর্যালোচনার পর বাতিল করা হয়। সালাহর পাস থেকে জিকো বল জালে জড়ালেও, ভিএআর রিপ্লেতে দেখা যায় আক্রমণের সূচনালগ্নেই মিসরের এক খেলোয়াড় প্রতিপক্ষকে ফাউল করেছিলেন। সাইমন সানির মতে, আইএফএবি (ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড)-এর প্রোটোকল অনুযায়ী গোলের আগের ফাউল পুনর্বিবেচনা করার পূর্ণ এখতিয়ার ভিএআরের রয়েছে। ফলে কিছু ধারাভাষ্যকার ভিএআরের ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুললেও, ফুটবলের ‘লজ অব দ্য গেম’ অনুযায়ী এই গোল বাতিলের সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ বৈধ ও নিয়মতান্ত্রিক ছিল।
সাবেক সিলেক্ট গ্রুপ রেফারি ডেভিসের মতে, আর্জেন্টিনার হুলিয়ান আলভারেজের কাছ থেকে কোনো স্পষ্ট ফাউল হয়নি। বরং সালাহ নিজেই পেনাল্টি আদায়ের চেষ্টা করেছিলেন। রিপ্লেতে দেখা যায়, দুই খেলোয়াড়ের বুট একে অপরের সঙ্গে লেগেছিল এবং উভয়ের গতির কারণেই সেই সংস্পর্শ তৈরি হয়। ফলে এটিকে ফাউল হিসেবে দেখার সুযোগ ছিল না।
বিশ্লেষকদের মতে, একই ধরনের ঘটনায় বিভিন্ন ম্যাচে ভিন্ন ভিন্ন সিদ্ধান্ত আসায় দর্শকদের মাঝে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। চলতি বিশ্বকাপে ভিএআর ব্যবহারের ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও ফিফার দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির কারণে সামগ্রিক রেফারিংয়ের মান যথেষ্ট ইতিবাচক বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে মিসরকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে আর্জেন্টিনার কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার রোমাঞ্চকর লড়াইটি এখন ঢাকা পড়েছে মাঠের নানা বিতর্কিত সিদ্ধান্তে। মোহাম্মদ সালাহকে ফাউলের বিপরীতে পেনাল্টি না দেওয়া এবং মিসরের একটি গোল ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি প্রযুক্তির সাহায্যে বাতিল করা নিয়ে ফুটবল বিশ্বে চলছে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনা।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পরও শেষ মুহূর্তের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ম্যাচ জিতে নেয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞদের টেবিলে মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে দুটি বড় সিদ্ধান্ত। প্রথমার্ধে ডি-বক্সে মিসরীয় অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহকে আর্জেন্টিনার এক ডিফেন্ডার চ্যালেঞ্জ করলে পেনাল্টি দাবি করে মিসর। কিন্তু রেফারি তাতে সাড়া দেননি এবং ভিএআরও নীরব থাকে।
আন্তর্জাতিক রেফারি সাইমন সানি অবশ্য মনে করেন, রেফারি সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের আলোচনায় তিনি ব্যাখ্যা করেন, ডিফেন্ডার প্রথমে বলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সালাহ ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন এবং পরে শারীরিক সংস্পর্শ হলেও তা খেলার গতি পরিবর্তন করেনি। মূলত সালাহ তখন বলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেফারির দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টাই করছিলেন।
ম্যাচের সবচেয়ে বড় নাটকীয়তার জন্ম হয় যখন ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা মিসরের মোস্তফা জিকোর একটি গোল ভিএআর পর্যালোচনার পর বাতিল করা হয়। সালাহর পাস থেকে জিকো বল জালে জড়ালেও, ভিএআর রিপ্লেতে দেখা যায় আক্রমণের সূচনালগ্নেই মিসরের এক খেলোয়াড় প্রতিপক্ষকে ফাউল করেছিলেন। সাইমন সানির মতে, আইএফএবি (ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড)-এর প্রোটোকল অনুযায়ী গোলের আগের ফাউল পুনর্বিবেচনা করার পূর্ণ এখতিয়ার ভিএআরের রয়েছে। ফলে কিছু ধারাভাষ্যকার ভিএআরের ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুললেও, ফুটবলের ‘লজ অব দ্য গেম’ অনুযায়ী এই গোল বাতিলের সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ বৈধ ও নিয়মতান্ত্রিক ছিল।
সাবেক সিলেক্ট গ্রুপ রেফারি ডেভিসের মতে, আর্জেন্টিনার হুলিয়ান আলভারেজের কাছ থেকে কোনো স্পষ্ট ফাউল হয়নি। বরং সালাহ নিজেই পেনাল্টি আদায়ের চেষ্টা করেছিলেন। রিপ্লেতে দেখা যায়, দুই খেলোয়াড়ের বুট একে অপরের সঙ্গে লেগেছিল এবং উভয়ের গতির কারণেই সেই সংস্পর্শ তৈরি হয়। ফলে এটিকে ফাউল হিসেবে দেখার সুযোগ ছিল না।
বিশ্লেষকদের মতে, একই ধরনের ঘটনায় বিভিন্ন ম্যাচে ভিন্ন ভিন্ন সিদ্ধান্ত আসায় দর্শকদের মাঝে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। চলতি বিশ্বকাপে ভিএআর ব্যবহারের ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও ফিফার দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির কারণে সামগ্রিক রেফারিংয়ের মান যথেষ্ট ইতিবাচক বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা।

সালাহর ফাউল নিয়ে যা বললেন বিশেষজ্ঞরা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে মিসরকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে আর্জেন্টিনার কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার রোমাঞ্চকর লড়াইটি এখন ঢাকা পড়েছে মাঠের নানা বিতর্কিত সিদ্ধান্তে। মোহাম্মদ সালাহকে ফাউলের বিপরীতে পেনাল্টি না দেওয়া এবং মিসরের একটি গোল ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি প্রযুক্তির সাহায্যে বাতিল করা নিয়ে ফুটবল বিশ্বে চলছে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনা।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পরও শেষ মুহূর্তের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ম্যাচ জিতে নেয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞদের টেবিলে মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে দুটি বড় সিদ্ধান্ত। প্রথমার্ধে ডি-বক্সে মিসরীয় অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহকে আর্জেন্টিনার এক ডিফেন্ডার চ্যালেঞ্জ করলে পেনাল্টি দাবি করে মিসর। কিন্তু রেফারি তাতে সাড়া দেননি এবং ভিএআরও নীরব থাকে।
আন্তর্জাতিক রেফারি সাইমন সানি অবশ্য মনে করেন, রেফারি সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের আলোচনায় তিনি ব্যাখ্যা করেন, ডিফেন্ডার প্রথমে বলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সালাহ ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন এবং পরে শারীরিক সংস্পর্শ হলেও তা খেলার গতি পরিবর্তন করেনি। মূলত সালাহ তখন বলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেফারির দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টাই করছিলেন।
ম্যাচের সবচেয়ে বড় নাটকীয়তার জন্ম হয় যখন ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা মিসরের মোস্তফা জিকোর একটি গোল ভিএআর পর্যালোচনার পর বাতিল করা হয়। সালাহর পাস থেকে জিকো বল জালে জড়ালেও, ভিএআর রিপ্লেতে দেখা যায় আক্রমণের সূচনালগ্নেই মিসরের এক খেলোয়াড় প্রতিপক্ষকে ফাউল করেছিলেন। সাইমন সানির মতে, আইএফএবি (ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড)-এর প্রোটোকল অনুযায়ী গোলের আগের ফাউল পুনর্বিবেচনা করার পূর্ণ এখতিয়ার ভিএআরের রয়েছে। ফলে কিছু ধারাভাষ্যকার ভিএআরের ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুললেও, ফুটবলের ‘লজ অব দ্য গেম’ অনুযায়ী এই গোল বাতিলের সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ বৈধ ও নিয়মতান্ত্রিক ছিল।
সাবেক সিলেক্ট গ্রুপ রেফারি ডেভিসের মতে, আর্জেন্টিনার হুলিয়ান আলভারেজের কাছ থেকে কোনো স্পষ্ট ফাউল হয়নি। বরং সালাহ নিজেই পেনাল্টি আদায়ের চেষ্টা করেছিলেন। রিপ্লেতে দেখা যায়, দুই খেলোয়াড়ের বুট একে অপরের সঙ্গে লেগেছিল এবং উভয়ের গতির কারণেই সেই সংস্পর্শ তৈরি হয়। ফলে এটিকে ফাউল হিসেবে দেখার সুযোগ ছিল না।
বিশ্লেষকদের মতে, একই ধরনের ঘটনায় বিভিন্ন ম্যাচে ভিন্ন ভিন্ন সিদ্ধান্ত আসায় দর্শকদের মাঝে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। চলতি বিশ্বকাপে ভিএআর ব্যবহারের ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও ফিফার দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির কারণে সামগ্রিক রেফারিংয়ের মান যথেষ্ট ইতিবাচক বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা।

‘মেসিকে টুর্নামেন্টে রাখতেই আমাদের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে’
মিসরের বাতিল হওয়া গোলের সিদ্ধান্ত ভুল ছিল: রেফারি বিশেষজ্ঞ


